। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। যখন বারীরাহকে আযাদ করে দেয়া হয় তখন তার স্বামী ছিলো আযাদ এবং তাকে এখতিয়ার দেয়া হলে সে বলে, তার সাথে বসবাসের কোনো আকর্ষণ আমার নেই, যদিও আমাকে এতো এতো কিছু দেয়া হয়।[1] সহীহ। বুখারী। আর ‘স্বামী আযাদ হওয়ার’ কথাটি মুদরাজ। যা আসওয়াদের উক্তি থেকে এসেছে।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। বারীরাহকে যখন আযাদ করা হয় তখন সে আবূ আহমাদ পরিবারের ক্রীতদাস মুগীসের স্ত্রী ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এখতিয়ার দিয়েছিলেন এবং তাকে এটাও বলেছিলেনঃ তোমার স্বামী তোমার সাথে সহবাস করলে তোমার এখতিয়ার বহাল থাকবে না।[1] যঈফঃ ইরওয়া (১৯০৮), যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (১২৯৫)।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি এমন দু‘জন দাস-দাসীকে আযাদ করার ইচ্ছা করলেন, যে দাসীর স্বামী আছে। কাসিম বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি নারীর পূর্বে পুরুষটিকে আযাদ করার নির্দেশ দেন।[1] দুর্বল।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে আসলো, পর ঐ ব্যক্তির স্ত্রীও ইসলাম গ্রহণ করে আসলো। সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয় সে আমার সাথেই ইসলাম গ্রহণ করেছে। ফলে তিনি স্ত্রীটিকে তার কাছে ফিরিয়ে দেন।[1] দুর্বলঃ যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৯৫/১১৫৯), ইরওয়া (১৯১৮)।
হাদিস 2239 — Sunan Abu Dawud 13:65
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنِي أَبُو أَحْمَدَ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَسْلَمَتِ امْرَأَةٌ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَتَزَوَّجَتْ فَجَاءَ زَوْجُهَا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ كُنْتُ أَسْلَمْتُ وَعَلِمَتْ بِإِسْلاَمِي فَانْتَزَعَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ زَوْجِهَا الآخَرِ وَرَدَّهَا إِلَى زَوْجِهَا الأَوَّلِ .
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক মহিলা ইসলাম গ্রহণ করে মদীনাহয় এসে জনৈক ব্যক্তিকে বিয়ে করলো। পরবর্তীতে তার (প্রাক্তন) স্বামী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং সে আমার ইসলাম গ্রহণ সম্বন্ধে জানতো। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাটিকে দ্বিতীয় স্বামী থেকে ফেরত নিয়ে প্রথম স্বামীর কাছে সোর্পদ করলেন।[1] দুর্বল।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কন্যা যাইনাবকে প্রথম বিবাহের ভিত্তিতেই আবুল ‘আসের কাছে ফেরত দেন এবং নতুনভাবে কোনো মোহর ধার্য করেননি। বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনু আমর তার হাদীসে বলেন, ছয় বছর পর এবং হুসাইন ইবনু ‘আলী বলেন, দুই বছর পর।[1] সহীহ, তবে দুই বছর উল্লেখ বাদে।
। হারিস ইবনু কায়িস ইবনু ‘উমাইর আল-আসাদী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যখন ইসলাম গ্রহণ করি তখন আমার আটজন স্ত্রী ছিলো। বিষয়টি আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালে তিনি বলেনঃ তাদের যে কোনো চারজনকে বেছে নাও।[1] সহীহ।
। আদ-দাহহাক ইবনু ফাররূয (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ইসলাম কবুল করেছি এবং একই সাথে দুই বোন আমার স্ত্রী হিসেবে আছে। তিনি বলেনঃ তোমার ইচ্ছে অনুযায়ী তাদের উভয়ের কোনো একজনকে তালাক দাও।[1] হাসান।
হাদিস 2244 — Sunan Abu Dawud 13:70
সহিহসহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، أَخْبَرَنَا عِيسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، رَافِعِ بْنِ سِنَانٍ أَنَّهُ أَسْلَمَ وَأَبَتِ امْرَأَتُهُ أَنْ تُسْلِمَ فَأَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتِ ابْنَتِي وَهِيَ فَطِيمٌ أَوْ شِبْهُهُ وَقَالَ رَافِعٌ ابْنَتِي . فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " اقْعُدْ نَاحِيَةً " . وَقَالَ لَهَا " اقْعُدِي نَاحِيَةً " . قَالَ وَأَقْعَدَ الصَّبِيَّةَ بَيْنَهُمَا ثُمَّ قَالَ " ادْعُوَاهَا " . فَمَالَتِ الصَّبِيَّةُ إِلَى أُمِّهَا فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " اللَّهُمَّ اهْدِهَا " . فَمَالَتِ الصَّبِيَّةُ إِلَى أَبِيهَا فَأَخَذَهَا .
। রাফি‘ ইবনু সিনান (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি ইসলাম কবুল করেন, কিন্তু তার স্ত্রী ইসলাম কবুল করতে অস্বীকার করে। অতঃপর মহিলাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, এটি আমার কন্যা এবং সে এখনও দুগ্ধপোষ্য বা এ জাতীয় কিছু বলেন। পক্ষান্তরে রাফি‘ (রাযি.) বলেন, এটি আমার কন্যা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাফি‘কে বললেনঃ তুমি এক পাশে বসো এবং মহিলাকে বললেনঃ তুমি অপর পাশে বসো। তিনি মেয়েটির উভয়ের মাঝখানে বসালেন এবং বললেনঃ এখন তোমরা দু‘জনেই তাকে ডাকো। মেয়েটি তার মায়ের দিকেই ঝুঁকছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করে বললেনঃ ‘হে আল্লাহ! কন্যাটিকে সঠিক পথ দেখাও।’ অতঃপর মেয়েটি তার পিতার দিকে ঝুঁকে পড়লো। ফলে সে (পিতা) তাকে গ্রহণ করে।[1] সহীহ।