। মুহাম্মাদ ইবনু খাযিম (রহঃ) বলেন, একদা আ‘মাশ (রহঃ)-এর নিকট উল্লেখ করা হলো, জিবরাঈল ও মীকাঈল-এর কিরাআত কিরূপ? তখন আ‘মাশ (রহঃ) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করলেনঃ আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিংগাওয়ালা (ইসরাফীল) সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেনঃ তার ডানপাশে জিবরাঈল ও তার বামপাশে মীকাঈল থাকবেন।[1] দুর্বল।
। ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) বর্ণনা করে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর, উমার ও উসমান (রাঃ) এ আয়াত (مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ) এর নিয়মে অর্থাৎ ‘মীম’-এর সাথে আলিফসহ পড়েন। মারওয়ান সর্বপ্রথম ‘আলিফ’ ছাড়া পড়েন।[1] সনদ দুর্বল।
। উম্মু সালামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কুরআন পাঠ বর্ণনা করেন অথবা অনুরূপ শব্দ প্রয়োগ করেনঃ (بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ. الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ. الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ. مَلِكِ يَوْمِ الدِّينِ)। তিনি প্রতিটি আয়াত বিরতি দিয়ে পাঠ করতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি আহমাদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, প্রাচীন কিরাআত হলো مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ।[1] সহীহ।
হাদিস 4002 — Sunan Abu Dawud 32:34
সহিহ Isnaadসহিহ Isnaadসহিহ Bukhari (3199، 4802، 4803) Sahih Muslim (159)
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে একই গাধার পিঠে বসা ছিলাম, তখন সূর্য অস্ত যাচ্ছিল তিনি আমাকে বললেনঃ তুমি কি জানো, এটা কোথায় অস্তমিত হয়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বলেনঃ ‘‘এটা উষ্ণ পানির এক ঝর্ণায় অস্তমিত হয়’’ (সূরা কাহফঃ ৮৬)।[1] সনদ সহীহ।
হাদিস 4003 — Sunan Abu Dawud 32:35
সহিহসহিহসহিহ Lighairihiসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ عَطَاءٍ، أَنَّ مَوْلًى، لاِبْنِ الأَسْقَعِ - رَجُلَ صِدْقٍ - أَخْبَرَهُ عَنِ ابْنِ الأَسْقَعِ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَاءَهُمْ فِي صُفَّةِ الْمُهَاجِرِينَ فَسَأَلَهُ إِنْسَانٌ أَىُّ آيَةٍ فِي الْقُرْآنِ أَعْظَمُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " { اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلاَ نَوْمٌ } " .
। ইবনুল আসকা (রাঃ)-এর মুক্তদাস থেকে ইবনুল আসকা‘র সূত্রে বর্ণিত। তিনি ইবনুল আসকা‘কে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাজিরদের আঙ্গিনায় তাদের নিকট অসলেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁকে প্রশ্ন করলো, কুরআনের কোন্ আয়াতটি সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ? তিনি বলেনঃ (اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ) আয়াতুল কুরসী।[1] সহীহ।
। শাকীক (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-কে বলা হলো, কিছু লোক এ আয়াত هِيتَ لَكَ পড়ে (‘হা’র নীচে যের এবং ‘তা’র উপর পেশ দিয়ে)। তিনি বললেন, আমাকে যেভাবে শিখানো হয়েছে আমি সেভাবেই পড়া পছন্দ করি। এ বলে তিনি পাঠ করলেন هَيْتَ لَكَ (‘হা’র উপর ও ‘তা’র উপর যবর দিয়ে)।[1] সহীহ।
। হিশাম ইবনু সা‘দ (রহঃ) থেকে তার সনদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।
হাদিস 4008 — Sunan Abu Dawud 32:40
সহিহ Isnaadসহিহ IsnaadIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ نَزَلَ الْوَحْىُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَرَأَ عَلَيْنَا { سُورَةٌ أَنْزَلْنَاهَا وَفَرَضْنَاهَا } . قَالَ أَبُو دَاوُدَ يَعْنِي مُخَفَّفَةً حَتَّى أَتَى عَلَى هَذِهِ الآيَاتِ .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর ওয়াহী অবতীর্ণ হয়েছে আর তিনি আমাদের নিকট তা পাঠ করেছেন ... سُورَةٌ أَنْزَلْنَاهَا وَفَرَضْنَاهَا (সূরা আন-নূরঃ ১)। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ হালকাভাবে নয়। অতঃপর তিনি সামনের দিকে পড়তে থাকেন।[1] সনদ সহীহ।