। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ বিজয়ের বছরে (বিজয়ের দিন) সাজদার আয়াত পাঠ করলে উপস্থিত সকলেই সিজদা্ করলো। তাদের মধ্যে কেউ আরোহী ছিলো এবং কেউ ছিলো মাটিতে সিজদাকারী। এমনকি আরোহী নিজ হাতের উপর সিজদা্ আদায় করেছে।[1] দুর্বল : মিশকাত (১০৩৩)।
হাদিস 1412 — Sunan Abu Dawud 7:12
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1075) Sahih Muslim (575)
। ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে সূরাহ পড়লেন। ইবনু নুমাইর বলেন, সালাতের বাইরে, অতঃপর উভয় বর্ণনাকারী বর্ণনা করেন, তিনি সিজদা্ করলে আমরাও তাঁর সাথে সিজদা্ করতাম। এমনকি (ভীড়ের কারণে) আমাদের কেউ কেউ স্বীয় কপাল রাখার জায়গাও পেতো না।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে কুরআন পড়ার সময় সাজদার আয়াত অতিক্রমকালে তাকবীর বলে সিজদা্ করতেন এবং আমরাও সিজদা্ করতাম।[1] ‘আবদুর রাজ্জাক বলেন, ইমাম সাওরী এ হাদীস পছন্দ করতেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, কেননা এতে তাকবীর উচ্চারণের কথা রয়েছে। মুনকার, তাকবীর শব্দ উল্লেখ দ্বারা। মাহফূয হচ্ছে, তাকবীর ছাড়া। যেমন এর পূর্বেরটিতে রয়েছে।
হাদিস 1414 — Sunan Abu Dawud 7:14
সহিহসহিহসহিহ Lighairihiদাঈফ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي سُجُودِ الْقُرْآنِ بِاللَّيْلِ يَقُولُ فِي السَّجْدَةِ مِرَارًا " سَجَدَ وَجْهِي لِلَّذِي خَلَقَهُ وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ " .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ করতেন এবং সিজদাতে বারবার বলতেনঃ ‘সাজাদা ওয়াজহিয়া লিল্লাযী খালাক্বাহু ওয়া শাক্কা সাম্‘আহু ওয়া বাসরহু, বি-হাওলিহী ওয়া কুওয়াতিহী। (অর্থঃ আমার মুখমন্ডল ঐ সত্ত্বাকেই সিজদা্ করেছে, যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন, কানে শ্রবণশক্তি এবং চোখে দৃষ্টিশক্তি দান করেছেন। তাঁর দয়া ও শক্তির বলেই এগুলো বলীয়ান।[1] সহীহ।
। আবূ তামীমাহ আল-হুজায়মী (রহঃ) বলেন, যখন আমরা কাফেলার সাথে মাদীনায় আসি তখন ফজরের সালাতের পর আমি লোকদেরকে ওয়ায করতাম, এ সময় সাজদার আয়াত পাঠ করলে আমি সিজদা্ করতাম। ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা আমাকে পরপর তিনবার নিষেধ করা সত্ত্বেও আমি তার কথায় কর্ণপাত না করায় তিনি পুনরায় নিষেধ করে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকর, ‘উমার এবং ‘উসমান (রাঃ)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছি। কিন্তু তাঁরা সূর্য না উঠা পর্যন্ত সিজদা্ করেননি।[1] দুর্বল।