। উসমান ইবনু আফফান ও যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তাদের মতে, কঠোর দিয়াত হচ্ছেঃ চল্লিশটি পঞ্চম বছরে পদার্পণকারী গর্ভবর্তী উষ্ট্রী, ত্রিশটি চতুর্থ বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রী এবং ত্রিশটি তৃতীয় বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রী। আর ভুলবশত হত্যার দিয়াত হলোঃ ত্রিশটি চতুর্থ বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রী, ত্রিশটি তৃতীয় বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রী, বিশটি তৃতীয় বছরে পদার্পণকারী উট এবং বিশটি দ্বিতীয় বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রী।[1] সহীহ।
। যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) সূত্রে কঠোর দিয়াত সম্পর্কে বর্ণিত। অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।[1] সনদ সহীহ। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ উবাইদ প্রমুখ বলেছেন, যখন কোনো উষ্ট্রী চতুর্থ বছর বয়সে পদার্পণ করে তখন পুরুষ উটকে বলা হয় হিক্কুন এবং স্ত্রী উটকে বলা হিক্কাতুন। কারণ, তখন ঐ উট বা উষ্ট্রী বাহনোপযোগী ও ভারবাহী পশুতে পরিণত হয়। যখন তা পঞ্চম বছরে পদার্পণ করে তখন পুরুষটিকে জাযউন ও স্ত্রীটিকে জাযআতুন বলা হয়। যখন তা ষষ্ঠ বচরে পদার্পণ করে এবং তার উপর ও নীচের মাড়ির সামনের দিকে দু’টি করে মোট চারটি দাঁত পড়ে যায় তখন তাকে সানিয়ুন ও ছানিয়্যাতুন বলা হয়। যখন তা সপ্তম বছরে পদার্পণ করে তখন যথাক্রমে রাবাউন ও রাব‘ইয়্যাহ বলা হয়। যখন তা অষ্টম বছরে পদার্পণ করে এবং সামনের চারটি দাঁতের পরবর্তী দাঁত পড়ে যায় তখন তাকে যথাক্রমে সাদীস ও সাদাস বলা হয়। যখন তা নবম বছরে পদার্পণ করে এবং তার দাঁত পুনরায় ওঠে তখন তাকে বাযিল বলা হয়। আর যখন দশম বছরে পদার্পণ করে তখন তাকে মুখলিফ বলা হয়। এরপর নির্ধারিত কোনো নাম নেই বরং এক বছর বেশী হলে বাযিলে ‘আম ও দু’ বছরের বেশী হলে বাযিলে ‘আমাইন বলা হয়। অতঃপর এক বছর হলে মিখলাফে ‘আম ও দু’ বছর হলে মিখলাফে ‘আমাইন বলা হয়, অতঃপর এভাবে নামকরণ করা হয়। নাদর ইবনু শুমাইল (রহঃ) বলেন, এক বছর হলে বিনতু মাখাদ, দু’ বছর হলে বিনতু লাবুন, তিন বছর হলে হিক্কাহ, চার বছর হলে জাযা‘আহ পাঁচ বছর হলে সানিয়্যু, ছয় বছর হলে রাবা‘, সাত বছর হলে সাদীস, আট বছর হলে বাযিল বলা হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ হাতিম ও আল-আসমাঈ বলেন, জাযা‘আহ হচ্ছে সময়, তা বয়স নয়। আবূ হাতিম (রহঃ) বলেন, কতিপয় বিশেষজ্ঞ বলেন, সম্মুখের দাঁত পড়ে গেলে বলা হয় রাবা‘উন। আর মাড়ির দাঁত পড়ে গেলে বলা হয় সানী। আবূ উবাইদ (রহঃ) বলেন, উষ্ট্রী গর্ভবর্তী হলে খালিফাহ বলা হয়। অতঃপর দশ মাসের পূর্ব পর্যন্ত তাকে খালিফাহ বলা হয়ে থাকে। কিন্তু যখন দশম মাসে পদার্পণ করে তখন তাকে উশারা বলা হয়। আবূ হাতিম (রহঃ) বলেন, যখন উপর ও নীচের মাড়ির সামনের দু’টি করে দাঁত পড়ে যায় তখন তাকে সানিয়্যন বলা হয়। আর যখন চারটি দাঁত পড়ে যায় তখন তাকে বলা হয় রাবা‘উন।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এটা এবং ওটা সমান, অর্থাৎ বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠা আঙ্গুলের দিয়াত।[1] সহীহ।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمِ بْنِ بَزِيعٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ، أَخْبَرَنَا أَبُو حَمْزَةَ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الأَسْنَانُ سَوَاءٌ وَالأَصَابِعُ سَوَاءٌ " .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাঁতগুলো সমান এবং আঙ্গুলগুলোও সমান (পার্থক্য হবে না)।[1] সহীহ।
হাদিস 4561 — Sunan Abu Dawud 41:68
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو تُمَيْلَةَ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَصَابِعَ الْيَدَيْنِ وَالرِّجْلَيْنِ سَوَاءً .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ হাত ও দু’ পায়ের আঙ্গুল (এর দিয়াত) সমান হিসেবে ধার্য করেন।[1] সহীহ।
হাদিস 4562 — Sunan Abu Dawud 41:69
হাসান Sahihহাসান SahihহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي خُطْبَتِهِ وَهُوَ مُسْنِدٌ ظَهْرَهُ إِلَى الْكَعْبَةِ " فِي الأَصَابِعِ عَشْرٌ عَشْرٌ " .
। আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা এবং দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বার সঙ্গে পিঠ লাগিয়ে ভাষণদানকালে বলেন, আঙ্গুলগুলো দশটি দশটি করে (উট দিয়াত পাবে)।[1] হাসান সহীহ।
হাদিস 4563 — Sunan Abu Dawud 41:70
হাসান Sahihহাসান Sahihসহিহ LighairihiIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونُ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " فِي الأَسْنَانِ خَمْسٌ خَمْسٌ " .
। আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা এবং তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, প্রতিটি দাঁতের দিয়াত হলো পাঁচটি উট।[1] হাসান সহীহ।