। আবু হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তুমি কোন ব্যাক্তিকে বলতে শুনবে, সকল লোক ধংস হয়েছে, তখন সে-ই তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ধংসের কবলে পড়বে। অথবা সে যেন তাদের ধংস করলো। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলেছেন, সে যদি ধর্মীয় বিষয়ে মানুষের অবনতি লক্ষ্য করে দুঃখে একথা বলে তাহলে আমার মতে তা দূষণীয় নয়। কিন্তু সে আত্মগর্বী হয়ে এবং লোকজনকে তুচ্ছজ্ঞান করে একথা বললে তা হবে জঘন্য আচরণ, যা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
। আবু সালামাহ (রহঃ) সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ বেদুঈনরা যেন সালাতের ওয়াক্তের নামকরণের ক্ষেত্রে তোমাদের পরাভূত করতে না পারে। জেনে রাখো, সেটি হল ইশার সালাত। কিন্তু তারা রাতের অন্ধকার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করে উটের দুধ দোহন করে।[1] সহীহ।
। সালিম ইবনু আবুল জা'দ (রহঃ) সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি বলেন, মিস'আর বলেছেন, আমার ধারণা, সে ব্যাক্তি খুযা'আ গোত্রীয়, যদি আমি সালাত পড়াতাম তাহলে প্রশান্তি পেতাম। উপস্থিত লোকজন নারাজ হলো। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ হে বিলাল! সালাত কায়িম করো। আমরা এর মাধ্যমে স্বস্তি লাভ করতে পারবো।[1] সহীহ।
। আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়া (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে আমি ও আমার পিতা আনসার গোত্রীয় আমার শ্বশুরবাড়ি গেলাম। তখন সালাতের ওয়াক্ত হলে তিনি তার পরিবারের একজনকে ডেকে বললেন, এই যে মেয়ে! উযুর জন্য পানি আনো, যাতে আমি সালাত পড়ে প্রশান্তি লাভ করতে পারি। বর্ণনাকারী বলেন, তার একথায় আমরা নারাজ হলে তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ হে বিলাল! আযান দাও, আমরা সালাতের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করবো।[1] সহীহ।
হাদিস 4987 — Sunan Abu Dawud 43:215
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَبِي الزَّرْقَاءِ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها، قَالَتْ مَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْسُبُ أَحَدًا إِلاَّ إِلَى الدِّينِ .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দ্বীনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ছাড়া অন্যভাবে কারো পরিচয় দিতে শুনিনি।[1] সনদ দুর্বল।
হাদিস 4988 — Sunan Abu Dawud 43:216
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (2627) Sahih Muslim (2307)
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা মদীনায় লোকেরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়লো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ তালহা (রাঃ)-এর ঘোড়ায় চড়ে অনুসন্ধান করে এসে বললেনঃ আমি তো ভীতিজনক কোনো কিছুই দেখলাম না। আমি ঘোড়াটিকে সমুদ্রের ন্যায় (দ্রুতগতির) পেয়েছি।[1] সহীহ।
। আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মিথ্যাচার বর্জন করো। কেননা মিথ্যা পাপাচারের দিকে ধাবিত করে এবং পাপাচার জাহান্নামে নিয়ে যায়। কোনো ব্যক্তি সর্বদা মিথ্যা বলতে থাকলে এবং মিথ্যাচারকে স্বভাবে পরিণত করলে শেষ পর্যন্ত আল্লাহর নিকট তার নাম মিথ্যুক হিসেবেই লেখা হয়। আর তোমরা অবশ্যই সততা অবলম্বন করবে। কেননা সততা নেক কাজের দিকে পথ দেখায় এবং নেক কাজ জান্নাতে নিয়ে যায়। আর কোনো ব্যক্তি সর্বদা সততা বজায় রাখলে এবং সততাকে নিজের স্বভাবে পরিণত করে, শেষ পর্যন্ত আল্লাহর নিকট তার নাম পরম সত্যবাদী হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়।[1] সহীহ।
হাদিস 4990 — Sunan Abu Dawud 43:218
হাসানহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ فَيَكْذِبُ لِيُضْحِكَ بِهِ الْقَوْمَ وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ " .
। বাহয ইবনু হাকীম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা তার পিতার সূত্রে আমাকে হাদীস বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ মানুষকে হাসানোর জন্য যে ব্যক্তি মিথ্যা বলে তার জন্য ধ্বংস, তার জন্য ধ্বংস, তার জন্য ধ্বংস।[1] হাসান।
হাদিস 4991 — Sunan Abu Dawud 43:219
হাসানহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ مَوَالِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ الْعَدَوِيِّ حَدَّثَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرٍ أَنَّهُ قَالَ دَعَتْنِي أُمِّي يَوْمًا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَاعِدٌ فِي بَيْتِنَا فَقَالَتْ هَا تَعَالَ أُعْطِيكَ . فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَمَا أَرَدْتِ أَنْ تُعْطِيهِ " . قَالَتْ أُعْطِيهِ تَمْرًا . فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَمَا إِنَّكِ لَوْ لَمْ تُعْطِيهِ شَيْئًا كُتِبَتْ عَلَيْكِ كِذْبَةٌ " .
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ঘরে বসা অবস্থায় আমার মা আমাকে ডেকে বললেন, এই যে, এসো! তোমাকে দিবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রশ্ন করলেনঃ তাকে কি দেয়ার ইচ্ছা করছে? তিনি বললেন, খেজুর। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ যদি তুমি তাকে কিছু না দিতে তাহলে এ কারণে তোমার আমলনামায় একটি মিথ্যার পাপ লিপিবদ্ধ হতো।[1] হাসান।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তির মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে কোনো কথা শোনামাত্রই (যাচাই না করে) বলে বেড়ায়।[1] সহীহ।