। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযান মাসের সওম ভঙ্গ করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলো। অতঃপর পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। বর্ণনাকারী বলেন, পরে একটি ঝুড়িভর্তি খেজুর আসলো, যাতে পনের সা‘ খেজুর ছিলো। তিনি আরো বলেছেনঃ তুমি এবং তোমার পরিবার এগুলো খাও এবং একদিন সওম পালন করো আর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও।[1] সহীহ।
হাদিস 2394 — Sunan Abu Dawud 14:82
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (1112)
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ، حَدَّثَهُ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ حَدَّثَهُ أَنَّ عَبَّادَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَقُولُ أَتَى رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ فِي رَمَضَانَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ احْتَرَقْتُ . فَسَأَلَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَا شَأْنُهُ قَالَ أَصَبْتُ أَهْلِي . قَالَ " تَصَدَّقْ " . قَالَ وَاللَّهِ مَا لِي شَىْءٌ وَلاَ أَقْدِرُ عَلَيْهِ . قَالَ " اجْلِسْ " . فَجَلَسَ فَبَيْنَمَا هُوَ عَلَى ذَلِكَ أَقْبَلَ رَجُلٌ يَسُوقُ حِمَارًا عَلَيْهِ طَعَامٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَيْنَ الْمُحْتَرِقُ آنِفًا " . فَقَامَ الرَّجُلُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " تَصَدَّقْ بِهَذَا " . فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَعَلَى غَيْرِنَا فَوَاللَّهِ إِنَّا لَجِيَاعٌ مَا لَنَا شَىْءٌ . قَالَ " كُلُوهُ " .
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রমাযান মাসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট মসজিদে আগমন করলো। সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি জাহান্নামের যোগ্য হয়েছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তার কি ব্যাপার? লোকটি বললো, আমি স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করেছি। তিনি বললেনঃ সাদাকাহ করো। সে বললো, আল্লাহর শপথ! আমার কাছে কিছুই নেই, আর আমি সাদাকাহ করতে সক্ষম নই। তিনি বললেনঃ বসো। লোকটি বসলো। অতঃপর তার বসা অবস্থায়ই এক লোক গাধার পিঠে করে খাদ্যের বোঝা নিয়ে উপস্থিত হলো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ জাহান্নামের যোগ্য ব্যক্তিটি কোথায়? লোকটি দাঁড়ালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এগুলো সাদাকাহ করে দাও। সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের চেয়ে গরীব লোকদেরকে? আল্লাহর শপথ! আমরা সবচেয়ে গরীব। আমাদের কিছুই নেই। তিনি বললেনঃ তবে এগুলো তোমরাই খাও।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে একটি লোক এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি সওম অবস্থায় ভুলবশত পানাহার করেছি। তিনি বলেনঃ আল্লাহই তোমাকে পানাহার করিয়েছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 2399 — Sunan Abu Dawud 14:87
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari (1950) Sahih Muslim (1146)
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিজের উপর কাযা সওম রেখে মারা যায় তার পক্ষ থেকে তার উত্তরাধিকারীরা তা আদায় করবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, এই বিধান মানতের সওমের জন্য প্রযোজ্য। ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহ.)-এর অভিমত এটাই।[1] সহীহ।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি রমাযান মাসে অসুস্থ হয়ে রমাযান মাস শেষ হওয়া পর্যন্ত সুস্থ না হয় এবং এ অবস্থায়ই মারা যায় তাহলে তার পক্ষ থেকে মিসকীনকে আহার করাতে হবে। আর তার উপর মানতের সওম থাকলে তার পক্ষ থেকে অভিভাবক তার কাযা আদায় করবে।[1] সহীহ।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা হামযাহ আল-আসলামী (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এমন ব্যক্তি যে, অনবরত সওম পালন করি, আমি কি সফরের অবস্থায়ও সওম রাখবো? তিনি বললেনঃ ইচ্ছা হলে সওম রাখো আর ইচ্ছা না হলে রেখো না।[1] সহীহ।