حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ، أَنَّهَا سَمِعَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ { إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ } .
। আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ আয়াত এভাবে পড়তে শুনেছেঃ (إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ)।[1] সহীহ।
হাদিস 3983 — Sunan Abu Dawud 32:15
সহিহসহিহহাসানহাসান
حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ الْمُخْتَارِ - حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ سَأَلْتُ أُمَّ سَلَمَةَ كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ هَذِهِ الآيَةَ { إِنَّهُ عَمَلٌ غَيْرُ صَالِحٍ } فَقَالَتْ قَرَأَهَا { إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ } قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ هَارُونُ النَّحْوِيُّ وَمُوسَى بْنُ خَلَفٍ عَنْ ثَابِتٍ كَمَا قَالَ عَبْدُ الْعَزِيزِ .
। শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত কিভাবে পড়তেনঃ (إِنَّهُ عَمَلٌ غَيْرُ صَالِحٍ)? তিনি বললেন, তিনি এই আয়াত এভাবে পড়তেন(إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ)।[1] সহীহ।
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দু‘আ করতেন তখন প্রথমে নিজের জন্য দু‘আ করতেন এবং বলতেনঃ আমাদের উপর এবং মূসার উপর আল্লাহর রহমত। যদি তিনি ধৈর্য ধারণ করতেন, তাহলে তিনি তার সঙ্গী (খিযির) থেকে আশ্চর্যকর জিনিস দেখতে পেতেন। বরং তিনি ধৈর্য না ধরে বলেনঃإِنْ سَأَلْتُكَ عَنْ شَيْءٍ بَعْدَهَا فَلَا تُصَاحِبْنِي قَدْ بَلَغْتَ مِنْ لَدُنِّي। ক্বারী হামযাহ শব্দটি দীর্ঘ করে পাঠ করেন।[1] সহীহ।
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘ইল্লীনের অধিবাসী এক ব্যক্তি জান্নাতবাসীদের দিকে তাকাবে। ফলে জান্নাত তার দৃষ্টির কারণে মোতির মতো উজ্জ্বল হয়ে যাবে।’’ বর্ণনাকারী বলেন, হাদীসে এভাবেই এসেছে। এখানেدُرِّيٌّ শব্দটির দালের উপর পেশ হবে যের বা যবর হবে না। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আবূ বাকর এবং উমার তাদের দলভুক্ত হবেন। বরং তারা ঐ মতির চাইতে উত্তম।[1] দুর্বল।
। ফারওয়াহ ইবনু মুসাইক আল-গুতাইফী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। অতঃপর হাদীস উল্লেখ করেন। এ সময় কওমের এক লোক জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদেরকে ‘সাবা’ সম্পর্কে সংবাদ দিন। সেটা কি কোনো জায়গার নাম নাকি কোনো মহিলার নাম? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ সেটা কোনো জায়গা বা মহিলার নাম নয়। বরং তা আরবের একজন লোকের নাম। লোকটির দশজন পুত্র ছিলো। যাদের ছয়জনে ইয়ামেনে এবং চারজন সিরিয়াতে বাস করে।[1] হাসান সহীহ।