حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ جَارِيَةً، بِكْرًا أَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَتْ أَنَّ أَبَاهَا زَوَّجَهَا وَهِيَ كَارِهَةٌ فَخَيَّرَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم .
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক যুবতী এসে বললো, তার অসম্মতিতে তার পিতা তাকে বিয়ে দিয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এখতিয়ার প্রদান করলেন (সে বিয়ে রাখতেও পারে অথবা বিচ্ছেদ ঘটাতেও পারে)।[1] সহীহ।
হাদিস 2097 — Sunan Abu Dawud 12:52
দাঈফসহিহহাসান
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا الْحَدِيثِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ لَمْ يَذْكُرِ ابْنَ عَبَّاسٍ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ النَّاسُ مُرْسَلاً مَعْرُوفٌ .
। ‘ইকরিমাহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি উক্ত হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্র বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, বর্ণনাকারী হাম্মাদ ইবনু যায়িদ (রহ.) ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-এর নামে উল্লেখ করেননি। অনুরূপভাবে অন্যরাও হাদীসটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন। আর এটাই প্রসিদ্ধ।[1] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিধবা মহিলা (বিয়ের ব্যাপারে) তার অভিভাবকের চেয়ে নিজেই অধিক হকদার এবং কুমারীর বিয়ের ব্যাপারে তার সম্মতি নিতে হবে, তার নীরব থাকা তার সম্মতি গণ্য হবে। হাদীসের মূল পাঠ আল-কা‘নবীর।[1] সহীহ।
। আব্দুল্লাহ ইবনুল ফাদল (রহ.) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ অর্থে বর্ণিত। বিধবা নারী (নিজের বিয়ের ব্যাপারে) তার অভিভাবকের চাইতে নিজেই অধিক কর্তৃত্বসম্পন্ন। আর কুমারী মেয়ে থেকে তার পিতা সম্মতি নিবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসের ‘আবুহা’ (তার পিতা) শব্দটি সংরক্ষিত নয়।[1] সহীহঃ পিতার কথা উল্লেখ বাদে تستأمر শব্দে। ইরওয়া (১৮৩৩)।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিধবা নারীর উপর তার অভিভাবকের কোনো কর্তৃত্ব নাই, আর ইয়াতীম কুমারী মেয়ে থেকে অনুমতি নিতে হবে এবং তার চুপ থাকাই তার সম্মতি।[1] সহীহ।
। খানসাআ বিনতু খিযাম আল-আনসারিয়্যাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তার পিতা তাকে বিয়ে দেন তখন তিনি বয়স্কা (সাবালিকা)। তিনি এ বিয়ে অপছন্দ করলেন। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে অভিযোগ করলে তিনি তার এ বিয়ে বাতিল করে দেন।[1] সহীহ।
হাদিস 2102 — Sunan Abu Dawud 12:57
হাসানহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ أَبَا هِنْدٍ، حَجَمَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي الْيَافُوخِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " يَا بَنِي بَيَاضَةَ أَنْكِحُوا أَبَا هِنْدٍ وَانْكِحُوا إِلَيْهِ " . قَالَ " وَإِنْ كَانَ فِي شَىْءٍ مِمَّا تَدَاوَوْنَ بِهِ خَيْرٌ فَالْحِجَامَةُ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা আবূ হিন্দ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাথার তালুতে শিংগা লাগান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে বায়াদাহ গোত্রের লোকেরা! তোমাদের গোত্রের একটি মেয়ে আবূ হিন্দের কাছে বিয়ে দাও। ফলে তারা তাদের একটি কন্যা তার কাছে বিয়ে দিলো। তিনি বললেনঃ তোমরা যেসব চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করো সেসবের কোনোটিতে উপকার থাকলে তা শিংগা লাগানোতেই রয়েছে।[1] হাসান।
