حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ عَطِيَّةَ، قَالَ مَالَ مَكْحُولٌ وَابْنُ أَبِي زَكَرِيَّاءَ إِلَى خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ وَمِلْتُ مَعَهُمَا فَحَدَّثَنَا عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، قَالَ قَالَ جُبَيْرٌ انْطَلِقْ بِنَا إِلَى ذِي مِخْبَرٍ - رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم - فَأَتَيْنَاهُ فَسَأَلَهُ جُبَيْرٌ عَنِ الْهُدْنَةِ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " سَتُصَالِحُونَ الرُّومَ صُلْحًا آمِنًا وَتَغْزُونَ أَنْتُمْ وَهُمْ عَدُوًّا مِنْ وَرَائِكُمْ " .
। হাসসান ইবনু ‘আতিয়্যাহ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাকহুল ও ইবনু আবূ যাকারিয়্যাহ (রহঃ) খালিদ ইবনু মা‘দান (রহঃ)-এর কাছে গেলে তাদের সাথে ‘আমিও গেলাম। তিনি জুবায়র ইবনু নুফাইর (রহঃ) থেকে আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, জুবায়র (রাঃ) বলেন, আমাদের সঙ্গে যি-মিখবাব (রাঃ)-এর কাছে চলো। তিনি ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের অন্যতম একজন। ‘আমরা তার কাছে গেলে জুবায়র (রাঃ) তাকে সন্ধি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ অচিরেই তোমরা রোমকদের সাথে সম্মিলিতভাবে তোমাদের দুশমনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে।
হাদিস 2768 — Sunan Abu Dawud 15:292
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (3031) Sahih Muslim (1801)
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কা‘ব ইবনু আশরাফকে হত্যা করার কেউ আছো কি? সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দিয়েছে। তখন মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) উঠে দাঁড়িয়ে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আছি। আপনি কি চান যে, আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) বলেন, তাহলে আমাকে সেখানে গিয়ে (আপনার ব্যাপারে) কিছু বলার অনুমতি দিন। তিনি বললেনঃ আচ্ছা। তিনি কা‘ব ইবনু আশরাফের কাছে গিয়ে বলতে লাগলেন, এই ব্যক্তি (মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট বারবার সাদাকাহ চেয়ে আমাদেরকে বিরক্ত করছে। কিন্তু ‘আমরা তাঁর আনুগত্য স্বীকার করায় কিছু করতেও পারছি না। কা‘ব বললো, জ্বালাতনের কি দেখছো (সবেতো শুরু)! সে তোমাদের অতিষ্ঠ করে তুলবে। তিনি বললেন, ‘আমরা কেবল তাঁর আনুগত্য গ্রহণ করেছি, তাই তাঁর কাজের পরিণতি না দেখা পর্যন্ত তাঁকে এখনই পরিত্যাগ করা সমীচীন মনে করছি না। এখন আমি তোমার কাছে এজন্যই এসেছি যে, তুমি আমাদেরকে এক বা দু’ ওয়াসাক (খাদ্য) ধার দিবে। সে বললো, এর বদলে আমার কাছে কি বন্ধক রাখবে? তিনি বললেন, তুমি আমাদের কাছে কি চাও? সে বললো, তোমাদের স্ত্রীদের। তারা বললেন, সুবহানাল্লাহ! তুমি আরবের সুন্দরতম ব্যক্তি হয়ে এরূপ বলছো? তোমার নিকট আমাদের মহিলাদের বন্ধক রাখলে তা আমাদের জন্য লজ্জার কারণ হবে। সে বললো, তাহলে তোমাদের সন্তানদেরকে আমার কাছে বন্ধক রাখো। তারা বললেন, সুবহানাল্লাহ! আমাদের সন্তানেরা বড়ো হলে লোকেরা তাদের তিরস্কার করে বলবে, এক বা দু’ ওয়াসাকের বিনিময়ে তাদেরকে বন্ধক রাখা হয়েছিল। তারা বললেন, ‘আমরা তোমার কাছে যুদ্ধাস্ত্র বন্ধক রাখতে চাই। কা‘ব বললো, ঠিক আছে