। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখলো সে অতিশীঘ্রই জাগ্রত অবস্থায় আমাকে দেখতে পাবে অথবা সে যেন আমাকে জাগ্রত অবস্থায়ই দেখলো। কারণ শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না।[1] সহীহ।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোনো প্রাণীর ছবি আঁকবে কিয়ামতের দিন সে তাতে প্রাণ সঞ্চার না করা পর্যন্ত তার শাস্তি হতে থাকবে। অথচ তার পক্ষে তাতে প্রাণ দেয়া অসম্ভব। আর যে ব্যক্তি মিথ্যা স্বপ্ন বলবে তাকে যবের দানায় গিঠ দিতে বলা হবে। আর যে ব্যক্তি এমন কওমের কথা কান লাগিয়ে শুনবে যারা তার থেকে ঐ কথা গোপন রাখতে চায়, কিয়ামতের দিন তার কানে উত্তপ্ত সিসা ঢালা হবে।[1] সহীহ।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি রাতে স্বপ্নে দেখেছি, আমরা যেন উকবাহ ইবনু রাফি‘ (রাঃ)-এর ঘরে বসে আছি এবং আমাদের সামনে ‘‘রুতাবে ইবনু তাব’’ নামক টাটকা খেজুর পরিবেশন করা হয়েছে। আমি এর ব্যাখ্যা এভাবে করেছি যে, দুনিয়াতে আমাদের বিপুল উন্নতি ও মর্যাদা লাভ হবে এবং আখিরাতেও কল্যাণ লাভ হবে, আর আমাদের দীনও উত্তম।[1] সহীহ।
হাদিস 5026 — Sunan Abu Dawud 43:254
দাঈফসহিহসহিহসহিহ Muslim (2995)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا تَثَاءَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيُمْسِكْ عَلَى فِيهِ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَدْخُلُ " .
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কোনো ব্যক্তির হাই আসলে সে যেন তাঁর মুখ বন্ধ করে দেয়। কেননা শয়তান ভিতরে ঢুকে।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহান আল্লাহ হাঁচি পছন্দ করেন এবং হাই অপছন্দ করেন। সুতরাং যখনই তোমাদের কারো হাই আসে সে যেন যথাসাধ্য তা প্রতিরোধ করে এবং হাহ্ হাহ্ ইত্যাদি শব্দ না করে। কারণ হাই তোলা শয়তানের কাজ, এতে শয়তান হাসে।[1] সহীহ।
হাদিস 5029 — Sunan Abu Dawud 43:257
হাসান Sahihহাসান SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سُمَىٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا عَطَسَ وَضَعَ يَدَهُ أَوْ ثَوْبَهُ عَلَى فِيهِ وَخَفَضَ أَوْ غَضَّ بِهَا صَوْتَهُ . شَكَّ يَحْيَى .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যখন হাঁচি আসতো তখন তিনি হাত বা কাপড় দিয়ে মুখ বন্ধ রাখতেন এবং হাঁচির শব্দ নীচু করতেন।[1] হাসান সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক মুসলিমের উপর তার মুসলিম ভাইয়ের পাঁচটি অবশ্য করণীয় রয়েছে। সালামের জবাব দেয়া, হাঁচি শুনে জবাব দেয়া, দাওয়াত কবূল করা, অসুস্থ হলে দেখতে যাওয়া এবং জানাযা ও দাফনে অংশগ্রহণ করা।[1] সহীহ।
। হিলাল ইবনু ইয়াসাফ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি সালিম ইবনু উবাইদ (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তখন কওমের এক লোক হাঁচি দিয়ে বললো, আসসালামু আলাইকুম। সালিম (রাঃ) বললেন, তোমার এবং তোমার মাতার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। সালিম (রাঃ) বললেন, মনে হয় তুমি আমার উত্তরে বিব্রতবোধ করেছো। লোকটি বললো, ভালো-মন্দ কোনো প্রসঙ্গে আপনি আমার মায়ের উল্লেখ করবেন তা আমি আশা করি না। সালিম (রাঃ) বললেন, আমি তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মতই বলেছি। একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে বললো, আসসালামু ‘আলাইকুম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘ওয়া আলাইকা ওয়া আলা উম্মিকা।’ তারপর বললেনঃ তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে তার উচিৎ ‘‘আলহামদুলিল্লাহ লিল্লাহ’’ বলা। অতঃপর তিনি কিছু হামদ উল্লেখ কররেন, এবং তার নিকট যারা থাকবে তাদের উচিৎ ‘‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’’ (আল্লাহ তোমাকে দয়া করুন) বলা; এবং হাঁচি দানকারীর উচিৎ উপস্থিত লোকদের উদ্দেশ্যে ‘ইয়াগফিরুল্লাহ লানা ওয়ালাকুম’ (আল্লাহ আপনাদেরকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করুন) বলা।[1] দুর্বল।
হাদিস 5032 — Sunan Abu Dawud 43:260
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا تَمِيمُ بْنُ الْمُنْتَصِرِ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، - يَعْنِي ابْنَ يُوسُفَ - عَنْ أَبِي بِشْرٍ، وَرْقَاءَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ يِسَافٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ عَرْفَجَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عُبَيْدٍ الأَشْجَعِيِّ، بِهَذَا الْحَدِيثِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। সালিম ইবনু উবাইদ আল-আশজাঈ (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।[1] আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।