। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রতিটি কাজ যথাসাধ্য ডান থেকে আরম্ভ করা ভালবাসতেন। পবিত্রতা অর্জন, চুলে চিরুণী এবং জুতা পরতে তিনি ডান থেকে আরম্ভ করতেন। মুসলিম (রহঃ) বলেন, মেসওয়াক করার সময়ও ডান পাশ থেকে আরম্ভ করতেন। তবে তার বর্ণনায় ‘প্রতিটি কাজ’ শব্দ নেই। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, মু‘আয (রহঃ) শু‘বাহ (রহঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন; তবে তিনি ‘মিসওয়াক’ শব্দ উল্লেখ করেননি।[1] সহীহ।
হাদিস 4141 — Sunan Abu Dawud 34:122
সহিহসহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا لَبِسْتُمْ وَإِذَا تَوَضَّأْتُمْ فَابْدَءُوا بِأَيَامِنِكُمْ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যখন পোশাক বা জুতা পরিধান করো এবং উযূ করো, তখন ডান দিক থেকে শুরু করবে।[1] সহীহ।
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিছানা সম্পর্কে বলেনঃ পুরুষের জন্য একটি বিছানা, নারীর জন্য একটি বিছানা এবং একটি অতিথির জন্য। আর চতুর্থটি হলো শয়তানের জন্য।[1] সহীহ।
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি ইয়ামেনের এক দল সাথীকে দেখতে পেলেন, যাদের সওয়ারীর গদিগুলো ছিলো চামড়ার তৈরী। তিনি বলেন, কেউ যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের সাদৃশ্য দেখতে চাও, তবে যেন এদেরকে দেখে।[1] সহীহ।
হাদিস 4145 — Sunan Abu Dawud 34:126
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (5161) Sahih Muslim (2083)
حَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَتَّخَذْتُمْ أَنْمَاطًا " . قُلْتُ وَأَنَّى لَنَا الأَنْمَاطُ قَالَ " أَمَا إِنَّهَا سَتَكُونُ لَكُمْ أَنْمَاطٌ " .
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেনঃ তোমরা কি নরম গদি বানিয়েছ? আমি বললাম, আমরা নরম গদি কোথায় পাবো? তিনি বলেনঃ অচিরেই তোমাদের জন্য নরম গদি হবে।[1] সহীহ।
হাদিস 4146 — Sunan Abu Dawud 34:127
সহিহসহিহসহিহ Muslim (2082)
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كَانَ وِسَادَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ ابْنُ مَنِيعٍ - الَّتِي يَنَامُ عَلَيْهَا بِاللَّيْلِ - ثُمَّ اتَّفَقَا - مِنْ أَدَمٍ حَشْوُهَا لِيفٌ .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রাতে ঘুমানোর বালিশ ছিলো চামড়ার তৈরী, সেটির ভেতরে ছিলো খেজুরের ছাল বাকল।[1] সহীহ।
হাদিস 4147 — Sunan Abu Dawud 34:128
সহিহসহিহসহিহ Muslim (2082)
حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ حَيَّانَ - عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ كَانَتْ ضِجْعَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَدَمٍ حَشْوُهَا لِيفٌ .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য চামড়ার তৈরী একটি তোষক ছিলো, যার ভেতরে খেজুরের ছাল বাকল ভরা ছিলো।[1] সহীহ।
হাদিস 4148 — Sunan Abu Dawud 34:129
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ كَانَ فِرَاشُهَا حِيَالَ مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
। উম্মু সালামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, তার বিছানা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত আদায়ের ঠিক সামনে ছিলো।[1] সহীহ।
হাদিস 4149 — Sunan Abu Dawud 34:130
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (2613)
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ غَزْوَانَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَتَى فَاطِمَةَ رضى الله عنها فَوَجَدَ عَلَى بَابِهَا سِتْرًا فَلَمْ يَدْخُلْ قَالَ وَقَلَّمَا كَانَ يَدْخُلُ إِلاَّ بَدَأَ بِهَا فَجَاءَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَرَآهَا مُهْتَمَّةً فَقَالَ مَا لَكِ قَالَتْ جَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَىَّ فَلَمْ يَدْخُلْ فَأَتَاهُ عَلِيٌّ رضى الله عنه فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ فَاطِمَةَ اشْتَدَّ عَلَيْهَا أَنَّكَ جِئْتَهَا فَلَمْ تَدْخُلْ عَلَيْهَا . قَالَ " وَمَا أَنَا وَالدُّنْيَا وَمَا أَنَا وَالرَّقْمَ " . فَذَهَبَ إِلَى فَاطِمَةَ فَأَخْبَرَهَا بِقَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ قُلْ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا يَأْمُرُنِي بِهِ . قَالَ " قُلْ لَهَا فَلْتُرْسِلْ بِهِ إِلَى بَنِي فُلاَنٍ " .
। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমাহ (রাঃ)-এর নিকট এসে দরজায় পর্দা ঝুলানো দেখতে পেয়ে তিনি ভিতরে ঢুকলেন না। বর্ণনাকারী বলেন, অধিকাংশ সময় তিনি ভিতরে ঢুকেই সর্বপ্রথম ফাতিমাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন। এ সময় আলী (রাঃ) এসে ফাতিমাহকে চিন্তিত দেখে বললেন, তোমার কি হয়েছে? তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট আসতে চেয়েও আসেননি। অতঃপর আলী (রাঃ) তাঁর নিকট গিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি ফাতিমাহর নিকট গিয়েও প্রবেশ না করায় এটা তার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তিনি বলেনঃ দুনিয়াদারী ও চাকচিক্যতার সাথে আমার কি সম্পর্ক। একথা শুনে আলী ফাতিমাহর নিকট গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বক্তব্য বর্ণনা করলেন। তিনি বলেন, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলুন, তিনি আমাকে এটাকে কি করতে আদেশ দেন? (আলীর বর্ণনা শুনে) তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তাকে (ফাতিমাহকে) বলো, তা (পর্দাটি) যেন অমুক গোত্রে পাঠিয়ে দেয়।[1] সহীহ।