তাই রাখো। (এরপর মাসলামাহ চলে গেলেন এবং পরে রাতের বেলায়) এসে কা‘বকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান। কা‘ব সুগন্ধিমাখা ছিলো, তার মাথার সুগন্ধি ছড়িয়ে পড়ছিল। তিনি কা‘বের কাছে বসলেন। তাঁর সাথে আরো তিনজন লোক ছিলো। তারা কা‘বের সুগন্ধির ব্যাপারে কা‘বকে জিজ্ঞেস করলে সে বলে, আমার কাছে অমুক রমণী রয়েছে, সে অন্যান্য রমণীর চেয়ে অধিক সুগন্ধি মেখে থাকে। তিনি বললেন, তোমার চুল থেকে একটু ঘ্রাণ নেয়ার অনুমতি দাও। সে বললো, আচ্ছা। তিনি তার মাথায় হাত ঢুকালেন এবং মাথার ঘ্রাণ নিলেন। তিনি বললেন, আর একবার, সে বললো, ঠিক আছে। তখন মাসলামাহ তার মাথায় হাত ঢুকিয়ে মাথার চুল শক্তভাবে ধরে সাথীদের বললেন, এবার মারো। তখন তারা তাকে আঘাত করে হত্যা করলেন।
হাদিস 2769 — Sunan Abu Dawud 15:293
সহিহসহিহসহিহ Lighairihiহাসান
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُزَابَةَ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، - يَعْنِي ابْنَ مَنْصُورٍ - حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ الْهَمْدَانِيُّ، عَنِ السُّدِّيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الإِيمَانُ قَيَّدَ الْفَتْكَ لاَ يَفْتِكُ مُؤْمِنٌ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ঈমানের দাবী হলো, কাউকে ধোঁকা দিয়ে হত্যা না করা। কাজেই কোনো মু‘মিন গুপ্তহত্যা করবে না।
হাদিস 2770 — Sunan Abu Dawud 15:294
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1797) Sahih Muslim (1344)
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধ, হজ (হজ্জ) অথবা ‘উমরা করে ফেরার সময় কোনো উঁচু স্থানে উঠার সময় তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ করতেন এবং বলতেনঃ ‘‘আল্লাহু ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই, মালিকানা ও সার্বভৌমত্ব তাঁরই, তাঁর জন্যই যাবতীয় প্রশংসা, তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। ‘আমরা তাঁরই নিকট প্রত্যাবর্তনকারী, তাঁর কাছেই ক্ষমাপ্রাথী, তাঁরই ইবাদাতকারী, ‘আমরা আমাদের রবের উদ্দেশ্যেই সিজদাকারী, তাঁরই প্রশংসকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই শত্রুদেরকে পরাজিত করেছেন।’’
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। মহান আল্লাহর বাণী, ‘‘যারা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান এনেছে, তারা আপনার কাছে তাদের জান ও মাল নিয়ে জিহাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইবে না...’’[সূরা আত-তওবাঃ ৪৪-৪৫] পর্যন্ত। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এ আয়াতের নির্দেশ সূরা আন-নূরের এ আয়াত দ্বারা রহিত হয়েছেঃ ‘‘প্রকৃত মু‘মিন তারাই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছে ... নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা আন- নূরঃ)
হাদিস 2772 — Sunan Abu Dawud 15:296
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (3076) Sahih Muslim (2476)
حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَلاَ تُرِيحُنِي مِنْ ذِي الْخَلَصَةِ " . فَأَتَاهَا فَحَرَّقَهَا ثُمَّ بَعَثَ رَجُلاً مِنْ أَحْمَسَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُبَشِّرُهُ يُكْنَى أَبَا أَرْطَاةَ .
