। মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানার উদ্দেশ্যে দূরে চলে যেতেন।[1] হাসান সহীহ।
হাদিস 2 — Sunan Abu Dawud 1:2
সহিহসহিহসহিহ Lighairihiদাঈফ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَرَادَ الْبَرَازَ انْطَلَقَ حَتَّى لاَ يَرَاهُ أَحَدٌ .
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানার উদ্দেশে দূরে চলে যেতেন, যেন তাঁকে কেউ দেখতে না পায়।[1] সহীহ।
হাদিস 3 — Sunan Abu Dawud 1:3
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا أَبُو التَّيَّاحِ، حَدَّثَنِي شَيْخٌ، قَالَ لَمَّا قَدِمَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ الْبَصْرَةَ فَكَانَ يُحَدَّثُ عَنْ أَبِي مُوسَى، فَكَتَبَ عَبْدُ اللَّهِ إِلَى أَبِي مُوسَى يَسْأَلُهُ عَنْ أَشْيَاءَ، فَكَتَبَ إِلَيْهِ أَبُو مُوسَى إِنِّي كُنْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ فَأَرَادَ أَنْ يَبُولَ فَأَتَى دَمِثًا فِي أَصْلِ جِدَارٍ فَبَالَ ثُمَّ قَالَ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يَبُولَ فَلْيَرْتَدْ لِبَوْلِهِ مَوْضِعًا " .
। আবুত্ তাইয়্যাহ্ বর্ণনা করেন, জনৈক শায়খ আমাকে বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) যখন বসরাতে আগমন করলেন, তখন তার নিকট আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে হাদীস বর্ণনা করা হয়। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কিছু বিষয় জানতে চেয়ে আবূ মূসার (রাঃ) নিকট চিঠি লিখলেন। উত্তরে আবূ মূসা (রাঃ) তাকে লিখলেন, একদিন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি পেশাব করার ইচ্ছা করলেন। অতঃপর তিনি একটি দেয়ালের গোড়ার নরম মাটিতে গিয়ে পেশাব করলেন। এরপর তিনি বললেন, ‘তোমাদের কেউ পেশাব করতে চাইলে যেন নীচু নরম জায়গা অনুসন্ধান করে নেয়।’[1] দুর্বল : যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর ৩১৯, মিশকাত ৩৪৫।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন, হাম্মাদের বর্ণনা মতে, তখন তিনি বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’’ আর ‘আবদুল ওয়ারিসের বর্ণনা মতে, তিনি বলতেনঃ ‘‘আমি আল্লাহর কাছেআশ্রয় চাইছি শাইত্বানদের থেকে ও যাবতীয় অপবিত্রতা থেকে।’’[1] সহীহ : বুখারী- ১৪২ ও মুসলিম, হায়িয অধ্যায়- ১২২, তিরমিযী- ৫, নাসাঈ- ১৯। قَالَ أَبُو دَاوُدَ: رَوَاهُ شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ: "اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ"، وَقَالَ مَرَّةً: "أَعُوذُ بِاللهِ"، وَقَالَ وُهَيْبٌ: "فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللهِ". ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, শু‘বাহ আব্দুল আযীয থেকে বর্ণনা করেনঃ ‘‘হে আল্লাহ আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।’’ আরেক বর্ণনায় তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।
। ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহাইব (রহঃ) আনাস (রাঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি’ কথাটি রয়েছে। শু’বাহ আবদুল আজিজ সুত্রে বলেন, তিনি একবার ‘আউযুবিল্লাহ’ বলেছেন। আর আবদুল আযীয সুত্রে উহাইব বর্ণনা করেছেন যে, তাতে 'সে যেন আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে' কথাটি রয়েছে।[1] শাজ।
। যায়িদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) সূত্র থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, সাধারণতঃ পায়খানার স্থানে শয়তান এসে থাকে। সুতরাং তোমাদের কেউ পায়খানায় প্রবেশকালে যেন বলেঃ ‘‘আমি আল্লাহর কাছে শাইত্বান ও যাবতীয় অপবিত্রতা হতে আশ্রয় চাইছি।’’[1] সহীহ; ইবনু মাজাহ- ২৯৬।
। সালমান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। বর্ণনাকারী ‘আবদুর রহমান বলেন, সালমান (রাঃ)-কে বলা হলো, তোমাদের নবী তোমাদেরকে সবকিছুই শিক্ষা দিয়েছেন, এমন কি পায়খানা করার নিয়মও। সালমান (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে কিবলামুখী হয়ে পেশাব-পায়খানা করতে, ডান হাতে শৌচ করতে, শৌচকার্যে আমাদের কারো তিনটি ঢিলার কম ব্যবহার করতে এবং গোবর অথবা হাড্ডি দ্বারা শৌচ করতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদের জন্য পিতৃতুল্য, তোমাদেরকে আমি দ্বীন শিক্ষা দিয়ে থাকি। তোমাদের কেউ পায়খানায় গেলে কিবলামুখী হয়ে বসবে না এবং কিবলার দিকে পিঠ দিয়েও বসবে না, আর ডান হাতে শৌচ করবে না। তিনি তিনটি ঢিলা ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও হাড্ডি দ্বারা শৌচ করতে নিষেধ করতেন [1]। হাসান; এর অংশ বিশেষ মুসলিমে আছে।
। আবূ আইয়ূব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘‘তোমরা পায়খানায় গিয়ে কিবলামুখী হয়ে পায়খানা-পেশাব করবে না, বরং পূর্ব অথবা পশ্চিমমূখী হয়ে বসবে।’’ আবূ আইয়ূব (রাঃ) বলেন, আমরা সিরিয়ায় গিয়ে দেখতে পেলাম, সেখানকার শৌচাগারগুলো কিবলামুখী করে বানানো। সেজন্য উক্ত স্থানে আমরা একটু বেঁকে বসতাম এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইতাম।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। মা‘ক্বিল ইবনু আবূ মা‘ক্বিল আল-আসাদী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই কিবলার (কা’বা ও বাইতুল মাক্বদিসের) দিকে মুখ করে পেশাব-পায়খানা করতে নিষেধ করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ যায়দ সা‘লাবা গোত্রের দাস।[1] মুনকার: যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর ৬০০১।