Qurani·قرآني
বাংলা

সাধারণ শিষ্টাচার (কিতাবুল আদব)

502 হাদিস · #4773–5274

হাদিস 4853 — Sunan Abu Dawud 43:81
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (2179)
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، قَالَ كُنْتُ عِنْدَ أَبِي جَالِسًا وَعِنْدَهُ غُلاَمٌ فَقَامَ ثُمَّ رَجَعَ فَحَدَّثَ أَبِي، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا قَامَ الرَّجُلُ مِنْ مَجْلِسٍ ثُمَّ رَجَعَ إِلَيْهِ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ ‏"‏ ‏.‏
। সুহাইল ইবনু আবূ সালিহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতার নিকট বসা ছিলাম, তখন তার নিকট একটি বালকও ছিলো। অতঃপর সে সেখান থেকে চলে গিয়ে আবার ফিরে এলো। আমার পিতা আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোনো ব্যক্তি বৈঠক থেকে চলে যাওয়ার পর প্রত্যাবর্তন করে তাহলে সে পূর্বের স্থানে বসার অধিক হকদার।[1] সহীহ।
হাদিস 4854 — Sunan Abu Dawud 43:82
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا مُبَشِّرٌ الْحَلَبِيُّ، عَنْ تَمَّامِ بْنِ نَجِيحٍ، عَنْ كَعْبٍ الإِيَادِيِّ، قَالَ كُنْتُ أَخْتَلِفُ إِلَى أَبِي الدَّرْدَاءِ فَقَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا جَلَسَ وَجَلَسْنَا حَوْلَهُ فَقَامَ فَأَرَادَ الرُّجُوعَ نَزَعَ نَعْلَيْهِ أَوْ بَعْضَ مَا يَكُونُ عَلَيْهِ فَيَعْرِفُ ذَلِكَ أَصْحَابُهُ فَيَثْبُتُونَ ‏.‏
। কা‘ব আল-ইয়াদী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ দারদা (রাঃ)-এর সাক্ষাতে যেতাম। আবূ দারদা (রাঃ) বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথাও বসতেন এবং আমরাও তাঁর চারপাশে বসতাম। অতঃপর তিনি বৈঠক থেকে উঠে গেলে এবং পুনরায় প্রত্যাবর্তনের ইচ্ছা থাকলে তাঁর জুতা জোড়া বা অন্য কিছু রেখে যেতেন। এর দ্বারা তাঁর সাহাবীগণ তাঁর ফিরে আসার ইচ্ছা জানতে পারতেন এবং বৈঠকে বসে অপেক্ষায় থাকতেন।[1] দুর্বলঃ মিশকাত হা/ ৪৭০২।
হাদিস 4855 — Sunan Abu Dawud 43:83
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّا، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَا مِنْ قَوْمٍ يَقُومُونَ مِنْ مَجْلِسٍ لاَ يَذْكُرُونَ اللَّهَ فِيهِ إِلاَّ قَامُوا عَنْ مِثْلِ جِيفَةِ حِمَارٍ وَكَانَ لَهُمْ حَسْرَةً ‏"‏ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো কওমের লোকেরা কোনো সমাবেশে একত্রিত হওয়ার পর চলে যাবার সময় তাতে আল্লাহকে স্মরণ না করেই চলে গেলে তা যেন গাধার শবদেহ। তা তাদের জন্য পরিতাপের কারণ হবে।[1] সহীহ।
হাদিস 4856 — Sunan Abu Dawud 43:84
হাসান Sahihহাসান Sahihহাসান
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ مَنْ قَعَدَ مَقْعَدًا لَمْ يَذْكُرِ اللَّهَ فِيهِ كَانَتْ عَلَيْهِ مِنَ اللَّهِ تِرَةً وَمَنِ اضْطَجَعَ مَضْجَعًا لاَ يَذْكُرُ اللَّهَ فِيهِ كَانَتْ عَلَيْهِ مِنَ اللَّهِ تِرَةً ‏"‏ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোনো স্থানে বসলো অথচ আল্লাহকে স্মরণ করলো না, তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে লাঞ্ছনা। আর যে ব্যক্তি কোথাও শয়ন করার পর আল্লাহর নাম নিলো না তার জন্যও আল্লাহর পক্ষ থেকে লাঞ্ছনা।[1] হাসান সহীহ।
হাদিস 4857 — Sunan Abu Dawud 43:85
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، أَنَّ سَعِيدَ بْنَ أَبِي هِلاَلٍ، حَدَّثَهُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيَّ حَدَّثَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ قَالَ كَلِمَاتٌ لاَ يَتَكَلَّمُ بِهِنَّ أَحَدٌ فِي مَجْلِسِهِ عِنْدَ قِيَامِهِ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ إِلاَّ كُفِّرَ بِهِنَّ عَنْهُ وَلاَ يَقُولُهُنَّ فِي مَجْلِسِ خَيْرٍ وَمَجْلِسِ ذِكْرٍ إِلاَّ خُتِمَ لَهُ بِهِنَّ عَلَيْهِ كَمَا يُخْتَمُ بِالْخَاتَمِ عَلَى الصَّحِيفَةِ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ ‏.‏