। জারীর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি আমাকে ‘যুল-খালাসা সম্পর্কে নিশ্চিত করছো না কেন? অতঃপর জারীর (রাঃ) সেখানে গিয়ে তা জ্বালিয়ে দিলেন এবং আবূ আরকাত (রাঃ) নামক আহমাস গোত্রের এক লোককে পাঠিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সুসংবাদ জানান।
হাদিস 2773 — Sunan Abu Dawud 15:297
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (4676) Sahih Muslim (2769)
। কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর থেকে ফিরে এসে প্রথমে মসজিদে ঢুকতেন। তারপর দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে লোকদের নিয়ে বসতেন। অতঃপর বর্ণনাকারী ইবনুস সারহ পুরো হাদীসটি বর্ণনা করেন। কা‘ব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তিনজনের সাথে কথাবার্তা বলতে সবাইকে নিষেধ করলেন। এভাবে অনেক দিন অতিবাহিত হলো। একদিন আমি আমার চাচাতো ভাই আবূ কাতাদাহ (রাঃ)-এর বাগানের দেয়াল টপকে সেখানে ঢুকে তাকে সালাম করি। আল্লাহর শপথ! তিনি আমার সালামের উত্তর দেননি। অতঃপর পঞ্চাশ দিনের দিন সকালে আমি ঘরের ছাদের উপর ফজরের সালাত আদায় করলাম। এমন সময় শব্দ শুনতে পেলাম, এক ব্যক্তি চিৎকার দিয়ে বলছে, হে কা‘ব ইবনু মালিক! তোমার জন্য সুসংবাদ। অতঃপর ঐ সুসংবাদদাতা আমার কাছে আসলে আমি আমার দু’ খানা কাপড় খুলে তাকে পরিয়ে দিলাম। আমি উঠে সরাসরি মসজিদে নাববীতে গিয়ে উপস্থিত হয়ে দেখি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে আছেন। তখন তালহা ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) দ্রুত আমার দিকে এসে আমার সাথে মুসাফাহা করলেন এবং আমাকে মোবারাকবাদ জানালেন।
। আবূ বাকরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে কোনো খুশির খবর আসলে অথবা তিনি কোনো সুসংবাদ পেলে আল্লাহর কাছে শুকরিয়াস্বরূপ সিজদায় পড়ে যেতেন।
। ‘আমির ইবনু সা‘দ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (সা‘দ) বলেন, ‘আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মক্কাহ্ থেকে মদীনার দিকে রওয়ানা হলাম। অতঃপর ‘আমরা ‘আযওয়ারা’ নামক স্থানের নিকটে পৌঁছলে তিনি বাহন থেকে নেমে আল্লাহর নিকট হাত তুলে কিছুক্ষণ দু‘আ করে সিজদায় লুটিয়ে পড়েন। তিনি অনেকক্ষণ সিজদায় থাকলেন। অতঃপর সিজদা থেকে উঠে পুনরায় মহান আল্লাহর কাছে হাত তুলে কিছুক্ষণ দু‘আ করে আবার সিজদায় গেলেন এবং অনেকক্ষণ সিজদায় থাকলেন। আবার উঠে দু’হাত তুলে দু‘আ করলেন এবং সিজদা করলেন। বর্ণনাকারী আহমাদ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ তিনবার করলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি আমার রবের নিকট আবেদন করেছি এবং আমার উম্মাতের জন্য সুপারিশ করেছি। আমাকে এক-তৃতীয়াংশ উম্মাতের জন্য শাফা‘আতের অনুমতি দেয়া হয়েছে। তাই কৃতজ্ঞতা স্বরূপ আমি সিজদাতে লুটিয়ে পড়েছি। আবার মাথা তুলে আমার রবের নিকট উম্মাতের জন্য আবেদন করেছি। তিনি আমাকে আমার উম্মাতের আরো এক-তৃতীয়াংশের জন্য শাফা‘আত করার অনুমতি দিলেন। আমি পুনরায় সিজদায় অবনত হয়ে প্রভুকে কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি পুনরায় মাথা তুলে আমার মহান রবের নিকট উম্মাতের জন্য দু‘আ করি। তিনি আমাকে আরো এক তৃতীয়াংশ উম্মাতের জন্য শাফা‘আত করার অনুমতি দেন। আমি আমার প্রভুকে সিজদা্ করে শুকরিয়া জানাই। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীস বর্ণনার সময় আহমাদ ইবনু সালিহ আমাদের কাছে আশ‘আস ইবনু ইসহাকের নাম উল্লেখ না করেই মূসা ইবনু সাহল থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেন।
হাদিস 2776 — Sunan Abu Dawud 15:300
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (5243) Sahih Muslim (715 After 1928)
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، وَمُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَكْرَهُ أَنْ يَأْتِيَ الرَّجُلُ أَهْلَهُ طُرُوقًا .
। জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো ব্যক্তির সফর থেকে গভীর রাতে নিজ পরিবারের কাছে প্রত্যাবর্তন করা অপছন্দ করতেন।