। নুবাইহ ইবনু ওয়াহব (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। ‘উমার ইবনু উবাইদুল্লাহ এক ব্যক্তিকে আবান ইবনু ‘উসমানের নিকট প্রেরণ করলেন এটা জিজ্ঞেস করার জন্য যে, আমি (আমার পুত্র) তালহা ইবনু ‘উমারকে শাইবাহ ইবনু জুবাইয়ের মেয়ের সাথে বিয়ে দেয়ার ইচ্ছা করেছি। তখন আবান ছিলেন আমীরুল হজ (হজ্জ) এবং তারা উভয়েই মুহরিম ছিলেন। আমরা আশা করি আপনি এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। আবান ‘উমারের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বললেন, আমি আমার পিতা ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাযি.)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় বিয়ে করতে পারবে না এবং কাউকে বিয়ে করাতেও পারবে না।[1] সহীহ।
। ‘উসমান (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অতঃপর বর্ণনাকারী উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে এ বর্ণনায় আরো রয়েছেঃ ‘বিবাহের প্রস্তাবও দিতে পারবে না।’[1] সহীহ।
হাদিস 1843 — Sunan Abu Dawud 11:123
সহিহসহিহসহিহ Muslim (1411)
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ الأَصَمِّ ابْنِ أَخِي، مَيْمُونَةَ عَنْ مَيْمُونَةَ، قَالَتْ تَزَوَّجَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ حَلاَلاَنِ بِسَرِفَ .
। মায়মূনাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ‘সারিফ’ নামক স্থানে বিয়ে করেছেন। তখন আমরা উভয়ে হালাল অবস্থায় ছিলাম।[1] সহীহ।
হাদিস 1844 — Sunan Abu Dawud 11:124
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (4258)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَزَوَّجَ مَيْمُونَةَ وَهُوَ مُحْرِمٌ .
। সালিম থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, মুহরিম ব্যক্তি কোন্ কোন্ প্রাণী হত্যা করতে পারবে। তিনি বললেনঃ পাঁচ প্রকার প্রাণী হত্যা করাতে দোষ নেই, চাই ইহরাম অবস্থায় বা ইহরাম ব্যতিরেকে অথবা হেরেম এলাকায় বা হেরেমের বাইরে হোক। তা হলোঃ বিছা, কাক, ইঁদুর, চিল ও পাগলা কুকুর।[1] সহীহ।
। আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, মুহরিম ব্যক্তি কোন্ কোন্ প্রাণী হত্যা করতে পারবে। তিনি বললেনঃ সাপ, বিছা, ইঁদুর, খ্যাপা কুকুর, চিল এবং হিংস্র জন্তু। আর কাক তাড়িয়ে দিবে, হত্যা করবে না।[1] দুর্বল, এবং তার কথাঃ ‘‘কাক তাড়িয়ে দিবে, হত্যা করবে না’’ এ অংশটুকু মুনকার। ইরওয়া (১০৩৬), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৬৬০), তার বর্ণনায় ‘‘কাক তাড়িয়ে দিবে, হত্যা করবে না।’’ কথাটুকু নেই।
। ইসহাক ইবনু ‘আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। আল-হারিস (রাযি.) ছিলেন তায়িফে ‘উসমান (রাযি.)-এর প্রতিনিধি গভর্ণর। হারিস উসমান (রাযি.)-এর জন্যে খাবার তৈরী করালেন, তন্মধ্যে হুযাল ও ইয়া‘কীব পাখির গোশত এবং বন্য গাধার গোশত ছিলো। অতঃপর তিনি ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযি.)-কে ডেকে আনতে লোক পাঠালেন। লোকটি যখন তার (আলীর) কাছে এলো তখন তিনি (আলী) উটের জন্য গাছ থেকে পাতা জড়ো করছিলেন। তিনি হাত থেকে পাতা ঝাড়তে ঝাড়তে দাওয়াতে আসলেন। তারা তাকে বললেন, খাওয়া শুরু করুন। তিনি বললেন, এটা এমন ব্যক্তিদেরকে খেতে দিন যারা ইহরামমুক্ত। কেননা আমরা মুহরিম। অতঃপর ‘আলী (রাযি.) উপস্থিত আশজা‘ গোত্রীয় লোকদেরকে শপথ দিয়ে বলেন, তোমরা কি জানো না, এক লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জংলী গাধার গোশত হাদিয়া দিয়েছিলেন, তখন তিনি মুহরিম ছিলেন এবং তিনি তা খেতে চাননি? তারা বললো, হ্যাঁ।[1] সহীহ।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে যায়িদ ইবনু আরকাম! তুমি কি জানো যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একটি শিকারী প্রাণীর এক টুকরা গোশত হাদিয়া দেয়া হলে তিনি সেটা গ্রহণ না করে এই বলে ফেরত পাঠালেন যে, আমরা মুহরিম? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ।[1] সহীহ।