হজের মানাসিক ও বিধিবিধান (কিতাবুল মানাসিক ওয়াল হজ্জ)
325 হাদিস · #1721–2045
হাদিস 1791 — Sunan Abu Dawud 11:71
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا النَّهَّاسُ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا أَهَلَّ الرَّجُلُ بِالْحَجِّ ثُمَّ قَدِمَ مَكَّةَ فَطَافَ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَقَدْ حَلَّ وَهِيَ عُمْرَةٌ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ رَجُلٍ عَنْ عَطَاءٍ دَخَلَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُهِلِّينَ بِالْحَجِّ خَالِصًا فَجَعَلَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عُمْرَةً .
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি হজের (হজ্জের) ইহরাম বেঁধে মক্কায় উপস্থিত হয়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়া সাঈ করলে সে অবশ্যই হালাল হয়ে গেলো। আর এটাই হচ্ছে ‘উমরা। আবূ দাঊদ বলেন, ইবনু জুরাইজ এক ব্যক্তি থেকে ‘আতা সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ শুধুমাত্র হজের (হজ্জের) ইহরাম বেঁধে (মক্কায়) প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা ‘উমরায় রূপান্তরিত করেন।[1] সহীহ।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজের (হজ্জের) উদ্দেশ্যে ইহরাম বেঁধে (মক্কায়) পৌঁছে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়া সাই করলেন। ইবনু শাওকার বলেন, কুরবানীর পশু সাথে থাকার কারণে তিনি চুল খাটো করেননি এবং ইহরাম থেকেও মুক্ত হননি। তবে যারা সাথে করে কুরবানীর পশু আনেননি তাদেরকে তাওয়াফ ও সাঈ করার পর চুল ছেটে ইহরাম মুক্ত হওয়ার নির্দেশ দিলেন। ইবনু মানী‘ বর্ধিত করেছেন যে, অথবা মাথা মুন্ডন করে যে হালাল হয়।[1] সহীহ।
হাদিস 1793 — Sunan Abu Dawud 11:73
দাঈফদাঈফহাসান
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي حَيْوَةُ، أَخْبَرَنِي أَبُو عِيسَى الْخُرَاسَانِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَتَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - فَشَهِدَ عِنْدَهُ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَرَضِهِ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ يَنْهَى عَنِ الْعُمْرَةِ قَبْلَ الْحَجِّ .
। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক সাহাবী ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি.)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর মৃত্যুশয্যায় হজের (হজ্জের) পূর্বে ‘উমরা করতে নিষেধ করতে শুনেছেন।[1] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি্‘উস সাগীর (৬০৫১)।
হাদিস 1794 — Sunan Abu Dawud 11:74
দাঈফShadhদাঈফ
حَدَّثَنَا مُوسَى أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي شَيْخٍ الْهُنَائِيِّ، خَيْوَانَ بْنِ خَلْدَةَ مِمَّنْ قَرَأَ عَلَى أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ أَنَّ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ قَالَ لأَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ كَذَا وَكَذَا وَعَنْ رُكُوبِ جُلُودِ النُّمُورِ قَالُوا نَعَمْ . قَالَ فَتَعْلَمُونَ أَنَّهُ نَهَى أَنْ يُقْرَنَ بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ فَقَالُوا أَمَّا هَذَا فَلاَ . فَقَالَ أَمَا إِنَّهَا مَعَهُنَّ وَلَكِنَّكُمْ نَسِيتُمْ .
