। আবূ জাফর ‘আব্দুল্লাহ ইবনু নাফি‘ (রহঃ) বলেন, একদা আল-হাসান ইবনু আলী (রাঃ) অসুস্থ হলে তাকে আবূ মূসা (রাঃ) দেখতে আসেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসের বর্ণনা শু‘বাহ (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসের সনদসূত্র নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত মারফূ করা হয়েছে, তবে এটি যথার্থ নয়।
হাদিস 3101 — Sunan Abu Dawud 21:13
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (463) Sahih Muslim (1769)
। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন এক ব্যক্তির নিক্ষিপ্ত তীরে সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ) আঘাতপ্রাপ্ত হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য মসজিদের ভেতর একটি তাঁবু টানালেন। যেন তিনি কাছ থেকে তাকে দেখতে পারেন।
হাদিস 3102 — Sunan Abu Dawud 21:14
হাসানহাসানহাসানহাসান
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ عَادَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ وَجَعٍ كَانَ بِعَيْنَىَّ .
। যায়িদ ইবনু আরকাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমার চোখে ব্যথা হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসেন।
হাদিস 3103 — Sunan Abu Dawud 21:15
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (5729) Sahih Muslim (2219)
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্দুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা কোনো অঞ্চলে প্লেগ-মহামারীর প্রাদুর্ভাবের কথা শুনলে সেখানে যাবে না। আর যদি কোনো এলাকায় মহামারী ছড়িয়ে পড়ে এবং তোমরাও সেখানে অবস্থান করো, তাহলে সেখান থেকে পালিয়ে এসো না।
। সা‘দ কন্যা ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তার পিতা বলেছেন, আমি মক্কাতে অসুস্থ হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসেন। তিনি আমার কপালে হাত রাখলেন এবং বুক ও পেট মলে দিলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! সা‘দকে রোগমুক্ত করে দিন এবং তার হিজরাতকে পূর্ণ করে দিন।
হাদিস 3105 — Sunan Abu Dawud 21:17
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (5373)
حَدَّثَنَا ابْنُ كَثِيرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَطْعِمُوا الْجَائِعَ وَعُودُوا الْمَرِيضَ وَفُكُّوا الْعَانِيَ " . قَالَ سُفْيَانُ وَالْعَانِي الأَسِيرُ .
। আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্ষুধার্তকে খাদ্য দাও, রোগীর সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করো এবং বন্দীকে মুক্ত করো। সুফিয়ান আস-সাওরী (রহঃ) বলেন, ‘আল-আনী’ অর্থ বন্দী।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি এমন রোগীকে দেখতে গেলো যার অন্তিম সময় আসেনি, সে যেন তার সামনে সাতবার বলেঃ 'আমি মহান আরশের প্রভু মহামহিম আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি, তিনি যেন তোমাকে রোগমুক্তি দেন', তাহলে তাকে নিশ্চয়ই রোগমুক্তি দেয়া হবে।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ কোনো রোগীকে দেখতে গেলে সে যেন বলেঃ ‘‘হে আল্লাহ! আপনার বান্দাকে আরোগ্য দিন যাতে সে আপনার উদ্দেশ্যে শত্রুকে আঘাত হানতে পারে এবং আপনার জন্য জানাযার বা সালাতে শরীক হতে পারে।
হাদিস 3108 — Sunan Abu Dawud 21:20
সহিহসহিহIsnaad Sahih Sahih Bukhari (6351) Sahih Muslim (2680)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন বিপদে পড়ে মৃত্যু কামনা না করে। বরং সে যেন বলে, ‘‘হে আল্লাহ! যে পর্যন্ত জীবিত থাকা আমার জন্য কল্যাণকর, আমাকে ততক্ষণ জীবিত রাখুন এবং যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর, তখন আমাকে মৃত্যু দিন।’’