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিছু বাক্য যা কোনো ব্যক্তি মাজলিস থেকে উঠার সময় তিনবার উচ্চারণ করলে তা তার ঐ মাজলিসের কাফফারা হবে। আর যদি উক্ত বাক্যগুলো কোনো উত্তম মাজলিসে ও যিকিরের মাজলিসে পাঠ করে তাহলে পুস্তিকায় সীল মোহর করার মতই তা তার জন্য স্থায়িত্ব লাভ করে। বাক্যগুলো হলোঃ ‘‘সুবহানাকা আল্লাহুমা ওয়া বিহামদিকা লা ইলাহা ইল্লা আনতা আসতাফিরুকা ওয়া আতূবূ ইলাইকা।’’ ‘‘হে আল্লাহ! মহিমা আপনার, আমি আপনার প্রশংসা সহকারে শুরু করছি। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই এবং অনুতপ্ত হয়ে আপনার নিকট ফিরে আসছি।’’[1] সহীহ। তবে ‘‘তিনবার’’ কথাটি বাদে।
হাদিস 4858 — Sunan Abu Dawud 43:86
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ قَالَ عَمْرٌو وَحَدَّثَنِي بِنَحْوِ، ذَلِكَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عَمْرٍو عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।[1] সহীহ।
হাদিস 4859 — Sunan Abu Dawud 43:87
হাসান Sahihহাসান SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ الْجَرْجَرَائِيُّ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، - الْمَعْنَى - أَنَّ عَبْدَةَ بْنَ سُلَيْمَانَ، أَخْبَرَهُمْ عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي هَاشِمٍ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ بِأَخَرَةٍ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَقُومَ مِنَ الْمَجْلِسِ ‏"‏ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ لَتَقُولُ قَوْلاً مَا كُنْتَ تَقُولُهُ فِيمَا مَضَى ‏.‏ قَالَ ‏"‏ كَفَّارَةٌ لِمَا يَكُونُ فِي الْمَجْلِسِ ‏"‏ ‏.‏
। আবূ বারযাহ আল-আসলামী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো বৈঠক শেষ করে চলে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন তখন বলতেনঃ ‘‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আন লা ইলাহা ইল্লা আনতা আসতাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা।’’ এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এখন আপনি যে বাক্য পড়লেন তা তো ইতোপূর্বে আপনি পাঠ করেননি? তিনি বললেন, মাজলিসে যা কিছু (ভুলত্রুটি) হয়ে থাকে একথাগুলো তার কাফফারাহ গণ্য হবে।[1] হাসান সহীহ।
হাদিস 4860 — Sunan Abu Dawud 43:88
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا الْفِرْيَابِيُّ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنِ الْوَلِيدِ، - قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَنَسَبَهُ لَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ - عَنْ حُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، فِي هَذَا الْحَدِيثِ - قَالَ الْوَلِيدُ بْنُ أَبِي هِشَامٍ - عَنْ زَيْدِ بْنِ زَائِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يُبَلِّغْنِي أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِي عَنْ أَحَدٍ شَيْئًا فَإِنِّي أُحِبُّ أَنْ أَخْرُجَ إِلَيْكُمْ وَأَنَا سَلِيمُ الصَّدْرِ ‏"‏ ‏.‏
। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমরা সাহাবীগণের কেউ যেন অপর সাহাবী সম্পর্কে আমার নিকট কোনো অভিযোগ না করে। কারণ আমি তোমাদের নিকট প্রশান্ত অন্তরে আসতে পছন্দ করি।[1] দুর্বলঃ মিশকাত হা/ ৪৮৫২।
হাদিস 4861 — Sunan Abu Dawud 43:89
