। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি বস্তু মদের অন্তর্ভুক্ত এবং নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি জিনিস হারাম। যে ব্যক্তি সর্বদা মদপান করে এবং এ অবস্থায় মৃত্যু বরণ করে, আখিরাতে তাকে মদ পান করা থেকে বঞ্চিত রাখা হবে।[1] সহীহ।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি বস্তু মদের অন্তর্ভুক্ত। আর নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তু হারাম। যে ব্যক্তি একবার নেশা উদ্রেককারী জিনিস পান করলো সে তার চল্লিশ দিনের সালাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো। সে যদি তওবা করে আল্লাহ তার তওবা কবূল করতে পারেন। সে যদি চতুর্থবার তা পান করে তবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামীদের ঘা থেকে নির্গত পুঁজ খাওয়াবেন। প্রশ্ন করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! ‘তীনাতুল খাবাল’ কি? তিনি বললেনঃ জাহান্নামীদের পুঁজ। যে ব্যক্তি কোনো বালককে যার হালাল-হারাম সম্পর্কিত জ্ঞান হয়নি, এটা পান করাবে আল্লাহ তাকে অবশ্যই জাহান্নামীদের পুঁজ-রক্ত পান করাবেন।[1] সহীহ।
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে জিনিসের অর্ধেক পরিমাণ পান করলে নেশা সৃষ্টি হয় তার সামান্য পরিমাণও হারাম।[1] হাসান সহীহ।
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মধুর তৈরী শরবত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ নেশা সৃষ্টিকারী যে কোনো পানীয় হারাম। অপর বর্ণনায় রয়েছেঃ মধুর তৈরী শরবত। বর্ণনাকারী বলেন, ইয়ামেনের অধিবাসীরা এই শরবত পান করতো।[1] সহীহ।
। দায়লাম আল-হিমযারী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করলাম, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা শীতপ্রধান এলাকায় বসবাস করি। আমাদেরকে সেখানে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। আমরা গম থেকে তৈরী মদ পান করে ক্লান্তি দূর করি ও শীত প্রতিরোধ করি। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তাতে কি নেশার সৃষ্টি হয়? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বলেনঃ তবে তা বর্জন করো। আমি বললাম, কিন্তু লোকেরা তা বর্জন করবে না। তিনি বললেনঃ যদি তারা এটা বর্জন না করে তাহলে তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো।[1] সহীহ।
হাদিস 3684 — Sunan Abu Dawud 27:16
সহিহসহিহIsnaad Sahih Sahih Bukhari (6124، 4344) Sahih Muslim (1733 After 2001)
। আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মধুর তৈরী শরবত সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ এটাকে ‘বেত’উ বলা হয়। আমি বার্লি ও এক ধরণর বীজে তৈরী শরবত সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ এটা ‘মিযর।’ অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমার গোত্রের লোকদের জানিয়ে দাও, নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তুই হারাম।[1] সহীহ।
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ পান, জুয়া খেলা, কুবাহ ও গুবায়রা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তুই হারাম।[1] সহীহ।
হাদিস 3686 — Sunan Abu Dawud 27:18
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو الْفُقَيْمِيِّ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ كُلِّ مُسْكِرٍ وَمُفَتِّرٍ .
। উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেশা সৃষ্টিকারী সর্ব ধরণের বস্তু এবং অবসন্নকারী বস্তুর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ (৪৭৩২), মিশকাত (৩৬৫০)।
হাদিস 3687 — Sunan Abu Dawud 27:19
সহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَمُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالاَ حَدَّثَنَا مَهْدِيٌّ، - يَعْنِي ابْنَ مَيْمُونٍ - حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ، - قَالَ مُوسَى هُوَ عَمْرُو بْنُ سَلْمٍ الأَنْصَارِيُّ - عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ وَمَا أَسْكَرَ مِنْهُ الْفَرْقُ فَمِلْءُ الْكَفِّ مِنْهُ حَرَامٌ " .
। আয়িশাহ (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ নেশা উদ্রেককারী যে কোনো বস্তুই হারাম। যে বস্তুর এক ফারাক পরিমাণ পান করলে নেশার উদ্রেক হয় তার এক অঞ্জলি পরিমাণও হারাম।[1] সহীহ।
। মালিক ইবনু আবূ মারইয়াম (রহঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আব্দুর রাহমান ইবনু গানম (রহঃ) আমাদের নিকট আসলে আমরা ‘তিলাআ’ সম্পর্কে উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আবূ মালিক আল-আশ‘আরী (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ আমার উম্মাতের একদল লোক মদ পান করবে এবং তারা একে ভিন্ন নামে অভিহিত করবে।[1] সহীহ।