حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنِي بُرَيْهُ بْنُ عُمَرَ بْنِ سَفِينَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ أَكَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَحْمَ حُبَارَى .
। বুরাইহ ইবনু উমার ইবনু সাফীনাহ (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হুবাবার গোশত খেয়েছি।[1] দুর্বলঃ মিশকাত
হাদিস 3798 — Sunan Abu Dawud 28:63
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا غَالِبُ بْنُ حَجْرَةَ، حَدَّثَنِي مِلْقَامُ بْنُ تَلِبٍّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَحِبْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ أَسْمَعْ لِحَشَرَةِ الأَرْضِ تَحْرِيمًا .
। মিলকাম ইবনু তালিব্ব (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। কিন্তু আমি কখনো ‘হাশরাতুল আরদ’ হারাম হওয়া সম্পর্কে কিছু শুনিনি।[1] সনদ দুর্বল।
। ঈসা ইবনু নুমাইলাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তাকে সজারুর গোশত খাওয়া সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ আয়াত পড়েনঃ ‘‘আপনি বলুন, আমার নিকট যে ওয়াহী এসেছে তাতে এমন কোনো বস্তু পাই না যা খাওয়া কারো পক্ষে হারাম...’’ (সূরা আল-আনআমঃ ১৪৫) পূর্ণ আয়াত। বর্ণনাকারী বলেন, এক প্রবীন শাইখ ইবনু উমার (রাঃ)-কে বললেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে সজারু সম্পর্কে আলাপ করা হলে তিনি বলেনঃ ‘‘নাপাক প্রাণীর মধ্যকার একটি প্রাণী।’’ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একথা বলে থাকেন তাহলে তিনি ঠিকই বলেছেন, যা আমার জানা ছিলো না।[1] সনদ দুর্বল।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহিলী যুগের লোকেরা কিছু জিনিস খেতো এবং ঘৃণাবশত কিছু জিনিস পরিহার করতো। এ অবস্থায় আল্লাহ তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রেরণ করলেন এবং তাঁর কিতাব অবতীর্ণ করলেন এবং তাতে কিছু জিনিস হালাল করলেন ও কিছু জিনিস হারাম করলেন। তিনি যা হালাল করেছেন তা হালাল এবং যা হারাম করেছেন তা হারাম, আর যেগুলো সম্পর্কে নীরব থেকেছেন তাতে ছাড় দেয়া হয়েছে। অতঃপর ইবনু আব্বাস (রাঃ) তিলাওয়াত করেনঃ ‘‘আপনি বলুন, আমার নিকট যে ওয়াহী এসেছে তাতে এমন কোনো জিনিস পাইনি যা আহার করা কারো জন্য হারাম।’’ আয়াতের শেষ পর্যন্ত।[1] সনদ সহীহ।
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হায়েনা সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ এটা শিকার করার মতো প্রাণী। ইহরাম অবস্থায় তা শিকার করলে একটি মেষ কুরবানী দিতে হয়।[1] সহীহ।
হাদিস 3802 — Sunan Abu Dawud 28:67
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (5530) Sahih Muslim (1932)
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلاَنِيِّ، عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ أَكْلِ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنَ السَّبُعِ .
। আল-মিকদাম ইবনু মা‘দীকারির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সাবধান! শিকারী দাঁতযুক্ত হিংস্র জন্তু, গৃহপালিত গাধা এবং চুক্তিবদ্ধ যিম্মীর হারানো মাল খাওয়া হারাম। তবে সে তা পরিত্যাগ করে থাকলে ভিন্ন কথা। কোনো ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের নিকট মেহমান হিসেবে উপস্থিত হওয়ার পর তারা তাকে আতিথ্য না করলে সে আতিথ্যের পরিমাণ মাল তাদের কাছ থেকে আদায় করে নিতে পারে।[1] সহীহ।