। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি তার পরিবার-পরিজন নিয়ে হাররা নামক স্থানে যাত্রাবিরতি করলো। অপর এক ব্যক্তি তাকে বললো, আমার একটি উট হারিয়ে গেছে। তুমি তা পেলে ধরে রাখবে। সে উটটি পেয়ে গেলো কিন্তু মালিককে পেলো না। উটটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার স্ত্রী তাকে বললো, এটা যাবাহ করো, কিন্তু সে যাবাহ করতে সম্মত হলো না। উটটি মারা গেলে তার স্ত্রী বললো, এর চামড়া ছাড়াও তাহলে এর গোশত ও চর্বি আগুনে জ্বালিয়ে খেতে পারবো। স্বামী বললো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করে দেখি। সে তাঁর নিকট এসে এ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ তোমার নিকট এমন কিছু আছে যা তোমাকে মুর্দা খাওয়া থেকে মুখাপেক্ষিহীন করতে পারে? সে বললো, না। তিনি বললেনঃ তবে তা খাও। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর উটের মালিক ফিরে এলে সে তাকে ঘটনা অবহিত করলো। সে বললো, তুমি যাবাহ করলে না কেন? সে বললো, তোমার উট যাবাহ করতে লজ্জাবোধ করেছি।[1] সনদ হাসান।
। ফুজায়ঈ আল-‘আমিরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলেন, আমাদের জন্য কি মৃত প্রাণী হালাল নয়? তিনি বললেনঃ কেন, তোমাদের খাদ্য কি? আমি বললাম, সকালে এক পিয়ালা দুধ এবং রাতে এক পিয়ালা দুধ খেয়ে থাকি। আবূ নু‘আইম বলেন, ‘উকবাহ আমার নিকট এরূপ ব্যাখা করেছেনঃ সকালে এক পিয়ালা এবং রাতে এক পিয়ালা, আমার পিতার কসম! আমরা সম্পূর্ন ক্ষুধার্ত থাকি। এমতাবস্থায় তাদের জন্য তিনি মৃত প্রাণী খাওয়া হালাল করলেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেনঃ আল-গাবূক হচ্ছে রাতের পানীয় এবং আস-সাবূহ সকালের পানীয়।[1] সনদ দুর্বলঃ মিশকাত (৪২৬১)।
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুধ ও ঘিয়ে ভিজানো সাদা আটার সাদা রুটি আমার খুবই পছন্দ। লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি উঠে গিয়ে ঐ ধরণের রুটি তৈরী করে আনলো। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ ঘি কিরূপ পাত্রে ছিলো? লোকটি বললো, গুই সাপের চামড়ার পাত্রে। তিনি বলেনঃ এটা তুলে নিয়ে যাও। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি মুনকার।[1] সনদ দুর্বলঃ মিশকাত (৪২২৯)।
হাদিস 3819 — Sunan Abu Dawud 28:84
হাসান Isnaadহাসান IsnaadIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى الْبَلْخِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَنْصُورٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ أُتِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِجُبْنَةٍ فِي تَبُوكَ فَدَعَا بِسِكِّينٍ فَسَمَّى وَقَطَعَ .
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাবূকের ময়দানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পনীরের একটি টিকা আনা হলে তিনি ছুঁড়ি নিয়ে ডাকলেন এবং বিসমিল্লাহ বলে তা টুকরা টুকরা করলেন।[1] সনদ হাসান।
হাদিস 3820 — Sunan Abu Dawud 28:85
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " نِعْمَ الإِدَامُ الْخَلُّ " .
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রসুন বা পিয়াজ খেয়েছে সে যেন আমাদের থেকে দূরে থাকে অথবা আমাদের মাসজিদ থেকে দূরে থাকে। সে যেন নিজের ঘরে বসে থাকে। তাঁর সামনে একত্রে রান্না করা বিভিন্ন প্রকার তরকারী ভর্তি একটি পাত্র আনা হলে তিনি তা থেকে এক ধরণের ঘ্রাণ পেয়ে প্রশ্ন করলেন। তাঁকে পাত্রের মধ্যকার তরকারী সম্পর্কে জানানো হলে তিনি বলেনঃ অমুক ব্যক্তির নিকট নিয়ে যাও। লোকটি তাঁর সাথেই ছিলো। তিনি যখন দেখলেন সে তা খেতে অপছন্দ করছে তখন তিনি বললেনঃ খাও। নিশ্চয়ই আমি এমন এক মহান সত্তার সাতে অতি গোপনে কথা বলি যাঁর সাথে তোমরা কথা বলতে পারো না।[1] সহীহ।
হাদিস 3823 — Sunan Abu Dawud 28:88
দাঈফদাঈফIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، أَنَّ بَكْرَ بْنَ سَوَادَةَ، حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا النَّجِيبِ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّهُ، ذُكِرَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الثُّومُ وَالْبَصَلُ قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَأَشَدُّ ذَلِكَ كُلِّهِ الثُّومُ أَفَتُحَرِّمُهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " كُلُوهُ وَمَنْ أَكَلَهُ مِنْكُمْ فَلاَ يَقْرَبْ هَذَا الْمَسْجِدَ حَتَّى يَذْهَبَ رِيحُهُ مِنْهُ " .
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে পিয়াজ-রসুন সম্পর্কে কথা উঠলো। বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! এর মধ্যে রসুনের গন্ধটাই খুব বেশী। আপনি কি এটা হারাম করেন? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা তা খেতে পারো। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তা খায় সে যেন মুখের গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই এ মসজিদের নিকটে না আসে।[1] দুর্বল।
। হুযাইফাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি কিবলাহর দিকে থুথু ফেলে কিয়ামতের দিন সে ঐ থুথু নিজের দু’ চোখের মধ্যখানে পতিত অবস্থায় উপস্থিত হবে। যে ব্যক্তি এ খারাপ তরকারী (পিয়াজ) খাবে সে যেন আমাদের মসজিদে না আসে। তিনি কথাটি তিনবার বলেছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 3825 — Sunan Abu Dawud 28:90
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (853) Sahih Muslim (561)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَكَلَ مِنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ فَلاَ يَقْرَبَنَّ الْمَسَاجِدَ " .
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি এ গাছ (পিয়াজ) খাবে সে অবশ্যই যেন মাসজিদসমূহের নিকটে না আসে।[1] সহীহ।