ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কারো সামনে রাতের খাবার এসে পড়ে, অপরদিকে সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) হয়ে যায়। তখন পূর্বে খাবার খেয়ে নিবে। খাওয়া রেখে সালাতে তাড়াহুড়া করবে না। [নাফি‘ (রহ.) বলেন] ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর জন্য খাবার পরিবেশন করা হত, সে সময় সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হত, তিনি খাবার শেষ না করে সালাতে আসতেন না। অথচ তিনি ইমামের কিরাআত শুনতে পেতেন। (৬৭৪, ৫৪৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ৬৩৩ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন খাবার খেতে থাক, তখন সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) হয়ে গেলেও খাওয়া শেষ না করে তাড়াহুড়া করবে না। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, আমাকে ইব্রাহীম ইবনু মুনযির (রহ.) এ হাদীসটি ওয়াহ্ব ইবনু উসমান (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন এবং ওয়াহ্ব হলেন মদিনা্বাসী। (মুসলিম ৫/১৬,হাঃ ৫৫৯ আহমাদ ৪৭০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৩৩ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৪০ শেষাংশ)
‘আমর ইবনু উমাইয়াহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে (বকরীর) সামনের রানের গোশ্ত কেটে খেতে দেখতে পেলাম, এমন সময় তাঁকে সালাতের জন্য ডাকা হলে তিনি ছুরি রেখে দিয়ে উঠে গেলেন ও নতুন উযূ না করেই সালাত আদায় করলেন। (২০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 676 — Sahih al Bukhari 10:70
حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ مَا كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ فِي بَيْتِهِ قَالَتْ كَانَ يَكُونُ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ ـ تَعْنِي خِدْمَةَ أَهْلِهِ ـ فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلاَةُ خَرَجَ إِلَى الصَّلاَةِ.
আসওয়াদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে থাকা অবস্থায় কী করতেন? তিনি বললেন, ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। অর্থাৎ পরিবারবর্গের সহায়তা করতেন। আর সালাতের সময় হলে সালাতের জন্য চলে যেতেন। (৫৩৬৩, ৬০৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আবূ কিলাবাহ্ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাযি.) আমাদের এ মসজিদে এলেন। তিনি বললেন, আমি অবশ্যই তোমাদের নিয়ে সালাত আদায় করবো, বস্তুত আমার উদ্দেশ্য সালাত আদায় করা নয় বরং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমি যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি, তা তোমাদের দেখানোই আমার উদ্দেশ্য। [আইয়ূব (রহ.) বলেন] আমি আবূ কিলাবা (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কিরূপে সালাত আদায় করতেন? তিনি বললেন, আমাদের এই শাইখের মত আর শাইখ প্রথম রাক‘আতের সিজদা্ শেষ করে যখন মাথা উত্তোলন করতেন, তখন দাঁড়ানোর আগে একটু বসতেন। (৮০২, ৮১৮, ৮২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আবূ মূসা (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হয়ে পড়লেন, ক্রমে তাঁর অসুস্থতা তীব্রতর হলে তিনি বললেন, আবূ বাকরকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বল। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বললেন, তিনি তো কোমল হৃদয়ের লোক, যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন তিনি লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে পারবেন না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বললেন, আবূ বাকরকে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) আবার সে কথা বললেন। তখন তিনি আবার বললেন, আবূ বাকর (রাযি.)-কে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। তোমরা ইউসুফের (‘আ.) সাথী মহিলাদেরই মতোই। অতঃপর একজন সংবাদদাতা আবূ বাকর (রাযি.)-এর নিকট সংবাদ নিয়ে আসলেন এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জীবদ্দশাতেই লোকদেরকে সঙ্গে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। (৩৩৮৫; মুসলিম ৪/২১, হাঃ ৪২০, আহমাদ ১৯৭২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 679 — Sahih al Bukhari 10:73
