জুনদুব ইবনু সুফিয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত। কোন এক যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর একটি আঙ্গুল রক্তাক্ত হলে তিনি বলেছিলেনঃ তুমি একটি আঙ্গুল ছাড়া কিছু নও; তুমি রক্তাক্ত হয়েছ আল্লাহরই পথে। (৬১৪৬) (মুসলিম ৩২/৩৯ হাঃ ১৭৯৬, আহমাদ ১৮৮৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 2803 — Sahih al Bukhari 56:20
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لاَ يُكْلَمُ أَحَدٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ـ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِمَنْ يُكْلَمُ فِي سَبِيلِهِ ـ إِلاَّ جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَاللَّوْنُ لَوْنُ الدَّمِ وَالرِّيحُ رِيحُ الْمِسْكِ ".
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, কোন ব্যক্তি আল্লাহর পথে আহত হলে এবং আল্লাহ্ই ভাল জানেন কে তাঁর পথে আহত হবে কিয়ামতের দিন সে তাজা রক্ত বর্ণে রঞ্জিত হয়ে আসবে এবং তা থেকে মিশ্কের সুগন্ধি ছড়াবে। (২৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وَالْحَرْبُ سِجَالٌ যুদ্ধ হচ্ছে বড় পানি পাত্রের মত। ২৮০৪. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। আবূ সুফ্ইয়ান ইবনু হারব (রাঃ) তাঁকে জানিয়েছেন যে, হিরাকল তাঁকে বলেছিলেন, আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি, তাঁর সঙ্গে তোমাদের যুদ্ধের ফলাফল কিরূপ ছিল? তুমি বলেছ যে, যুদ্ধ বড় পানির পাত্র এবং ধন সম্পদের মত। রাসূলগণ এভাবেই পরীক্ষিত হয়ে থাকেন। অতঃপর ভাল পরিণতি তাঁদেরই হয়। (৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার চাচা আনাস ইবনু নাযার (রাঃ) বাদারের যুদ্ধের সময় অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! মুশরিকদের সঙ্গে আপনি প্রথম যে যুদ্ধ করেছেন, আমি সে সময় অনুপস্থিত ছিলাম। আল্লাহ্ যদি আমাকে মুশরিকদের বিরুদ্ধে কোন যুদ্ধে শরীক হবার সুযোগ দেন, তাহলে অবশ্যই আল্লাহ্ দেখতে পাবেন যে, আমি কী করি।’ অতঃপর উহুদের যুদ্ধে মুসলিমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লে আনাস ইবনু নাযার (রাঃ) বলেছিলেন, আল্লাহ্! এরা অর্থাৎ তাঁর সাহাবীরা যা করেছেন, তার সম্বন্ধে আপনার নিকট ওযর পেশ করছি এবং এরা অর্থাৎ মুশরিকরা যা করেছে তা থেকে আমি নিজেকে সম্পর্কহীন বলে ঘোষণা করছি। অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন, এবং সা‘দ ইবনু মু‘আযের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হলো। তিনি বললেন, হে সা‘দ ইবনু মু‘আয, (আমার কাম্য)। নাযারের রবের কসম, উহুদের দিক থেকে আমি জান্নাতের সুগন্ধ পাচ্ছি। সা‘দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি যা করেছেন, আমি তা করতে পারিনি। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তাকে এমতাবস্থায় পেয়েছি যে, তার দেহে আশিটিরও অধিক তলোয়ার, বর্শা ও তীরের যখম রয়েছে। আমরা তাকে নিহত অবস্থায় পেলাম। মুশরিকরা তার দেহ বিকৃত করে দিয়েছিল। তার বোন ব্যতীত কেউ তাকে চিনতে পারেনি এবং বোন তার আঙ্গুলের ডগা দেখে চিনতে পেরেছিল। আনাস (রাঃ) বলেন, আমাদের ধারণা, কুরআনের এই আয়াতটি তাঁর এবং তাঁর মত মুমিনদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। ‘‘মু’মিনদের মধ্য হতে কিছু সংখ্যক আল্লাহর সঙ্গে তাদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে।’’ (আল-আহযাবঃ ২৩) (৪০৪৮, ৪৭৮৩, মুসলিম ৩৩/৪১ হাঃ ১৯০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৯৬ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬০৮ প্রথমাংশ)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার চাচা আনাস ইবনু নাযার (রাঃ) বাদারের যুদ্ধের সময় অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! মুশরিকদের সঙ্গে আপনি প্রথম যে যুদ্ধ করেছেন, আমি সে সময় অনুপস্থিত ছিলাম। আল্লাহ্ যদি আমাকে মুশরিকদের বিরুদ্ধে কোন যুদ্ধে শরীক হবার সুযোগ দেন, তাহলে অবশ্যই আল্লাহ্ দেখতে পাবেন যে, আমি কী করি।’ অতঃপর উহুদের যুদ্ধে মুসলিমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লে আনাস ইবনু নাযার (রাঃ) বলেছিলেন, আল্লাহ্! এরা অর্থাৎ তাঁর সাহাবীরা যা করেছেন, তার সম্বন্ধে আপনার নিকট ওযর পেশ করছি এবং এরা অর্থাৎ মুশরিকরা যা করেছে তা থেকে আমি নিজেকে সম্পর্কহীন বলে ঘোষণা করছি। অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন, এবং সা‘দ ইবনু মু‘আযের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হলো। তিনি বললেন, হে সা‘দ ইবনু মু‘আয, (আমার কাম্য)। নাযারের রবের কসম, উহুদের দিক থেকে আমি জান্নাতের সুগন্ধ পাচ্ছি। সা‘দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি যা করেছেন, আমি তা করতে পারিনি। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তাকে এমতাবস্থায় পেয়েছি যে, তার দেহে আশিটিরও অধিক তলোয়ার, বর্শা ও তীরের যখম রয়েছে। আমরা তাকে নিহত অবস্থায় পেলাম। মুশরিকরা তার দেহ বিকৃত করে দিয়েছিল। তার বোন ব্যতীত কেউ তাকে চিনতে পারেনি এবং বোন তার আঙ্গুলের ডগা দেখে চিনতে পেরেছিল। আনাস (রাঃ) বলেন, আমাদের ধারণা, কুরআনের এই আয়াতটি তাঁর এবং তাঁর মত মুমিনদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। ‘‘মু’মিনদের মধ্য হতে কিছু সংখ্যক আল্লাহর সঙ্গে তাদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে।’’ (আল-আহযাবঃ ২৩) (৪০৪৮, ৪৭৮৩, মুসলিম ৩৩/৪১ হাঃ ১৯০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৯৬ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬০৮ প্রথমাংশ)
হাদিস 2807 — Sahih al Bukhari 56:23
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنِي أَخِي، عَنْ سُلَيْمَانَ، أُرَاهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَتِيقٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ، أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ نَسَخْتُ الصُّحُفَ فِي الْمَصَاحِفِ، فَفَقَدْتُ آيَةً مِنْ سُورَةِ الأَحْزَابِ، كُنْتُ أَسْمَعُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ بِهَا، فَلَمْ أَجِدْهَا إِلاَّ مَعَ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ الأَنْصَارِيِّ الَّذِي جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَهَادَتَهُ شَهَادَةَ رَجُلَيْنِ، وَهْوَ قَوْلُهُ {مِنَ الْمُؤْمِنِينَ رِجَالٌ صَدَقُوا مَا عَاهَدُوا اللَّهَ عَلَيْهِ}
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কুরআনের আয়াতসমূহ একত্রিত করে একটি মুসহাফে লিপিবদ্ধ করলাম, তখন সূরা আহযাবের একটি আয়াত আমি পেলাম না যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে পড়তে শুনেছি। একমাত্র খুযাইমাহ বিন সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর নিকট পেলাম। যার সাক্ষ্যকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’ব্যক্তির সাক্ষ্যের সমান গণ্য করেছিলেন। সে আয়াতটি হলোঃ ‘‘মু’মিনদের মধ্য হতে কিছু সংখ্যক আল্লাহর সঙ্গে তাদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে।’’ (আল-আহযাবঃ ২৩)। (৪০৪৯, ৪৬৭৯, ৪৭৮৪, ৪৯৮৬, ৪৯৮৮, ৪৯৮৯, ৭১৯১, ৭৪২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 2808 — Sahih al Bukhari 56:24
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ الْفَزَارِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ سَمِعْتُ الْبَرَاءَ ـ رضى الله عنه ـ يَقُولُ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ مُقَنَّعٌ بِالْحَدِيدِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أُقَاتِلُ وَأُسْلِمُ. قَالَ " أَسْلِمْ ثُمَّ قَاتِلْ ". فَأَسْلَمَ ثُمَّ قَاتَلَ، فَقُتِلَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " عَمِلَ قَلِيلاً وَأُجِرَ كَثِيرًا ".
وَقَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ إِنَّمَا تُقَاتِلُوْنَ بِأَعْمَالِكُمْ وَقَوْلُهُ ( يٰٓأَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لِمَ تَقُوْلُوْنَ مَا لَا تَفْعَلُوْنَ كَبُرَ مَقْتًا عِنْدَ اللهِ أَنْ تَقُوْلُوْا مَا لَا تَفْعَلُوْنَ إِنَّ اللهَ يُحِبُّ الَّذِيْنَ يُقٰتِلُوْنَ فِيْ سَبِيْلِهِ صَفًّا كَأَنَّهُمْ بُنْيَانٌ مَّرْصُوْصٌ) আবুদ দারদা (রাঃ) বলেন, ‘আমল অনুসারে তোমরা জিহাদ করে থাকো। আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা যা কর না, তা তোমরা কেন বল? তোমরা যা করনা তোমাদের তা বলা আল্লাহর নিকট অতিশয় অসন্তোষজনক। যারা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে সারিবদ্ধভাবে সীসা গলানো সুদৃঢ় প্রাচীরের মত, আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন। (আস্ সফ ২-৩) ২৮০৮. বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লৌহ বর্মে আবৃত এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি যুদ্ধে শরীক হবো, না ইসলাম গ্রহণ করব?’ তিনি বললেন, ‘ইসলাম গ্রহণ কর, অতঃপর যুদ্ধে যাও।’ অতঃপর সে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে যুদ্ধে গেল এবং শাহাদাত লাভ করল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘সে কম আমল করে অধিক পুরস্কার পেল।’ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। উম্মু রুবায়্যি বিনতে বারা, যিনি হারিস ইবনু সুরাকার মা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবী! আপনি হারিসাহ (রাঃ) সম্পর্কে আমাকে কিছু বলবেন কি? হারিসা (রাঃ) বাদারের যুদ্ধে অজ্ঞাত তীরের আঘাতে শাহাদাত লাভ করেন। সে যদি জান্নাতবাসী হয়ে থাকে তবে আমি সবর করব, তা না হলে আমি তার জন্য অবিরাম কাঁদতে থাকবো।’ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘হে হারিসার মা! জান্নাতে অসংখ্য বাগান আছে, আর তোমার ছেলে সর্বোচ্চ জান্নাতুল ফেরদাউস পেয়ে গেছে।’ (৩৯৮২, ৬৫৫০, ৬৫৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 2810 — Sahih al Bukhari 56:26
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى ـ رضى الله عنه ـ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ الرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِلْمَغْنَمِ، وَالرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِلذِّكْرِ، وَالرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِيُرَى مَكَانُهُ، فَمَنْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ " مَنْ قَاتَلَ لِتَكُونَ كَلِمَةُ اللَّهِ هِيَ الْعُلْيَا فَهُوَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ".
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, এক ব্যক্তি গনীমতের জন্য, এক ব্যক্তি প্রসিদ্ধ হওয়ার জন্য এবং এক ব্যক্তি বীরত্ব দেখানোর জন্য জিহাদে শরীক হলো। তাদের মধ্যে কে আল্লাহর পথে জিহাদ করল? তিনি বললেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কলিমা বুলন্দ থাকার উদ্দেশে যুদ্ধ করল, সে-ই আল্লাহর পথে জিহাদ করল।’ (১২৩) (মুসলিম ৩৩/৪২ হাঃ ১৯০৪, আহমাদ ১৯৬১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِيْنَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَّتَخَلَّفُوْا عَنْ رَّسُوْلِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوْا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهِ ذٰلِكَ (بِأَنَّهُمْ لَا يُصِيْبُهُمْ ظَمَأٌ وَّلَا نَصَبٌ وَّلَا مَخْمَصَةٌ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ وَلَا يَطَأُوْنَ مَوْطِئاً يُّغِيْظُ الْكُفَّارَ وَلَا يَنَالُوْنَ مِنْ عَدُوٍّ نَيْلًا إِلَّا كُتِبَ لَهُمْ بِهِ عَمَلٌ صَالِحٌ إِنَّ اللهَ لا يُضِيْعُ أَجْرَ الْمُحْسِنِيْنَ)) আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ মদিনা্বাসী ও তাদের পার্শ্ববর্তী মরুবাসীদের পক্ষে সমীচীন নয় আল্লাহর রাসূলের সঙ্গ ত্যাগ করে পেছনে থেকে যাওয়া, রাসূলের জীবনের চেয়ে নিজেদের জীবনকে প্রিয় মনে করা। এ কারণে যে, আল্লাহর পথে তাদের যে পিপাসা, ক্লান্তি ও ক্ষুধা ক্লিষ্ট করে এবং তাদের এমন পদক্ষেপ যা কাফিরদের ক্রোধের উদ্রেক করে, আর শত্রু পক্ষ থেকে যা কিছু তারা প্রাপ্ত হয়, তার প্রতিটির বিনিময়ে তাদের জন্য একটি নেক ‘আমল লিখিত হয়। নিশ্চয় আল্লাহ নেককারদের শ্রমফল বিনষ্ট করেন না। (আত্ তওবা ১২০) ২৮১১. ‘আবদুর রাহমান ইবনু জাবর (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহর পথে যে বান্দার দু’পা ধূলায় মলিন হয়, তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে এমন হয় না।’ (৯০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)