। আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই উম্মাতের তরবারি ও এর শত্রুর তরবারি দু’টোকে আল্লাহ কখনো এ উম্মাতের উপর একত্র করবেন না।[1] সহীহ।
হাদিস 4302 — Sunan Abu Dawud 39:12
হাসানহাসানহাসান Lighairihiহাসান
حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّمْلِيُّ، حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ، عَنِ السَّيْبَانِيِّ، عَنْ أَبِي سُكَيْنَةَ، - رَجُلٍ مِنَ الْمُحَرَّرِينَ - عَنْ رَجُلٍ، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " دَعُوا الْحَبَشَةَ مَا وَدَعُوكُمْ وَاتْرُكُوا التُّرْكَ مَا تَرَكُوكُمْ " .
। আবূ সুবাইনাহ নামক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে জনৈক সাহাবী থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা হাবাশীদের থেকে বিরত থাকো, যে পর্যন্ত তারা তোমাদের থেকে বিরত থাকে এবং তুর্কিদেরও ত্যাগ করো যত পর্যন্ত তারা তোমাদের ত্যাগ করে।[1] হাসান।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে পর্যন্ত না মুসলিমরা তুর্কি জাতির সঙ্গে যুদ্ধ করবে, সে পর্যন্ত কিয়ামত হবে না। সেই জাতির মুখমন্ডল হবে বর্মের ন্যায় চওড়া আর মাংসল। তারা পশমী পোশাক পরে।[1] সহীহ।
হাদিস 4304 — Sunan Abu Dawud 39:14
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (2929) Sahih Muslim (2912)
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে জাতি পশমযুক্ত জুতা পরবে সেই জাতির সঙ্গে যুদ্ধ না করা পর্যন্ত কিয়ামত হবে না। আর তোমরা ছোট চোখ, চ্যাপ্টা ও বর্মের মতো চওড়া ও মাংসল মুখমন্ডল বিশিষ্ট জাতির সঙ্গে যুদ্ধ না করা পর্যন্ত কিয়ামত হবে না।[1] সহীহ।
। আব্দুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রাঃ) তার পিতার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করেন যে, তোমাদের সঙ্গে ছোট চোখ বিশিষ্ট জাতি অর্থাৎ তুর্কিরা যুদ্ধ করবে। তিনি বলেন, তোমরা তাদেরকে তিনবার তাড়িয়ে নিয়ে যাবে, অবশেষে আবার উপদ্বীপে তাদের নাগালে পাবে। প্রথম তাড়ানোতে যারা পালিয়ে যাবে, তারা রক্ষা পাবে, আর দ্বিতীয় তাড়ানোতে অনেকে রক্ষা পাবে আর অনেকে ধ্বংস হবে; আর তৃতীয় বার তাদের মূলৎপাটিত করা হবে অথবা অনুরূপ কিছু বলেছেন।[1] দুর্বল।
। মুসলিম ইবনু আবূ বাকরাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাজলা (তাইগ্রিস) নদীর তীরবর্তী নীচু এলাকায় ‘বাসরাহ’ নামক স্থানে আমার উম্মাতের কিছু লোক বসতি স্থাপন করবে। সেই নদীর উপরে সেতু থাকবে আর নাগরিকের সংখ্যা হবে প্রচুর। আর এটা হবে মুহাজিরদের শহরসমূহের একটি। শেষ যামানায় চওড়া চেহারা ও ছোট চোখবিশিষ্ট ‘কানতূরা’ গোত্র সেই নদীর অববাহিকায় ঘাঁটি স্থাপন করবে এবং উক্ত শহরের বাসিন্দারা তিন দলে বিভক্ত হয়ে যাবে। এক দল গরুর লেজ ধরে মরুভূমিতে যাবে এবং ধ্বংস হবে। দ্বিতীয় দল নিজেদের জন্য নিরাপদ স্থান খুঁজবে এবং কাফির হয়ে যাবে। তৃতীয় দল তাদের পিছনে পরিবার-পরিজন ও সন্তানাদি রেখে দুশমনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে এবং শহীদ হবে।[1] হাসান।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে আনাস! নিশ্চয়ই লোকেরা বিভিন্ন শহরে পত্তন করবে। জেনে রেখো, তার মধ্যে বাসরাহ ও বুসাইরাহ নামক একটি শহরও হবে। তুমি যদি এর পাশ দিয়ে যাও বা এতে প্রবেশ করো তাহলে সাবধান থাকবে। এর লবণাক্ত জমিন থেকে এর ‘কাল্ল’ নামক স্থান থেকে এবং বাজার ও নেতাদের দরজা থেকে এবং আশপাশ থেকে। কেননা এটা ধ্বসে যাবে। নিক্ষিপ্ত হবে আর ভূমিকম্পে প্রকোম্পিত হবে। আর এক দল লোক রাতের বেলা ঘুমিয়ে থাকবে; কিন্তু প্রত্যুষে তারা বানর শূকরে পরিণত হবে।[1] সহীহ।
। ইবরাহীম ইবনু দিরহাম (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, আমরা হজ (হজ্জ) করতে যাচ্ছিলাম। তখন এক লোক আমাদের জিজ্ঞেস করলো, তোমাদের কাছাকাছি উবুলাহ নামক একটি শহর আছে কি? আমরা বললাম, হ্যাঁ। সে বললো, তোমাদের মধ্যে কে এ দায়িত্ব নিবে যে, আমার পক্ষ থেকে ‘আল-আশশার মসজিদে’ দু বার চার রাকআত সালাত পড়বে? আর একথাটা তিনি আবূ হুরাইরাহর জন্য বলতেন যে, আমি আমার বন্ধু আবূ কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ কিয়ামতের দিন মাসজিদুল আশ্শারে এমন কতক শহীদকে পাঠাবেন যাদের ব্যতীত অন্য কেউ বদরের শহীদের সঙ্গে দাঁড়াতে পারবে না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এই মাসজিদটি (ফুরাত) নদীর তীরে অবস্থিত।[1] দুর্বল।
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যতদিন পর্যন্ত ইথিওপীয়রা তোমাদের ত্যাগ করবে, তোমরাও তাদের ত্যাগ করো, কেননা ইথিয়পীয় ছোট গোছাধারী এক ব্যক্তি ব্যতীত কেউ কা‘বার ভান্ডার লুণ্ঠন করবে না।[1] হাসান।
। আবূ যুরআহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদীনাতে মারওয়ানের নিকট এক দল লোক এসে শুনতে পেলো যে, তিনি কিয়ামতের আলামাত প্রসঙ্গে বর্ণনা করছেন যে, দাজ্জালের আত্মপ্রকাশের প্রথম আলামত। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি আব্দুল্লাহ ইবনু আমরের নিকট গিয়ে এ কথা আলোচনা করলে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ ব্যাপারে যা বলতে শুনেছি তিনি তার কিছুই বলেননি। নিঃসন্দেহে এর প্রথম আলামত হলো পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়া অথবা মানব জাতির উপর পূর্বাহ্নে ‘দাব্বাতুল আরদ’ নামক একটি জন্তুর আত্মপ্রকাশ। এ দু’টির যে কোনো একটি আগে এবং অপরটি এর পরপরই প্রকাশিত হবে। আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এ সময় তিনি কিতাব পড়তেছিলেন। আর আমার মনে হয় তাঁর বক্তব্যের মধ্যে পশ্চিম দিকে সূর্য উদয়টাই প্রথম প্রকাশিত হবে।[1] সহীহ।