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ ـ رضى الله عنها ـ أَنَّهَا قَالَتْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي مَرَضِهِ " مُرُوا أَبَا بَكْرٍ يُصَلِّي بِالنَّاسِ ". قَالَتْ عَائِشَةُ قُلْتُ إِنَّ أَبَا بَكْرٍ إِذَا قَامَ فِي مَقَامِكَ لَمْ يُسْمِعِ النَّاسَ مِنَ الْبُكَاءِ، فَمُرْ عُمَرَ فَلْيُصَلِّ لِلنَّاسِ. فَقَالَتْ عَائِشَةُ فَقُلْتُ لِحَفْصَةَ قُولِي لَهُ إِنَّ أَبَا بَكْرٍ إِذَا قَامَ فِي مَقَامِكَ لَمْ يُسْمِعِ النَّاسَ مِنَ الْبُكَاءِ، فَمُرْ عُمَرَ فَلْيُصَلِّ لِلنَّاسِ. فَفَعَلَتْ حَفْصَةُ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَهْ، إِنَّكُنَّ لأَنْتُنَّ صَوَاحِبُ يُوسُفَ، مُرُوا أَبَا بَكْرٍ فَلْيُصَلِّ لِلنَّاسِ ". فَقَالَتْ حَفْصَةُ لِعَائِشَةَ مَا كُنْتُ لأُصِيبَ مِنْكِ خَيْرًا.
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্তিম রোগে আক্রান্ত অবস্থায় বললেন, আবূ বাকর (রাযি.)-কে বল সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমি বললাম, আবূ বাকর (রাযি.) যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন তাঁর কান্নার দরুন লোকেরা তাঁর কিছুই শুনতে পাবে না। কাজেই ‘উমার (রাযি.)-কে লোকদের নিয়ে সালাত আদায়ের নির্দেশ দিন। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমি হাফ্সাহ (রাযি.)-কে বললাম, তুমিও আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বল যে, আবূ বাকর (রাযি.) আপনার স্থানে দাঁড়ালে কান্নার জন্য লোকেরা কিছুই শুনতে পাবে না। তাই ‘উমার (রাযি.)-কে লোকদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করার নির্দেশ দিন। হাফ্সাহ (রাযি.) তাই করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, থাম, তোমরা ইউসুফ (‘আ.)-এর সঙ্গী মহিলাদের মত। আবূ বাকর (রাযি.)-কে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বল। তখন হাফ্সাহ (রাযি.) ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-কে বললেন, আমি তোমার কাছ থেকে কখনও ভাল কিছু পেলাম না। (১৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 680 — Sahih al Bukhari 10:74
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ الأَنْصَارِيُّ ـ وَكَانَ تَبِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَخَدَمَهُ وَصَحِبَهُ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ كَانَ يُصَلِّي لَهُمْ فِي وَجَعِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ، حَتَّى إِذَا كَانَ يَوْمُ الاِثْنَيْنِ وَهُمْ صُفُوفٌ فِي الصَّلاَةِ، فَكَشَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم سِتْرَ الْحُجْرَةِ يَنْظُرُ إِلَيْنَا، وَهْوَ قَائِمٌ كَأَنَّ وَجْهَهُ وَرَقَةُ مُصْحَفٍ، ثُمَّ تَبَسَّمَ يَضْحَكُ، فَهَمَمْنَا أَنْ نَفْتَتِنَ مِنَ الْفَرَحِ بِرُؤْيَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَنَكَصَ أَبُو بَكْرٍ عَلَى عَقِبَيْهِ لِيَصِلَ الصَّفَّ، وَظَنَّ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَارِجٌ إِلَى الصَّلاَةِ، فَأَشَارَ إِلَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَتِمُّوا صَلاَتَكُمْ، وَأَرْخَى السِّتْرَ، فَتُوُفِّيَ مِنْ يَوْمِهِ.
