حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنَا حُيَىٌّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ يَوْمَ بَدْرٍ فِي ثَلاَثِمِائَةٍ وَخَمْسَةَ عَشَرَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اللَّهُمَّ إِنَّهُمْ حُفَاةٌ فَاحْمِلْهُمُ اللَّهُمَّ إِنَّهُمْ عُرَاةٌ فَاكْسُهُمُ اللَّهُمَّ إِنَّهُمْ جِيَاعٌ فَأَشْبِعْهُمْ " . فَفَتَحَ اللَّهُ لَهُ يَوْمَ بَدْرٍ فَانْقَلَبُوا حِينَ انْقَلَبُوا وَمَا مِنْهُمْ رَجُلٌ إِلاَّ وَقَدْ رَجَعَ بِجَمَلٍ أَوْ جَمَلَيْنِ وَاكْتَسَوْا وَشَبِعُوا .
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনশো পনের জন নিয়ে বদরের প্রান্তরে রওয়ানা হলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! এরা পদাতিক বাহিনী, এদেরকে বাহন দান করেন। হে আল্লাহ! এরা বস্ত্রহীন, এদেরকে পরিধেয় বস্ত্র দান করুন। হে আল্লাহ! এরা অন্নহীন, এদেরকে খাদ্য দিয়ে পরিতৃপ্ত করুন।’’ অতঃপর আল্লাহ তাঁকে বদরের বিজয়ী করলেন। সাহাবীরা যখন সেখান থেকে ফিরে আসেন তখন তাদের প্রত্যেকেই একটি বা দু’টি উট নিয়ে, পোশাকে সজ্জিত হয়ে এবং পরিতৃপ্ত হয়ে ফিরলেন।
হাদিস 2748 — Sunan Abu Dawud 15:272
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ الشَّامِيِّ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ زِيَادِ بْنِ جَارِيَةَ التَّمِيمِيِّ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةَ الْفِهْرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُنَفِّلُ الثُّلُثَ بَعْدَ الْخُمُسِ .
। হাবীব ইবনু মাসলামাহ আল-ফিহরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গানীমাতের এক-পঞ্চমাংশ বের করার পর অবশিষ্ট মালের এক-তৃতীয়াংশ অতিরিক্ত হিসেবে প্রদান করতেন।
। হাবীব ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক-পঞ্চমাংশ বের করার পর অবশিষ্ট মালের এক-তৃতীয়াংশ অতিরিক্ত হিসেবে দান করতেন এবং যুদ্ধ থেকে ফেরার পর এক-পঞ্চমাংশ পৃথক রেখে তাদেরকে অবশিষ্ট মালের এক-তৃতীয়াংশ দান করতেন।
। মাকহুল (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মিসরে হুযাইল গোত্রের এক মহিলার গোলাম ছিলাম। অতঃপর তিনি আমাকে আযাদ করেন। আমার জানা মতে মিসরে সামগ্রিক জ্ঞান অর্জন না করা পর্যন্ত আমি সেখান থেকে বের হইনি। অতঃপর আমি হিজাযে আগমন করে সেখান থেকে সেখানকার কেন্দ্রগুলো থেকে জ্ঞানার্জন করি। অতঃপর ইরাকে আসি এবং সেখানকার কেন্দ্রগুলো থেকে জ্ঞানার্জন করে সেখান থেকে বের হই। অতঃপর আমি সিরিয়ায় পৌঁছে এর বিভিন্ন এলাকা ভ্রমণ করি এবং গানীমাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি। কিন্তু এ সম্পর্কে আমাকে অবহিত করার মতো কাউকে পাইনি। অবশেষে আমি যিয়াদ ইবনু জারিয়াহ আত-তামীমী নামক এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করি, আপনি গানীমাত সম্পর্কে কিছু শুনেছেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি হাবীব ইবনু মাসলামাহ আল-ফিহরী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। তিনি প্রথমে গানীমাত থেকে (এক পঞ্চমাংশ বের করার পর বাকী মালের) এক-চতুর্থাংশ অতিরিক্ত দিতেন এবং যুদ্ধশেষে ফেরার পথে এক-তৃতীয়াংশ অতিরিক্ত দিতেন।
। ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সকল মুসলিমের রক্ত সমান। একজন সাধারণ মুসলিমও যে কোনো ব্যক্তিকে নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিলে তার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করা সকলের কর্তব্যে পরিণত হয়। অনুরূপভাবে দূরবর্তী স্থানের মুসলিমরাও তাদের পক্ষে এ ধরণের আশ্রয় দিতে পারে। প্রত্যেক মুসলিম তার প্রতিপক্ষ শত্রুর বিরুদ্ধে অন্য মুসলিমকে সাহায্য করবে। যার শক্তিশালী ও দ্রুত গতিসম্পন্ন সাওয়ারী আছে, সে দুর্বল ও ধীর গতিসম্পন্ন সাওয়ারীর অধিকারী ব্যক্তির সাথে থেকে চলবে। সেনাবাহিনীর কোনো বিশেষ অংশ গানীমাতের মাল অর্জন করলে তা সকলের মধ্যে বণ্টিত হবে। কোনো কাফিরকে হত্যার অপরাধে কোনো মুমিনকে হত্যা করা যাবে না। চুক্তিবদ্ধ কোনো কাফিরকে চুক্তির মেয়াদের মধ্যে হত্যা করা যাবে না। বর্ণনাকারী ইসহাক তার বর্ণনায় ‘‘আলমুসলিমূনা তাতাকাফা দিমাউহুম’’ এবং ‘‘ওয়ালা ইউকতালু মুমিনুন বি কাফিরিন’’ বাক্য দু’টি উল্লেখ করেননি।
হাদিস 2752 — Sunan Abu Dawud 15:276
হাসান Sahihহাসান SahihহাসানIsnaad Sahih Sahih Muslim (1807)
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ، حَدَّثَنِي إِيَاسُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ أَغَارَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُيَيْنَةَ عَلَى إِبِلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَتَلَ رَاعِيَهَا وَخَرَجَ يَطْرُدُهَا هُوَ وَأُنَاسٌ مَعَهُ فِي خَيْلٍ فَجَعَلْتُ وَجْهِي قِبَلَ الْمَدِينَةِ ثُمَّ نَادَيْتُ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ يَا صَبَاحَاهُ . ثُمَّ اتَّبَعْتُ الْقَوْمَ فَجَعَلْتُ أَرْمِي وَأَعْقِرُهُمْ فَإِذَا رَجَعَ إِلَىَّ فَارِسٌ جَلَسْتُ فِي أَصْلِ شَجَرَةٍ حَتَّى مَا خَلَقَ اللَّهُ شَيْئًا مِنْ ظَهْرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ جَعَلْتُهُ وَرَاءَ ظَهْرِي وَحَتَّى أَلْقَوْا أَكْثَرَ مِنْ ثَلاَثِينَ رُمْحًا وَثَلاَثِينَ بُرْدَةً يَسْتَخِفُّونَ مِنْهَا ثُمَّ أَتَاهُمْ عُيَيْنَةُ مَدَدًا فَقَالَ لِيَقُمْ إِلَيْهِ نَفَرٌ مِنْكُمْ . فَقَامَ إِلَىَّ أَرْبَعَةٌ مِنْهُمْ فَصَعِدُوا الْجَبَلَ فَلَمَّا أَسْمَعْتُهُمْ قُلْتُ أَتَعْرِفُونِي قَالُوا وَمَنْ أَنْتَ قُلْتُ أَنَا ابْنُ الأَكْوَعِ وَالَّذِي كَرَّمَ وَجْهَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم لاَ يَطْلُبُنِي رَجُلٌ مِنْكُمْ فَيُدْرِكُنِي وَلاَ أَطْلُبُهُ فَيَفُوتُنِي . فَمَا بَرِحْتُ حَتَّى نَظَرْتُ إِلَى فَوَارِسِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَخَلَّلُونَ الشَّجَرَ أَوَّلُهُمُ الأَخْرَمُ الأَسَدِيُّ فَيَلْحَقُ بِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُيَيْنَةَ وَيَعْطِفُ عَلَيْهِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ فَاخْتَلَفَا طَعْنَتَيْنِ فَعَقَرَ الأَخْرَمُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ وَطَعَنَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ فَقَتَلَهُ فَتَحَوَّلَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَلَى فَرَسِ الأَخْرَمِ فَيَلْحَقُ أَبُو قَتَادَةَ بِعَبْدِ الرَّحْمَنِ فَاخْتَلَفَا طَعْنَتَيْنِ فَعَقَرَ بِأَبِي قَتَادَةَ وَقَتَلَهُ أَبُو قَتَادَةَ فَتَحَوَّلَ أَبُو قَتَادَةَ عَلَى فَرَسِ الأَخْرَمِ ثُمَّ جِئْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَلَى الْمَاءِ الَّذِي جَلَّيْتُهُمْ عَنْهُ ذُو قَرَدٍ فَإِذَا نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي خَمْسِمِائَةٍ فَأَعْطَانِي سَهْمَ الْفَارِسِ وَالرَّاجِلِ .
