। আল-আলা (রাঃ)-এর কোনো সন্তান সূত্রে বর্ণিত। আল-আলা (রাঃ) বাহরাইনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক নিযুক্ত গভর্নর ছিলেন। তিনি যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে চিঠিপত্র লিখতেন তখন তাতে প্রথমে নিজের নাম লিখতেন।[1] সনদ দুর্বল।
হাদিস 5135 — Sunan Abu Dawud 43:363
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، حَدَّثَنَا الْمُعَلَّى بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنِ ابْنِ الْعَلاَءِ، عَنِ الْعَلاَءِ، - يَعْنِي ابْنَ الْحَضْرَمِيِّ - أَنَّهُ كَتَبَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَبَدَأَ بِاسْمِهِ .
। আল আলা ইবনুল হাদরামী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট চিঠি লিখেছিলেন এবং তাতে প্রথমে নিজের নাম লিখেছিলেন।[1] দুর্বল।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোম সম্রাট হিরাকালের নিকট চিঠি লিখেছিলেনঃ ‘‘আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষ থেকে রোমের সম্রাট হিরাকলের নিকট। যে ব্যক্তি হেদায়াতের অনুসারী তার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) তাকে এ ব্যাপারে জানিয়ে দিয়ে বলেন, আমরা হিরাকলের দরবারে উপস্থিত হলে তিনি আমাদেরকে তার সামনে বসালেন। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চিঠি নিয়ে ডাকলেন। তাতে লিখা হয়েছেঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম; আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষ থেকে মহান রোম সম্রাট হিরাকল এর প্রতি। যিনি হিদায়াতের অনুসারী তার উপর শান্তি বর্ষিত হোক; অতঃপর।[1] আবূ সুফিয়ানের হাদীস সহীহ।
হাদিস 5137 — Sunan Abu Dawud 43:365
সহিহসহিহসহিহ Muslim (1510)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنِي سُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَجْزِي وَلَدٌ وَالِدَهُ إِلاَّ أَنْ يَجِدَهُ مَمْلُوكًا فَيَشْتَرِيَهُ فَيُعْتِقَهُ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো সন্তান তার পিতার হক আদায করতে সক্ষম নয়, তবে কৃতদাস পিতাকে ক্রয় করে আযাদ করে দিলে (সামান্য হক আদায় হয়)।[1] সহীহ।
হাদিস 5138 — Sunan Abu Dawud 43:366
সহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، قَالَ حَدَّثَنِي خَالِي الْحَارِثُ، عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَتْ تَحْتِي امْرَأَةٌ وَكُنْتُ أُحِبُّهَا وَكَانَ عُمَرُ يَكْرَهُهَا فَقَالَ لِي طَلِّقْهَا فَأَبَيْتُ فَأَتَى عُمَرُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " طَلِّقْهَا " .
। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার এক স্ত্রী ছিলো এবং তাকে আমি ভালবাসতাম। কিন্তু আমার পিতা (উমার) তাকে অপছন্দ করতেন। তিনি আমাকে তাতে তালাক দিতে আদেশ করলে আমি তাতে অসম্মতি জানালাম। উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে এ ব্যাপারে তাকে জানালেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে তালাক দাও।[1] সহীহ।
। বাহয ইবনু হাকিম (রাঃ) থেকে তার পিতা এবং তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার উত্তম ব্যবহার পাওয়ার অধিক হকদার কে? তিনি বললেন, তোমার মা, তারপর তোমার মা, তারপর তোমার মা, অতঃপর তোমার বাবা, এরপর পর্যায়ক্রমে আত্মীয়তার নৈকট্য অনুসারে হবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বললেনঃ কোনো গোলাম তার মালিকের নিকট তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ থেকে চাইলে এবং সে দিতে অস্বীকৃতি জানালে কিয়ামতের দিন ঐ অতিরিক্ত সম্পদ তার জন্য একটি মাথায় টাক পড়া বিষধর সাপে রূপান্তরিত করা হবে।[1] হাসান সহীহ।
। কুলাইব ইবনু মানফা‘আহ (রহঃ) তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কার সঙ্গে অধিক উত্তম ব্যবহার করবো। তিনি বললেনঃ তোমার মা, বোন, ভাই এবং তোমার মুক্তদাস। যা তোমার আবশ্যকীয় কর্তব্য এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক যা বজায় রাখতে হয়।[1] দুর্বলঃ ইরওয়া হা/ ৮৩৭।
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কাবীরাহ গুনাহসমূহের মধ্যে মারাত্মক গুনাহ হলো, কোনো ব্যক্তির তার মাতা-পিতাকে অভিসম্পাত করা। বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! মানুষ কিভাবে স্বীয় মাতা-পিতাকে অভিশম্পাত করতে পারে? তিনি বললেনঃ এই ব্যক্তি ঐ ব্যক্তির পিতাকে অভিশাপ দেয়, প্রতিউত্তরে সেও তার পিতাকে অভিশাপ দেয়, আবার এই ব্যক্তি ঐ ব্যক্তির মাকে অভিশাপ দেয়, প্রতি উত্তরে সেও তার মাকে অভিশাপ দেয়।[1] সহীহ।
। আবূ উসাইদ মালিক ইবনু রবী‘আহ আস-সাঈদী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এ সময় বনী সালিমার এক লোক তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! পিতা-মাতার মৃত্যুর পরও কি তাদের প্রতি হক রয়েছে, যা আমি পালন করবো? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তাদের জন্য দু‘আ ও ক্ষমা প্রার্থনা করা, তাদের ওয়াদা পূরণ করা, তাদের উভয়ের মাধ্যমে যে আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে তা রক্ষা করা এবং তাদের বন্ধুদের সম্মান করা।[1] দুর্বলঃ মিশকাত হা/ ৪৯৩৬।