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ سَيَّارٍ الْمُؤَدِّبُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ حَدَّثَنِيهِ ابْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ عِيسَى بْنِ مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْفَغْوَاءِ الْخُزَاعِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ دَعَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ أَرَادَ أَنْ يَبْعَثَنِي بِمَالٍ إِلَى أَبِي سُفْيَانَ يَقْسِمُهُ فِي قُرَيْشٍ بِمَكَّةَ بَعْدَ الْفَتْحِ فَقَالَ ‏"‏ الْتَمِسْ صَاحِبًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَجَاءَنِي عَمْرُو بْنُ أُمَيَّةَ الضَّمْرِيُّ فَقَالَ بَلَغَنِي أَنَّكَ تُرِيدُ الْخُرُوجَ وَتَلْتَمِسُ صَاحِبًا ‏.‏ قَالَ قُلْتُ أَجَلْ ‏.‏ قَالَ فَأَنَا لَكَ صَاحِبٌ ‏.‏ قَالَ فَجِئْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ قَدْ وَجَدْتُ صَاحِبًا ‏.‏ قَالَ فَقَالَ ‏"‏ مَنْ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ عَمْرَو بْنَ أُمَيَّةَ الضَّمْرِيَّ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ إِذَا هَبَطْتَ بِلاَدَ قَوْمِهِ فَاحْذَرْهُ فَإِنَّهُ قَدْ قَالَ الْقَائِلُ أَخُوكَ الْبِكْرِيُّ وَلاَ تَأْمَنْهُ ‏"‏ ‏.‏ فَخَرَجْنَا حَتَّى إِذَا كُنْتُ بِالأَبْوَاءِ قَالَ إِنِّي أُرِيدُ حَاجَةً إِلَى قَوْمِي بِوَدَّانَ فَتَلْبَثُ لِي قُلْتُ رَاشِدًا فَلَمَّا وَلَّى ذَكَرْتُ قَوْلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَشَدَدْتُ عَلَى بَعِيرِي حَتَّى خَرَجْتُ أُوضِعُهُ حَتَّى إِذَا كُنْتُ بِالأَصَافِرِ إِذَا هُوَ يُعَارِضُنِي فِي رَهْطٍ قَالَ وَأَوْضَعْتُ فَسَبَقْتُهُ فَلَمَّا رَآنِي قَدْ فُتُّهُ انْصَرَفُوا وَجَاءَنِي فَقَالَ كَانَتْ لِي إِلَى قَوْمِي حَاجَةٌ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ أَجَلْ وَمَضَيْنَا حَتَّى قَدِمْنَا مَكَّةَ فَدَفَعْتُ الْمَالَ إِلَى أَبِي سُفْيَانَ ‏.‏
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু ফাগওয়া আল-খুযাঈ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ডাকলেন। তিনি মক্কা বিজয়ের পর কুরাইশদের মধ্যে কিছু সম্পদ বণ্টনের জন্য আমাকে আবূ সুফিয়ান (রাঃ)-এর নিকট প্রেরণের ইচ্ছা করলেন। তিনি বললেন, তুমি একজন সঙ্গী যোগাড় করো। বর্ণনাকারী বলেন, আমর ইবনু উমাইয়াহ আদ-দামরী আমার নিকট এসে বললেন, অবগত হলাম, আপনি সফরে যেতে চান এবং একজন সাথী খুঁজছেন। তিনি বলেছেন, আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমিই সঙ্গী। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে জানালাম, আমি একজন সাথী পেয়েছি। তিনি তার পরিচয় জানতে চাইলে আমি বললাম, আমর ইবনু উমাইমাহ আদ-দামরী। তিনি বললেন, তুমি যখন তার গোত্রের এলাকায় পৌঁছবে তখন তার ব্যাপারে খুব সাবধানতা অবলম্বন করবে। কেননা প্রবাদ আছেঃ ‘‘আপন ভাইকেও নিজের জন্য নিরাপদ ভেবো না।’’ অতঃপর আমরা যাত্রা করে আল-আবওয়া নামক স্থানে পৌঁছলে আমর ইবনু উমাইমাহ বললো, আমি আমার গোত্রের নিকট এক দরকারে যাচ্ছি। তুমি আমার জন্য অপেক্ষা করো। আমি বললাম, আপনি যান, কিন্তু যেন রাস্তা ভুল না যান। তিনি চলে যাবার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাবধানবাণী মনে পড়ে গেলো, তখনই আমি আমার হাওদা উটের উপর শক্ত করে বেঁধে তাড়াহুড়া করে দ্রুত আল-আসাফ নামক স্থান পৌঁছলে তিনিও দলবল নিয়ে আমার পিছু নিলেন। আমি অতি দ্রুত অগ্রসর হয়ে তাদেরকে পিছনে ফেলে সামনে এগিয়ে গেলাম। ফলে তারা ফিরে গেলো। আমর ইবনু উমাইয়াহ আমার নিকট এসে বললো, গোত্রের লোকদের নিকট আমার দরকারী কাজ ছিলো। আমি বললাম, হ্যাঁ। এরপর আমরা সামনে অগ্রসর হয়ে মক্কায় পৌঁছলাম এবং আবূ সুফিয়ানের নিকট মালগুলো হস্তান্তর করলাম।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ হা/ ১২০৫।
হাদিস 4862 — Sunan Abu Dawud 43:90
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (6133) Sahih Muslim (2998)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ لاَ يُلْدَغُ الْمُؤْمِنُ مِنْ جُحْرٍ وَاحِدٍ مَرَّتَيْنِ ‏"‏ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু‘মিন ব্যক্তি একই গর্তে দু’ বার দংশিত হয় না।[1] সহীহ।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।