। মু‘আবিয়াহ ইবনু আবূ সুফিয়ান (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের জিজ্ঞেস করেন, আপনারা কি জানেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অমুক অমুক কাজ করতে এবং চিতাবাঘের চামড়ার উপর আরোহণ করতে নিষেধ করেছেন? তারা বললেন, হ্যাঁ। মু‘আবিয়াহ বললেন, আপনারা কি জানেন যে, তিনি হজ (হজ্জ) ও ‘উমরাকে একক করতে নিষেধ করেছেন? তারা বললেন, এটা আমাদের জানা নেই। অতঃপর তিনি বললেন, এটাকেও ঐসব নিষিদ্ধ জিনিসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন, কিন্তু আপনারা ভুলে গেছেন।[1] সহীহঃ তবে হজ (হজ্জ) ও ‘উমরা একত্রে করা নিষেধ কথাটি শায। যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৬০২৩)।
। আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হজ (হজ্জ) ও ‘উমরা উভয়টির জন্যে একত্রে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ আমি ‘উমরা ও হজের (হজ্জের) জন্য আপনার দরবারে উপস্থিত। আমি ‘উমরা ও হজের (হজ্জের) জন্য আপনার দরবারে উপস্থিত।[1] সহীহ।
। আনাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল-হুলাইফাতে রাত যাপন করেন। অতঃপর সকালে সওয়ারীতে আরোহণ করে বায়দা নামক স্থানে পৌঁছে আল্লাহর প্রশংসা ও তাযবীহ পাঠ করলেন এবং তাকবীর দিলেন। তারপর তিনি হজ (হজ্জ) ও ‘উমরার তালবিয়া পাঠ করলেন লোকেরা হজ (হজ্জ) ও ‘উমরার জন্য তালবিয়া পড়ে। পরে আমরা মক্কায় পৌঁছলে তাঁর নির্দেশ মোতাবেক লোকেরা তাদের ইহরাম খুলে ফেলে। অতঃপর (অষ্টম তারিখ) তালবিয়ার দিনে সবাই হজের (হজ্জের) জন্য তালবিয়া পড়লো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন সাতটি উট দাঁড়ানো অবস্থায় নিজ হাতে কুরবানী করেছেন। আবূ দাঊদ বলেন, হাদীসটি আনাস (রাযি.) বর্ণনা করেছেন, আর ভাষা হলোঃ ‘‘তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর প্রশংসা, গুনগান ও তাকবীর পাঠের পর হজের (হজ্জের) ইহরাম বেঁধেছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 1797 — Sunan Abu Dawud 11:77
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، قَالَ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ كُنْتُ مَعَ عَلِيٍّ حِينَ أَمَّرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْيَمَنِ قَالَ فَأَصَبْتُ مَعَهُ أَوَاقِيَ فَلَمَّا قَدِمَ عَلِيٌّ مِنَ الْيَمَنِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَجَدَ فَاطِمَةَ - رضى الله عنها - قَدْ لَبِسَتْ ثِيَابًا صَبِيغًا وَقَدْ نَضَحَتِ الْبَيْتَ بِنَضُوحٍ فَقَالَتْ مَا لَكَ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ أَمَرَ أَصْحَابَهُ فَأَحَلُّوا قَالَ قُلْتُ لَهَا إِنِّي أَهْلَلْتُ بِإِهْلاَلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لِي " كَيْفَ صَنَعْتَ " . فَقَالَ قُلْتُ أَهْلَلْتُ بِإِهْلاَلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ " فَإِنِّي قَدْ سُقْتُ الْهَدْىَ وَقَرَنْتُ " . قَالَ فَقَالَ لِي " انْحَرْ مِنَ الْبُدْنِ سَبْعًا وَسِتِّينَ أَوْ سِتًّا وَسِتِّينَ وَأَمْسِكْ لِنَفْسِكَ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ أَوْ أَرْبَعًا وَثَلاَثِينَ وَأَمْسِكْ لِي مِنْ كُلِّ بَدَنَةٍ مِنْهَا بَضْعَةً " .
। আল বারা‘আহ ইবনু ‘আযিব (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ‘আলী (রাযি.)-কে ইয়ামেন দেশে শাসক করে প্রেরণ করেন তখন আমিও তাঁর সাথে ছিলাম। তিনি বলেন, আমি তাঁর সাথে কয়েক ‘আওকিয়া সোনার’ অধিকারী হয়েছিলাম। তিনি বলেন, যখন ‘আলী (রাযি.) ইয়ামেন থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলেন তখন ‘আলী বলেন, আমি ফাতিমা (রাযি.)-কে দেখি রঙিন কাপড় পরে আছে এবং ঘরকে সুগন্ধময় করে রেখেছে। সে আমাকে বললো, আপনার কি হয়েছে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাথীদেরকে ইহরাম খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন, সে জন্য সবাই ইহরাম খুলে ফেলেছেন। ‘আলী (রাযি.) বলেন, আমি তাকে বললাম, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইহরামের মতই ইহরাম বেঁধেছি, এ বলে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এলে তিনি আমাকে বললেনঃ তুমি কি জন্য ইহরাম বেঁধেছো? আমি বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে উদ্দেশ্যে ইহরাম বেঁধেছেন আমিও ঐ উদ্দেশ্যে ইহরাম বেঁধেছি। তখন তিনি বললেনঃ ‘আমি কুরবানীর পশু সাথে এনেছি এবং ‘কিরান’ হজের (হজ্জের) নিয়্যাত করেছি। অতঃপর তিনি বললেনঃ আমার জন্য সাতষট্টিটি উট কুরবানী করবে এবং তোমার নিজের জন্য তেত্রিশটি বা চৌত্রিশটি রেখে দিবে আর প্রত্যেকটি উট থেকে আমার জন্য এক টুকরা করে গোশত রেখে দিবে।[1] সহীহ।
হাদিস 1798 — Sunan Abu Dawud 11:78
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ قَالَ الصُّبَىُّ بْنُ مَعْبَدٍ أَهْلَلْتُ بِهِمَا مَعًا . فَقَالَ عُمَرُ هُدِيتَ لِسُنَّةِ نَبِيِّكَ صلى الله عليه وسلم .
