حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رِزْمَةَ، أَخْبَرَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ أَبُو الْمُنِيبِ الْعَتَكِيُّ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَعَلَ لِلْجَدَّةِ السُّدُسَ إِذَا لَمْ تَكُنْ دُونَهَا أُمٌّ .
। ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদী ও নানীর জন্য এক-ষষ্ঠংশ নির্ধারণ করেছেন; যদি মৃতের মা জীবিত না থাকে।
। ‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলো, আমার পৌত্র মারা গেছে। এখন আমি কি তার মীরাস পাবো? তিনি বললেনঃ তোমার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ। সে চলে যাওয়ার সময় তাকে ডেকে বললেনঃ তুমি আরো এক-ষষ্ঠাংশ পাবে। অতঃপর সে যখন আবার চলে যাচ্ছিল তাকে ডেকে বললেনঃ তুমি অতিরিক্ত ষষ্ঠাংশ উপহার হিসেবে পেয়েছো। কাতাদাহ (রহঃ) বলেন, এটা সুস্পষ্ট জানা নেই কখন সে এক-ষষ্ঠাংশ পায় (আর কখন এক-তৃতীয়াংশ)। কাতাদাহ বলেন, দাদার সর্বনিম্ন প্রাপ্ত অংশ হচ্ছে এক-ষষ্ঠাংশ।
হাদিস 2897 — Sunan Abu Dawud 19:13
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ عُمَرَ، قَالَ أَيُّكُمْ يَعْلَمُ مَا وَرَّثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْجَدَّ فَقَالَ مَعْقِلُ بْنُ يَسَارٍ أَنَا وَرَّثَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم السُّدُسَ . قَالَ مَعَ مَنْ قَالَ لاَ أَدْرِي . قَالَ لاَ دَرَيْتَ فَمَا تُغْنِي إِذًا .
। ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা তিনি উপস্থিত লোকদের জিজ্ঞেস করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদার মীরাস কতটুকু করেছেন তা তোমাদের মধ্যে কার জানা আছে? মা‘কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) বললেন, আমি অবহিত আছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেন, কোনো ওয়ারিসের সাথে? মা‘কিল (রাঃ) বললেন, তা আমি জানি না। তিনি (‘উমার) বললেন, তা না জানলে তোমার কথায় কোনো লাভ নেই।
হাদিস 2898 — Sunan Abu Dawud 19:14
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (6732) Sahih Muslim (1615)
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ (মৃতের) সম্পদ আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী আহলে ফারায়িয়ের মধ্যে বণ্টন করা হবে। এদেরকে বণ্টনের পর যা অবশিষ্ট থাকবে তা মৃতের নিকটাত্মীয় পুরুষ ব্যক্তি পাবে।
। আল-মিকদাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ঐ ব্যক্তির যিম্মাদার যে সন্তান ও ঋণ রেখে মারা যায়। তিনি কখনো বলেছেনঃ ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ‘তার যিম্মাদার।’ কেউ ধন-সম্পদ রেখে গেলে তা তার ওয়ারিসদের প্রাপ্য। যার ওয়ারিস নেই আমি তার ওয়ারিস। আমি তার রক্তপণ আদায় করবো। যার কোনো ওয়ারিস নেই, মামা তার ওয়ারিস, সে রক্তপণ আদায় করবে এবং তার ওয়ারিস হবে।
। আল-মিকদাম আল-কিনদী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি প্রত্যেক মু‘মিনের জন্য তার নিজের চেয়েও অধিক নিকটবর্তী। যে ব্যক্তি ঋণ বা সন্তান রেখে মারা যাবে তা আমার দায়িত্বে থাকবে। আমি হবো তার সম্পদের উত্তরাধিকারী এবং তার বন্দী মুক্ত করবো। যার ওয়ারিস নেই মামা তার ওয়ারিস হবে। সে তার সম্পদের অধিকারী হবে এবং তার বন্দী মুক্ত করবে। আবূ দাঊদ বলেন ‘যাই‘আ’ শব্দের অর্থ সন্তান।
। আল-মিকদাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যার কোনো ওয়ারিস নেই আমি তার ওয়ারিস হবো। আমি তার বন্দী মুক্ত করবো এবং তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবো। যার কোনো ওয়ারিস নেই, মামা তার ওয়ারিস। সে তার বন্দী মুক্ত করবে এবং তার সম্পদের উত্তরাধিকারী হবে।
হাদিস 2902 — Sunan Abu Dawud 19:18
সহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، ح وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، عَنْ سُفْيَانَ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ الأَصْبَهَانِيِّ، عَنْ مُجَاهِدِ بْنِ وَرْدَانَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّ مَوْلًى، لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَاتَ وَتَرَكَ شَيْئًا وَلَمْ يَدَعْ وَلَدًا وَلاَ حَمِيمًا فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَعْطُوا مِيرَاثَهُ رَجُلاً مِنْ أَهْلِ قَرْيَتِهِ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحَدِيثُ سُفْيَانَ أَتَمُّ وَقَالَ مُسَدَّدٌ قَالَ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " هَا هُنَا أَحَدٌ مِنْ أَهْلِ أَرْضِهِ " . قَالُوا نَعَمْ . قَالَ " فَأَعْطُوهُ مِيرَاثَهُ " .
। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি মুক্তদাস কিছু জিনিস রেখে মারা গেলো। তার কোনো সন্তান বা আত্মীয় না থাকায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার সম্পদ তার গ্রামের কোনো লোককে প্রদান করো। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এখানে তার এলাকার কেউ আছে কি? সাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাকে এর পরিত্যক্ত বস্তু প্রদান করো।
। বুরাইদাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, আয্দ গোত্রের এক ব্যক্তির কিছু সম্পদ আমার কাছে আছে। আমি ঐ বংশের এমন কোনো লোক পাইনি, যাকে তা হস্তান্তর করতে পারি। তিনি বললেনঃ দেখো কোনো আয্দীকে এক বছর পর্যন্ত খুঁজে পাও কি না। পরে লোকটি এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এই মাল হস্তান্তর করার মতো কোনো লোক আমি আযদ গোত্রে পাইনি। তখন তিনি বললেনঃ তুমি খুযা‘আ গোত্রের যে ব্যক্তির সাথে প্রথম সাক্ষাৎ পাবে তাকে এই মাল দিবে। সে যখন চলে যাচ্ছিল তিনি বললেনঃ লোকটিকে ডেকে আনো। সে তাঁর কাছে ফিরে আসলে তিনি বললেনঃ খুজা‘আ গোত্রের কোনো বৃদ্ধ লোক খুঁজে তাকে এই মাল হস্তান্তর করো।
। বুরাইদাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, খুজা‘আ গোত্রের এক লোক মারা গেলে তার পরিত্যক্ত জিনিসপত্র নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আনা হয়। তখন তিনি বলেনঃ তার কোনো ওয়ারিস বা আত্মীয় আছে কি না খোঁজ করো। কিন্তু তারা কোনো ওয়ারিস বা আত্মীয় খুঁজে পেলো না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এই মাল খুজা‘আ গোত্রের বৃদ্ধ ব্যক্তিকে দিবে। অন্য বর্ণনায় আছে, খুজা‘আর কোনো বৃদ্ধ লোককে খোঁজ করো।