। সারাহ্ বিনতু মিকসাম (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি মায়মূনা বিনতু কারদাম (রাযি.)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজের (হজ্জের) বছরে আমি আমার পিতার সাথে বের হলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখে আমার পিতা তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন। এ সময় তিনি তাঁর উষ্ট্রীর উপর ছিলেন এবং তাঁর সাথে ছিলো শিক্ষকদের হাতে যেরূপ দোররা থাকে সেরূপ দোররা। এ সময় আমি আরব ও অন্যান্যদের বলে শুনলাম, দোররা দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো। অতঃপর আমার পিতা তাঁর কাছে গিয়ে তার পা দু‘খানা জড়িয়ে ধরে তাঁর রিসালাতের স্বীকৃতি দেন, তার কাছে অবস্থান করেন এবং তাঁর কথা শুনেন। আমার পিতা বলেন, আমি (জাহিলী যুগে) ‘আসরান’ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনায় রয়েছে ‘গাস্রান।’ তখন তারিক ইবনুল মুরাক্কা’ বললো, আমাকে এর বিনিময়ে কে একটি তীর দিবে? আমি বললাম, এর বিনিময় কি? সে বললো, আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্মগ্রহণ করবে তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। আমি আমার তীরটি তাকে দিলাম। এরপর আমি তাদের কাছ থেকে চলে গেলাম। পরে আমি জানতে পারলাম, তার কন্যা সন্তান জন্ম হয়েছে এবং সে সাবিলাকাও হয়েছে। অতঃপর আমি তার নিকট গিয়ে বললাম, আমার স্ত্রী আমাকে দিন। সুতরাং তারা তাকে আমার নিকট সোর্পদ করতে প্রস্তুতি নিলো। কিন্তু সে (পিতা) শপথ করে বললো, অতিরিক্ত কিছু মোহর না দিলে কন্যাকে দিবো না। অপরদিকে আমিও শপথ করি, তাকে পূর্বে যা দিয়েছি, তা ছাড়া অতিরিক্ত কিছুই দিবো না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বর্তমানে সে একজন মহিলা। হয় তো সে তোমাকে (বৃদ্ধ) দেখেছে। তিনি আরো বললেনঃ আমি ইচ্ছা, তুমি তাকে ত্যাগ করো। তিনি (কারদাম), বলেন, আমি আমার শপথের জন্য ভীত হলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে তাকালাম। তিনি আমার অবস্থা অনুধাবন করে বললেনঃ (শপথের কারণে) তোমার কোনো গুনাহ হবে না এবং তোমার প্রতিপক্ষেরও কোনো গুনাহ হবে না।[1] দুর্বল।
। ইবরাহীম ইবনু মাইসারার (রহ.) খালা থেকে জনৈক মহিলা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমার পিতা এক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং তাতে বালির গরমে চলাফিরা অসহনীয় হয়ে পড়ে। তখন এক ব্যক্তি বললো, কে আমাকে তার জুতাজোড়া দিবে? এর বিনিময়ে আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্ম লাভ করবে, তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। এ কথা শুনে আমার পিতা তার জুতাজোড়া তাকে দিলেন। অতঃপর তার একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করলো এবং সে সাবালিকাও হলো। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন, তবে এতে ‘আল-কাতীর’ শব্দটি উল্লেখ নেই।[1] দুর্বল।
হাদিস 2105 — Sunan Abu Dawud 12:60
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (1426)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ - رضى الله عنها - عَنْ صَدَاقِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ ثِنْتَا عَشْرَةَ أُوقِيَّةً وَنَشٌّ . فَقُلْتُ وَمَا نَشٌّ قَالَتْ نِصْفُ أُوقِيَّةٍ .
। আবূ সালামাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর (স্ত্রীদের) মোহরানা সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘বারো ঊকিয়া ও এক নাস্স।’ আমি বললাম, ‘নাস্স’ কি? তিনি বললেন, এক ঊকিয়ার অর্ধেক।[1] সহীহ।