Qurani·قرآني
বাংলা

পোশাক (কিতাবুল লিবাস)

139 হাদিস · #4020–4158

হাদিস 4100 — Sunan Abu Dawud 34:81
দাঈফ Isnaadদাঈফ IsnaadIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّهَا ذَكَرَتْ نِسَاءَ الأَنْصَارِ فَأَثْنَتْ عَلَيْهِنَّ وَقَالَتْ لَهُنَّ مَعْرُوفًا وَقَالَتْ لَمَّا نَزَلَتْ سُورَةُ النُّورِ عَمَدْنَ إِلَى حُجُورٍ - أَوْ حُجُوزٍ شَكَّ أَبُو كَامِلٍ - فَشَقَقْنَهُنَّ فَاتَّخَذْنَهُ خُمُرًا ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি আনসার মহিলাদের আলোচনা প্রসঙ্গে তাদের প্রশংসা করেন এবং তাদের সম্পর্কে উত্তম মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সূরা আন-নূর যখন অবতীর্ণ হয়, তখন তারা লুঙ্গি বা এ জাতীয় জামা ছিঁড়ে ওড়না বানিয়ে নেন। [1] দুর্বল।
হাদিস 4101 — Sunan Abu Dawud 34:82
সহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ثَوْرٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ ابْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ لَمَّا نَزَلَتْ ‏{‏ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلاَبِيبِهِنَّ ‏}‏ خَرَجَ نِسَاءُ الأَنْصَارِ كَأَنَّ عَلَى رُءُوسِهِنَّ الْغِرْبَانُ مِنَ الأَكْسِيَةِ ‏.‏
। উম্মু সালামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘‘হে নবী! আপনার স্ত্রী-কন্যাদেরকে এবং অন্যান্য মু‘মিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন নিজেদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়...’’ (সূরা আল-আহযাবঃ ৫৯)। তখন থেকে আনসার মহিলারা তাদের মাথায় এমন চাদর জড়িয়ে বের হতেন, (চাঁদর কালো বর্ণের হওয়ায়) মনে হতো তাতে যেন কাক বসে আছে।[1] সহীহ।
হাদিস 4102 — Sunan Abu Dawud 34:83
সহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، ح وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، وَابْنُ السَّرْحِ، وَأَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالُوا أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي قُرَّةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَعَافِرِيُّ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّهَا قَالَتْ يَرْحَمُ اللَّهُ نِسَاءَ الْمُهَاجِرَاتِ الأُوَلَ لَمَّا أَنْزَلَ اللَّهُ ‏{‏ وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ ‏}‏ شَقَقْنَ أَكْنَفَ - قَالَ ابْنُ صَالِحٍ أَكْثَفَ - مُرُوطِهِنَّ فَاخْتَمَرْنَ بِهَا ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ প্রথম সারি মুহাজির নারীদের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। কেননা আল্লাহ যখন এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ ‘‘তারা যেন তাদের গলদেশ ও বক্ষদেশ মাথার ওগড়া দ্বারা আবৃত করে নেয়’’- তখন তারা তাদের সেলাইবিহীন কাপড় ছিঁড়ে তদ্বারা ওড়না বানিয়ে নেন।[1] সহীহ।
হাদিস 4103 — Sunan Abu Dawud 34:84
দাঈফসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، قَالَ رَأَيْتُ فِي كِتَابِ خَالِي عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ ‏.‏
। ইবনুস সারহ (রহঃ) বলেন, আমি আমার মামার পান্ডুলিপিতে ‘উকাইল থেকে ইবনু শিহাব (রহঃ) সূত্রে ভিন্ন সনদে অনুরূপ অর্থের হাদীস লিপিবদ্ধ দেখেছি।
হাদিস 4104 — Sunan Abu Dawud 34:85
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ كَعْبٍ الأَنْطَاكِيُّ، وَمُؤَمَّلُ بْنُ الْفَضْلِ الْحَرَّانِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ بَشِيرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ خَالِدٍ، - قَالَ يَعْقُوبُ ابْنُ دُرَيْكٍ - عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّ أَسْمَاءَ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ، دَخَلَتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيْهَا ثِيَابٌ رِقَاقٌ فَأَعْرَضَ عَنْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ ‏ "‏ يَا أَسْمَاءُ إِنَّ الْمَرْأَةَ إِذَا بَلَغَتِ الْمَحِيضَ لَمْ تَصْلُحْ أَنْ يُرَى مِنْهَا إِلاَّ هَذَا وَهَذَا ‏"‏ ‏.‏ وَأَشَارَ إِلَى وَجْهِهِ وَكَفَّيْهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا مُرْسَلٌ خَالِدُ بْنُ دُرَيْكٍ لَمْ يُدْرِكْ عَائِشَةَ رضى الله عنها ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) পাতলা কাপড় পরিহিত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার থেকে নিজের মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বললেনঃ হে আসমা! মেয়েরা যখন সাবালিকা হয় তখন এই দু’টো অঙ্গ ছাড়া অন্য কোনো অঙ্গ প্রকাশ করা তার জন্য সংগত নয়, এ বলে তিনি তাঁর চেহারা ও দু’ হাতের কব্জির দিকে ইশারা করেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এটি মুরসাল হাদীস। খালিদ ইবনু দুরাইক (রহঃ) আয়িশাহ (রাঃ)-এর সাক্ষাত পাননি। আর সাঈদ ইবনু বাশীরও তেমন শক্তিশালী বর্ণনাকারী নন।[1] সহীহ।
