حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، ح وَحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ حُمَيْدٍ الْحِمْيَرِيِّ، قَالَ لَقِيتُ رَجُلاً صَحِبَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَرْبَعَ سِنِينَ كَمَا صَحِبَهُ أَبُو هُرَيْرَةَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ تَغْتَسِلَ الْمَرْأَةُ بِفَضْلِ الرَّجُلِ أَوْ يَغْتَسِلَ الرَّجُلُ بِفَضْلِ الْمَرْأَةِ - زَادَ مُسَدَّدٌ - وَلْيَغْتَرِفَا جَمِيعًا .
। হুমাইদ আল-হিময়ারী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এমন এক সাহাবীর সঙ্গে আমার সাক্ষাত হয়েছিল যিনি চার বছর তাঁর সাহচর্যে ছিলেন, যেমন তাঁর সাহচর্যে ছিলেন আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষের ব্যবহারের অবশিষ্ট পানি দ্বারা নারীকে এবং নারীর ব্যবহারের অবশিষ্ট পানি দ্বারা পুরুষকে গোসল করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী মুসাদ্দাদ এর সঙ্গে বৃদ্ধি করে বলেন, নারী-পুরুষের একত্রে একই পাত্র থেকে পানি তুলা নিষেধ।[1] সহীহ।
হাদিস 82 — Sunan Abu Dawud 1:82
সহিহসহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، - يَعْنِي الطَّيَالِسِيَّ - حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي حَاجِبٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عَمْرٍو، وَهُوَ الأَقْرَعُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يَتَوَضَّأَ الرَّجُلُ بِفَضْلِ طَهُورِ الْمَرْأَةِ .
। আল-হাকাম ইবনু ‘আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীলোকের (অযু বা গোসলের) অবশিষ্ট পানি দ্বারা পুরুষকে অযু করতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা সমুদ্রে যাত্রা করি এবং পান করার জন্য সাথে সামান্য (মিঠা) পানি বহন করি। আমরা যদি তা দিয়ে অযু করি তাহলে পিপাসায় থাকতে হয়। সুতরাং এরূপ অবস্থায় আমরা সমুদ্রের পানি দিয়ে অযু করব কী? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সমুদ্রের পানি পবিত্র এবং তার মৃত প্রাণী (খাওয়া) হালাল।[1] সহীহ।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জ্বীন আগমনের রাতে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তোমার পাত্রে কি আছে? তিনি বলেন, নবীয। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, খেজুর পবিত্র আর পানি পবিত্রকারী। শারীক (রহঃ) বলেন, হান্নাদ ‘‘জ্বীন আগমনের রাত’’ কথাটি উল্লেখ করেননি।[1] দুর্বল : মিশকাত ৪৮০।
হাদিস 85 — Sunan Abu Dawud 1:85
সহিহসহিহসহিহ Muslim (450)
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ دَاوُدَ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ قُلْتُ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ مَنْ كَانَ مِنْكُمْ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةَ الْجِنِّ فَقَالَ مَا كَانَ مَعَهُ مِنَّا أَحَدٌ .
। আলকামাহ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, জ্বীন আগমনের রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আপনাদের মধ্যকার কে ছিলেন? তিনি বললেন, তাঁর সঙ্গে আমাদের কেউ ছিল না।[1] সহীহ।
। আবু খাল্দা (রহঃ) বলেন, আমি আবুল ‘আলিয়াকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এক ব্যক্তির গোসল ফরয হয়েছে, কিন্তু তার কাছে পানি নেই, বরং নবীয আছে। সে কি নবীয দিয়ে গোসল করবে? তিনি বললেন, না।[1] সহীহ।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি হজ বা ‘উমরার উদ্দেশ্যে বের হলেন। তার সঙ্গে কিছু লোক ছিল। তিনি তাদের ইমামতি করতেন। একদিন ফজরের সালাত আরম্ভ হতে যাচ্ছে, এমতাবস্থায় তিনি বললেন, তোমাদের কেউ ইমামতি করুক। এই বলে তিনি পায়খানায় চলে গেলেন। নিশ্চয় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ সালাত শুরুর সময়ে তোমাদের কারো পায়খানার বেগ হলে প্রথমে সে যেন পায়খানা সেরে নেয়।[1] সহীহ।
। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদের ভাই ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। এমন সময় তাঁর খাবার আনা হলো। তখনই কাসিম সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়িয়ে গেলে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ খাবার এসে গেলে (তা না খেয়ে) এবং পায়খানা-পেশাবের বেগ হলে তা চেপে রেখে কেউ যেন সালাত আদায় না করে।[1] সহীহ : মুসলিম।
। সাওবান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিনটি কাজ করা কারো জন্য হালাল নয়। (এক) কোন ব্যক্তি ইমাম হয়ে অন্যের জন্য দু‘আ না করে শুধুমাত্র নিজের জন্য দু‘আ করা। এরূপ করলে সে তো তাদের সাথে প্রতারণা করল। (দুই) অনুমতি গ্রহণের পূর্বে কেউ কারো ঘরের অভ্যন্তরে উঁকি মেরে দেখবে না। কেননা এরূপ করাটা তার ঘরে প্রবেশেরই নামান্তর। (তিন) পায়খানা-পেশাবের বেগ চেপে রেখে তা ত্যাগ না করা পর্যন্ত কেউ সালাত আদায় করবে না।[1] দুর্বল : যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর ২৫৬৫, মিশকাত ১০৭০।