। আবূ ওয়াইল (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আস সুবাই ইবনু মা‘বাদ (রহ.) বলেন, আমি হজ (হজ্জ) ও ‘উমরার জন্য একত্রে ইহরাম বাঁধায় ‘উমার (রাযি.) বললেন, তুমি তোমার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতের অনুসরণ করেছো।[1] সহীহ।
। আবূ ওয়াইল (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আস-সুবাই ইবনু মা‘বাদ (রহ.) বলেছেন, আমি খৃষ্টান বেদুঈন ছিলাম। ইসলাম কবূলের পর আমি আমার গোত্রের হুযাইম ইবনু সুরমুলা নামীক এক ব্যক্তির কাছে এসে তাকে বললাম, হে অমুক! আমি জিহাদে যোগদান করতে চাই। আমি দেখেছি, আমার উপর হজ (হজ্জ) ও ‘উমরা ফরয হয়ে গেছে। কাজেই এ দু‘টাকে আমি কিভাবে একত্র করবো? সে বললো, তুমি উভয়টি একত্রে আদায় করো এবং তোমার জন্য সহজলভ্য কুরবানী করো। সুতরাং আমি উভয়টির জন্য একত্রে ইহরাম বাঁধি। আমি যখন আল-উযাইব নামক স্থানে পৌঁছি তখন সালমান ইবনু রবি‘আহ এবং যায়িদা ইবনু সূহার (রাযি.)-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। আর উভয়টির একত্রে ইহরাম বেঁধেছি। তাদের একজন আরেকজনকে বললেন, এ ব্যক্তি তার উটের চেয়ে অধিক জ্ঞানী নয়। বর্ণনাকারী বলেন, এই মন্তব্য যেন আমার উপর পাহাড় পতিত হলো। শেষে আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি.)-এর কাছে গিয়ে বললাম, হে আমীরুল মু‘মিনীন! আমি ছিলাম খৃষ্টান বেদুঈন। আমি ইসলাম কবূল করেছি। আমি জিহাদে অংশগ্রহণে আগ্রহী। আমি আমার উপর হজ (হজ্জ) ও ‘উমরা ফরয দেখতে পাচ্ছি। কাজেই আমি আমার গোত্রের এক লোকের কাছে গেলে সে আমাকে বললো, তুমি একত্রে উভয়টির ইহরাম বাঁধো এবং তোমার জন্য সহজলভ্য কুরবানী করো। পরে আমি একত্রে উভয়টির ইহরাম বেঁধেছি। ‘উমার (রাযি.) আমাকে বললেন, তুমি তোমার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতের হিদায়াত পেয়েছো।[1] সহীহ।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উমার (রাযি.) আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, রাতে আমার মহাপরাক্রমশালী প্রতিপালকের পক্ষ থেকে এক আগমনকারী এসে আমাকে বললেন, এ কল্যাণময় উপত্যকায় সালাত আদায় করুন এবং বলেছেন, ‘উমরাকে হজের (হজ্জের) অন্তর্ভুক্ত করা হলো। সহীহঃ বুখারী। ‘উমরা হজের (হজ্জের) অন্তর্ভুক্ত হওয়াটা অগ্রগণ্য। বর্ণনাকারী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আল-‘আক্বীক উপত্যকায় অবস্থানরত ছিলেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম আওযায়ী থেকে বর্ণনা করেছেন ‘এবং বলুন, ‘উমরা হজের (হজ্জের) সাথে সংযুক্ত হলো। ইমাম আবূ দাঊদ বলেন, অনুরূপভাবে এ হাদীসের ‘আলী ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেন, ‘বলুন, হজের (হজ্জের) মধ্যে ‘উমরা অন্তর্ভুক্ত হলো।