হাদিস 4105 — Sunan Abu Dawud 34:86
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (2206)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَابْنُ، مَوْهَبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ، اسْتَأْذَنَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْحِجَامَةِ فَأَمَرَ أَبَا طَيْبَةَ أَنْ يَحْجُمَهَا ‏.‏ قَالَ حَسِبْتُ أَنَّهُ قَالَ كَانَ أَخَاهَا مِنَ الرَّضَاعَةِ أَوْ غُلاَمًا لَمْ يَحْتَلِمْ ‏.‏
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। উম্মু সালামাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট রক্তমোক্ষণের অনুমতি চাইলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ তাইবাকে তার রক্তমোক্ষণ করার আদেশ দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার ধারণা, তিনি (আবূ তাইবাহ) তার দুধভাই কিংবা নাবালেগ গোলাম ছিলেন।[1] সহীহ।
হাদিস 4106 — Sunan Abu Dawud 34:87
সহিহসহিহহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا أَبُو جُمَيْعٍ، سَالِمُ بْنُ دِينَارٍ عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَتَى فَاطِمَةَ بِعَبْدٍ قَدْ وَهَبَهُ لَهَا قَالَ وَعَلَى فَاطِمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا ثَوْبٌ إِذَا قَنَّعَتْ بِهِ رَأْسَهَا لَمْ يَبْلُغْ رِجْلَيْهَا وَإِذَا غَطَّتْ بِهِ رِجْلَيْهَا لَمْ يَبْلُغْ رَأْسَهَا فَلَمَّا رَأَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَا تَلْقَى قَالَ ‏ "‏ إِنَّهُ لَيْسَ عَلَيْكِ بَأْسٌ إِنَّمَا هُوَ أَبُوكِ وَغُلاَمُكِ ‏"‏ ‏.‏
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক কৃতদাসকে সঙ্গে নিয়ে ফাতিমাহ (রাঃ)-এর নিকট এলেন, যে কৃতদাসটি তিনি তাকে দান করেছিলেন। ফাতিমাহ (রাঃ)-এর পরিধানে এরূপ একটি কাপড় ছিলো যা দিয়ে তিনি মাথা ঢাকলে পা দু’টিতে পৌঁছে না; আর পা ঢাকলে মাথা পর্যন্ত পৌঁছে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার এ অবস্থা দেখে বলেনঃ তোমার কোনো পাপ হবে না, কারণ এখানে তো শুধু তোমার পিতা ও তোমার কৃতদাস রয়েছে।[1] সহীহ।
হাদিস 4107 — Sunan Abu Dawud 34:88
সহিহসহিহসহিহ Muslim (2181)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ثَوْرٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، وَهِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كَانَ يَدْخُلُ عَلَى أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُخَنَّثٌ فَكَانُوا يَعُدُّونَهُ مِنْ غَيْرِ أُولِي الإِرْبَةِ فَدَخَلَ عَلَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا وَهُوَ عِنْدَ بَعْضِ نِسَائِهِ وَهُوَ يَنْعَتُ امْرَأَةً فَقَالَ إِنَّهَا إِذَا أَقْبَلَتْ أَقْبَلَتْ بِأَرْبَعٍ وَإِذَا أَدْبَرَتْ أَدْبَرَتْ بِثَمَانٍ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَلاَ أَرَى هَذَا يَعْلَمُ مَا هَا هُنَا لاَ يَدْخُلَنَّ عَلَيْكُنَّ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ فَحَجَبُوهُ ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীদের নিকট এক নপুংসক (হিজড়া) কৃতদাস আসা-যাওয়া করতো। সকলেই তাকে ‘যৌন কামনা রহিত পুরুষ’ হিসেবে গণ্য করতো। একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসলেন। এ সময় সে তাঁর কোনো স্ত্রীর ঘরে ছিলো এবং সে একটি নারীর প্রশংসা করে বললো, নারীটি যখন সামনের দিকে আসে মনে হয় চারভাঁজে আসছে আর যখন পিছনের দিকে যায় মনে হয় আটভাঁজে যাচ্ছে (অর্থাৎ খুব মোটা)। এ কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি তো দেখছি, সে এ বিষয়ে অভিজ্ঞ। সে যেন তোমাদের নিকট কখনো প্রবেশ না করতে পারে। অতঃপর সবাই তার থেকে পর্দা করলেন।[1] সহীহ।
হাদিস 4108 — Sunan Abu Dawud 34:89
দাঈফসহিহসহিহ Muslim (2181)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، بِمَعْنَاهُ ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে উপরের হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণিত আছে।[1] সহীহ।
হাদিস 4109 — Sunan Abu Dawud 34:90
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، بِهَذَا الْحَدِيثِ زَادَ وَأَخْرَجَهُ فَكَانَ بِالْبَيْدَاءِ يَدْخُلُ كُلَّ جُمُعَةٍ يَسْتَطْعِمُ ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। এতে আরো রয়েছেঃ ‘‘তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে আল-বায়দা নামক স্থানে পাঠিয়ে দিলেন। এরপর সে (হিজড়া) প্রতি শুক্রবার খাদ্যের জন্য শহরে আসতো।[1] সহীহ।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।