। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! জাহিলী যুগের কাছাকাছি একটি (নও মুসলিম) দল আমাদের নিকট গোশত নিয়ে আসে। ‘আমরা জানি না তারা আল্লাহর নাম নিয়ে তা যবাহ করেছে কি না। ‘আমরা কি এ গোশত খাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে তা খাও।
। আবুল মালীহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নুবাইশাহ (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উচ্চস্বরে বললো, ‘আমরা জাহিলী যুগে রজব মাসে ‘আতীরাহ করতাম। এখন এ বিষয়ে আপনি আমাদের কি নির্দেশ দেন? তিনি বললেনঃ আল্লাহর নামে যে কোনো মাসেই যবাহ করতে পারো, আল্লাহর আনুগত্য করো এবং অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দাও, নুবাইশাহ (রাঃ) বলেন, লোকটি আবার বললো, ‘আমরা জাহিলী যুগ ফারা‘আ করতাম, এখন এ বিষয়ে আপনি আমাদের কি আদেশ দেন? তিনি বললেনঃ প্রত্যেক বিচরণকারী পশুতে ফারা‘আ রয়েছে। তোমরা তোমাদের পশুদেরকে খাদ্য দিয়ে থাকো। এমন কি তা বোঝা বহনের উপযোগী হয়। বর্ণনাকারী নাসর (রহঃ) বলেন, হাজীদের বহনের উপযোগী হলে একে যবাহ করে তার গোশত তুমি সাদাকাহ করবে। খালিদ (রহঃ) বলেন, আমার ধারণা, আবূ কিলাবাহ মুসাফিরের জন্য সাদাকাহ করতে বলেছেন। কেননা এটাই উত্তম। খালিদ (রহঃ) বলেন, আমি আবূ কিলাবাহকে বলি, কয়টি বিচরণকারী পশুতে একটি ফারা‘আ? তিনি বললেন, একশোটি
হাদিস 2831 — Sunan Abu Dawud 16:44
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (5474) Sahih Muslim (1976)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ فَرَعَ وَلاَ عَتِيرَةَ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইসলামে কোনো ফারা‘আ নেই এবং ‘আতীরাহও নেই।
। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে প্রতি পঞ্চাশটি বকরীতে একটি বকরী ‘আতীরাহ করতে আদেশ করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, কতিপয় লোকের উক্তি হচ্ছে, ‘ফারা‘আ হলো উটের প্রথম বাচ্চা, যা জাহিলী যুগের লোকেরা তাদের দেবতাদের সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করতো। তারা এর গোশত খেতো এবং এর চামড়া গাছে ঝুলিয়ে রাখতো। ‘আতীরাহ হচ্ছে রজব মাসের প্রথম দশ দিনের কুরবানী।
। উম্মু কুরয আল-কা‘বিয়্যাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ পুত্রের জন্য একই ধরণের দু’টি এবং কন্যার জন্য একটি বকরী ‘আক্বীকাহ করতে হয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি ইমাম আহমাদকে বলতে শুনেছি, ‘মুতাকাফিয়ান অর্থ হলো সমবয়স্ক বা এর কাছাকাছি।
। উম্মু কুরয (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা পাখিকে তার বাসায় নিরাপদে থাকতে দিবে। আমি তাঁকে এও বলতে শুনেছিঃ ‘আক্বীকাহ্ ছেলের পক্ষ থেকে দু’টি এবং মেয়ের পক্ষ থেকে একটি বকরী যবাহ করবে। আক্বীকাহ্ খাসী বা বকরী দ্বারা দেয়াতে কোনো অসুবিধা নেই।
। সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রত্যেক শিশু তার আক্বীকাহর সাথে বন্ধক থাকে। সপ্তম দিনে তার পক্ষ থেকে আক্বীকাহ করতে হয়, মাথা মুড়াতে হয় এবং (মাথায়) রক্ত মাখাতে হয়। কাতাদাহকে জিজ্ঞেস করা হলো, রক্ত কিভাবে মাখতে হয়? তিনি বলেন, আক্বীকাহর পশু যবাহ করে তা থেকে একটু পশম দিয়ে তাতে রক্ত মেখে তা বাচ্চার মাথায় নরম তালুতে রেখে দিবে। অতঃপর মাথা থেকে সূতার ন্যায় রক্ত গড়িয়ে পড়লে মাথা ধুইয়ে তা ন্যাড়া করবে। আবূ দাঊদ বলেন, ‘রক্তমাখার’ শব্দটি হাম্মামের ধারণামূলক, অন্যরা তা বর্জন করেছেন। আবূ দাঊদ বলেন, এখন এ হাদীস আমলযোগ্য নয়।