حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، قَالَ حَدَّثَنَا جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ نُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذْ أَقْبَلَتْ عِيرٌ تَحْمِلُ طَعَامًا، فَالْتَفَتُوا إِلَيْهَا حَتَّى مَا بَقِيَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ اثْنَا عَشَرَ رَجُلاً، فَنَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ {وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا وَتَرَكُوكَ قَائِمًا}
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে (জুমু‘আহর) সালাত আদায় করছিলাম। এমন সময় খাদ্য দ্রব্য বহণকারী একটি উটের কাফিলা হাযির হল এবং তারা (মুসল্লীগণ) সে দিকে এত অধিক মনোযোগী হলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে মাত্র বারোজন মুসল্লী অবশিষ্ট ছিলেন। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘‘এবং যখন তারা ব্যবসা বা খেল তামাশা দেখতে পেল তখন সে দিকে দ্রুত চলে গেল এবং আপনাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে গেল’’- (সূরাহ্ জুমু‘আহ ৬২/১১)। (২০৫৮, ২০৬৪, ৪৮৯৯; মুসলিম ৭/১১, হাঃ ৮৬৩ আহমাদ ১৪৯৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের পূর্বে দু’ রাক‘আত ও পরে দু’ রাক‘আত, মাগরিবের পর নিজের ঘরে দু’ রাক‘আত এবং ‘ইশার পর দু‘ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। আর জুমু‘আহর দিন নিজের ঘরে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করতেন না। (ঘরে গিয়ে) দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন।* (১১৬৫, ১১৭২, ১১৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৮৪ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
সাহল (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে বসবাসকারিণী জনৈকা মহিলা একটি ছোট নহরের পাশে ক্ষেতে বীটের চাষ করতেন। জুমু‘আহর দিনে সে বীটের মূল তুলে এনে রান্নার জন্য ডেগে চড়াতেন এবং এর উপর এক মুঠো যবের আটা দিয়ে রান্না করতেন। তখন এ বীট মূলই এর গোশ্ত (গোশতের বিকল্প) হয়ে যেত। আমরা জুমু‘আহর সালাত হতে ফিরে এসে তাঁকে সালাম দিতাম। তিনি তখন খাদ্য আমাদের সামনে রাখতেন এবং আমরা তা খেতাম। আমরা সে খাদ্যের আশায় জুমু‘আর দিন উদগ্রীব থাকতাম। (৯৩৯, ৯৪১, ২৩৪৯, ৫৪০৩, ৬২৪৮, ৬২৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.) হতে এ হাদীস বর্ণিত, তিনি আরো বলেছেন, জুমু‘আহ (সালাতের) পরই আমরা কায়লূলাহ (দুপুরের শয়ন ও হাল্কা নিদ্রা) এবং দুপুরের আহার্য গ্রহণ করতাম। (৯৩৮; মুসলিম ৭/৯, হাঃ ৮৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হুমাইদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস (রাযি.) বলেছেনঃ আমরা সকাল সকাল জুমু‘আহ্য় যেতাম অতঃপর (সালাত শেষে) কায়লূলাহ করতাম। (৯০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 941 — Sahih al Bukhari 11:65
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ، عَنْ سَهْلٍ، قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْجُمُعَةَ ثُمَّ تَكُونُ الْقَائِلَةُ.
সাহল (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে জুমু‘আহর সালাত আদায় করতাম। অতঃপর দুপুরের বিশ্রাম ও হালকা নিদ্রা যেতাম। (৯৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)