حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ وَلِيَ الْقَضَاءَ فَقَدْ ذُبِحَ بِغَيْرِ سِكِّينٍ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তিকে বিচারকের পদে নিযুক্ত করা হলো, সে যেন বিনা ছুরিতে যাবাহ হলো।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তিকে জনগণের বিচারক নিযুক্ত করা হলো, তাকে যেন বিনা ছুরিতে যাবাহ করা হলো।
। ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিচারক তিন প্রকার। এক প্রকার বিচারক জান্নাতী এবং অপর দু’ প্রকার বিচারক জাহান্নামী। জান্নাতী বিচারক হলো, যে সত্যকে বুঝে তদনুযায়ী ফায়সালা দেয়। আর যে বিচারক সত্যকে জানার পর স্বীয় বিচারে জুলুম করে সে জাহান্নামী এবং যে বিচারক প্রসূত ফায়সালা দেয় সেও জাহান্নামী।[1] ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ বিষয়ে উপরোক্ত হাদীসটি অধিক সহীহ, অর্থাৎ ইবনু বুরায়দাহর হাদীস-বিচারক তিন শ্রেণীর।
। ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বরেছেনঃ কোন বিচারক বিচারকালে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত দিয়ে যদি সে সঠিক সিদ্ধান্ত দেয় তার জন্য দু’টি সওয়াব রয়েছে। পক্ষান্তরে বিচারক যদি চিন্তা-ভাবনার পর ভুল সিদ্ধান্ত দেয় তাহলে তার জন্য একটি সওয়াব রয়েছে।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি মুসলিমদের বিচারক পদ চায় এবং তা পেয়েও যায়। অতঃপর তার ন্যায়পরায়ণতা যুলুমকে পরাজিত করে তাহলে সে জান্নাতী। আর যে ব্যক্তির যুলুম ইনসাফের উপর প্রাধান্য পাবে সে হবে জাহান্নামী।[1] দুর্বল: যঈফাহ (১১৮৬), মিশকাত
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। মহান আল্লাহর বাণীঃ যারা আল্লাহর অবতীর্ণ বিধান মোতাবেক বিচার ফায়সালা করে না, তারা কাফির... তারাই ফাসিক’’ (সূরা মায়িদাহঃ ৪৫-৪৭) পর্যন্ত। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ এ তিনটি আয়াত ইয়াহুদীদের সম্পর্কে, বিশেষ করে বনু কুরাইযাহ ও বনূ নাযীর গোত্রকে লক্ষ্য করে অবতীর্ণ হয়েছে।[1] সনদ হাসান সহীহ।
। আব্দুর রাহমান ইবনু বিশর আল-আযরাক আল-আনসারী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা কিনদার দু’ ব্যক্তির ঝগড়ারত অবস্থায় এসে উপস্থিত হলো। এ সময় আবূ মাসঊদ (রাঃ) এক বৈঠকে বসা ছিলেন। তারা উভয়ে বললো, আমাদের মাঝে ফায়সালা করে দেয়ার মত কেউ আছে কি? বৈঠকে উপস্থিত এক ব্যক্তি বললো, আমি। আবূ মাসঊদ (রাঃ) এক মুষ্টি কংকর তুলে তার দিকে ছুঁড়ে মারলেন এবং বললেন, থামো! বিচারের ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করা নিন্দনীয়।[1] সনদ দুর্বল।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি বিচারকের পদ চায় এবং এজন্য সাহায্য প্রার্থনা করে, তাকে তার নিজের উপর ছেড়ে দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি বিচারক পদের জন্য লালায়িত হন এবং তা পাওয়ার জন্য কারো সাহায্য প্রার্থনা করে না, তাহলে আল্লাহ তাকে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছার ব্যাপারে একজন ফিরিশতা পাঠিয়ে সাহায্য করেন।[1] দুর্বল।
। আবূ মূসা (রাঃ) বর্ণনা করে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমরা কখনো আমাদের কোন দায়িত্বপূর্ণ পদে এমন ব্যক্তিকে নিয়োগ করবো না যে উক্ত পদের জন্য লালায়িত হয়।[1] সহীহ।
হাদিস 3580 — Sunan Abu Dawud 25:10
সহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الرَّاشِيَ وَالْمُرْتَشِيَ .
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষ দাতা ও ঘুষ গ্রহীতাকে অভিসম্পাত করেছেন।[1] সহীহ।