আনাস ইবনু মালিক আনসারী (রাযি.) যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অনুসারী, খাদিম এবং সাহাবী ছিলেন। তিনি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্তিম রোগে পীড়িত অবস্থায় আবূ বাকর (রাযি.) সাহাবীগণকে নিয়ে সালাত আদায় করতেন। অবশেষে যখন সোমবার এল এবং লোকেরা সালাতের জন্য কাতারে দাঁড়াল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুজরার পর্দা উঠিয়ে আমাদের দিকে তাকালেন। তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন,তাঁর চেহারা যেন কুরআনে করীমের পৃষ্ঠা (এর ন্যায় ঝলমল করছিল)। তিনি মুচকি হাসলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখতে পেয়ে আমরা খুশীতে প্রায় আত্মহারা হয়ে গিয়েছিলাম এবং আবূ বাকর (রাযি.) কাতারে দাঁড়ানোর জন্য পিছন দিকে সরে আসছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হয়তো সালাতে বেরিয়ে আসবেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ইশারায় জানালেন যে, তোমরা তোমাদের সালাত পূর্ণ করে নাও। অতঃপর তিনি পর্দা ছেড়ে দিলেন। সে দিনই তাঁর ওফাত হয়। (৬৮১,৭৫৪,১২০৫,৪৪৪৮,মুসলিম ৪/২১ হাঃ ৪১৯, আহমাদ ১৩০২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 681 — Sahih al Bukhari 10:75
حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ لَمْ يَخْرُجِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثَلاَثًا، فَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ، فَذَهَبَ أَبُو بَكْرٍ يَتَقَدَّمُ فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحِجَابِ فَرَفَعَهُ، فَلَمَّا وَضَحَ وَجْهُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَا نَظَرْنَا مَنْظَرًا كَانَ أَعْجَبَ إِلَيْنَا مِنْ وَجْهِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ وَضَحَ لَنَا، فَأَوْمَأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ إِلَى أَبِي بَكْرٍ أَنْ يَتَقَدَّمَ، وَأَرْخَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْحِجَابَ، فَلَمْ يُقْدَرْ عَلَيْهِ حَتَّى مَاتَ.
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (রোগাক্রান্ত থাকায়) তিনদিন পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইরে আসেননি। এমতাবস্থায় একসময় সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হল। আবূ বাকর (রাযি.) ইমামাত করার জন্য অগ্রসর হচ্ছিলেন। এমন সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরের পর্দা ধরে উঠালেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চেহারা যখন আমাদের সম্মুখে প্রকাশ পেল, তাঁর চেহারার চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আমরা আর কখনো দেখিনি। যখন তাঁর চেহারা আমাদের সম্মুখে প্রকাশ পেল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতের ইঙ্গিতে আবূ বাকর (রাযি.)-কে (ইমামাতের জন্য) এগিয়ে যেতে বললেন এবং পর্দা ফেলে দিলেন। তারপর মৃত্যুর আগে তাঁকে আর দেখতে পাইনি। (৬৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর রোগ যখন খুব বেড়ে গেল, তখন তাঁকে সালাতের জামা‘আত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেন, আবূ বাকরকে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে নেয়। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমি বললাম, আবূ বাকর (রাযি.) অত্যন্ত কোমল মনের লোক। কিরাআতের সময় কান্নায় ভেঙ্গে পড়বেন। তিনি বললেন, তাঁকেই সালাত আদায় করতে বল। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) সে কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। তিনি আবার বললেন, তাঁকেই সালাত আদায় করতে বল। তোমরা ইউসুফ (‘আ.)-এর সাথী মহিলাদের মত। এ হাদীসটি যুহরী (রহ.) হতে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে যুবাইদী, যুহরীর ভাতিজা ও ইসহাক ইবনু ইয়াহ্ইয়া কালবী (রহ.) ইউনুস (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। এবং মা‘মার ও উকাইল (রহ.) যুহরী (রহ.)-এর মাধ্যমে হামযাহ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসটি (মুরসাল হিসেবে) বর্ণনা করেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)