। ইয়াস ইবনু সালামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি (সালামাহ) বলেন, ‘আব্দুর রাহমান ইবনু ‘উয়াইনাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উট লুণ্ঠন করলো এবং তাঁর রাখালকে মেরে ফেললো। অতঃপর সে ও তার অশ্বারোহী সাথীরা উটগুলোকে হাঁকিয়ে নিয়ে যেতে থাকলো। আমি (সালামাহ) মদীনার দিকে মুখ ফিরিয়ে (সাহায্যের জন্য) তিনবার ডাক দিলাম, হুঁশিয়ার! (ডাকাত দল এসেছে)। অতঃপর আমি তাদের পিছু ধাওয়া করে তীর ছুঁড়ে তাদেরকে আহত করতে লাগলাম। তাদের কোনো অশ্বারোহী আমার দিকে ফিরলে আমি গাছের আড়ালে লুকাতাম। এভাবে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উটগুলোকে (উদ্ধার করে) আমার পিছনে ফেললাম। তারা বোঝা হালকা করে দ্রুত পালানোর জন্য তিরিশের অধিক বর্শা এবং তিরিশের অধিক চাদর বাহনের পিঠ থেকে ফেলে দেয়। তাদের সাহায্য করতে উয়াইনাহ এগিয়ে এসে বললো, তার (সালামাহর) মোকাবিলার জন্য কয়েকজন অগ্রসর হও। অতঃপর আমার মোকাবিলার জন্য তাদের চার জন্য অগ্রসর হয়ে পাহাড়ে উঠলো। আমার অবস্থান যখন তাদের থেকে এতটুকু দূরে ছিলো যে, তারা আমার ডাক শুনতে পাবে, তখন আমি বললাম, তোমরা কি আমাকে চেনো? তারা বললো, তুমি কে? আমি বললাম, আমি আকওয়া‘র পুত্র। সেই সত্ত্বার শপথ, যিনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারাকে সম্মানিত করেছেন! তোমাদের কেউই আমাকে ধরতে চাইলে, সে কখনই আমাকে ধরতে পারবে না। পক্ষান্তরে আমি কাউকে ধরতে পারলে তার রক্ষা নেই। এমন সময় আমি দেখতে পেলাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অশ্বারোহী বাহিনী গাছপালার ভিতর দিয়ে এগিয়ে আসছে। আখরাম আল-আসাদী (রাঃ) ছিলেন তাদের সবার আগে। আখরাম আল-আসাদী (রাঃ) ‘আব্দুর রাহমান ইবনু ‘উয়াইনাহর দিকে অগ্রসর হলেন, সেও তাকে দেখতে পেলো। উভয়ের মধ্যে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ চললো। আখরাম (রাঃ) তার ঘোড়াকে আঘাত করে হত্যা করলেন। ‘আব্দুর রাহমান (বল্লামের আঘাতে) আখরামকে শহীদ করে আখরামের ঘোড়ায় আরোহণ করলো। এবার আবূ কাতাদাহ (রাঃ) ‘আব্দুর রাহমানের মোকাবিলায় এগিয়ে এলেন। দু’জনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলো। সে আবূ কাতাদাহ (রাঃ)-এর ঘোড়াকে হত্যা করলো। আর আবূ কাতাদাহ (রাঃ) তাকে হত্যা করলেন। অতঃপর তিনি আখরামের ঘোড়ায় সওয়ার হলেন। এরপর আমি (সালামাহ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসি। এ সময় তিনি যু কারাদ নামক কূপের নিকট অবস্থান করছিলেন। এখান থেকেই আমি লুটপাতের ধাওয়া করেছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে পাঁচশো লোক ছিলো। তিনি আমাকে (বীরত্বের জন্য) একজন অশ্বারোহীর ভাগ দিলেন এবং পদাতিকের ভাগও দিলেন।
। আবুল জুওয়াইরিয়াহ আল-জারমী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর শাসনামলে রোম এলাকায় স্বর্ণমুদ্রা ভর্তি লাল রঙের একটি কলস পাই। এ সময়ে আমাদের অধিনায়ক ছিলেন বনী সুলাইম গোত্রের মা‘ব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) নামক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক সাহাবী। আমি কলসটি নিয়ে তার কাছে আসলে তিনি সৈনিকদের মধ্যে দীনারগুলো ভাগ করে দিলেন। তিনি অন্যদের মতো আমাকেও এক ভাগ দিলেন। তিনি বললেন, আমি যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একথা বলতে না শুনতামঃ ‘‘এক-পঞ্চমাংশ নির্ধারণ করার পরই অতিরিক্ত দেয়া যায়।’’ তাহলে আমি তোমাকে অতিরিক্ত দিতাম। অতঃপর তিনি তার অংশ থেকে আমাকে কিছু দিতে চাইলে আমি নিতে অসম্মতি জানাই।
। ‘আমর ইবনু ‘আবাসাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সুতরাহ স্বরূপ) গানীমাতের একটি উটকে সামনে রেখে আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। সালাম ফিরিয়ে তিনি উটের পার্শ্বদেশের একটি পশম নিয়ে বললেনঃ এক পঞ্চমাংশ- ছাড়া তোমাদের গানীমাত থেকে আমার জন্য এতটুকুও বৈধ নয়। আর এই এক-পঞ্চমাংশও তোমাদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়।
হাদিস 2756 — Sunan Abu Dawud 15:280
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (6178) Sahih Muslim (Through Last 1735)
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কিয়ামতের দিন বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি পতাকা স্থাপন করা হবে। বলা হবে এটা অমুকের পুত্র অমুকের বিশ্বাসগাতকতার নিদর্শন।