حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ رُفَيْعٍ، قَالَ سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ قُلْتُ أَخْبِرْنِي بِشَىْءٍ، عَقَلْتَهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَيْنَ صَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ يَوْمَ التَّرْوِيَةِ قَالَ بِمِنًى. قُلْتُ فَأَيْنَ صَلَّى الْعَصْرَ يَوْمَ النَّفْرِ قَالَ بِالأَبْطَحِ. ثُمَّ قَالَ افْعَلْ كَمَا يَفْعَلُ أُمَرَاؤُكَ.
بَاب الإِهْلاَلِ مِنْ الْبَطْحَاءِ وَغَيْرِهَا لِلْمَكِّيِّ وَلِلْحَاجِّ إِذَا خَرَجَ إِلَى مِنًى ২৫/৮২. অধ্যায় : মাক্কাহ্র অধিবাসী এবং হাজ্জ (তামাত্তু‘) সম্পন্নকারীদের ইহরাম বাঁধার জায়গা বাতহা ও এ ছাড়া অন্যান্য স্থান অর্থাৎ মাক্কাহ্র সমস্ত ভূমি এবং মাক্কাহ্বাসী হাজীগণ যখন মিনার দিকে রওয়ানা করবে তখন তাদের করণীয় কী? وَسُئِلَ عَطَاءٌ عَنْ الْمُجَاوِرِ يُلَبِّي بِالْحَجِّ قَالَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُلَبِّي يَوْمَ التَّرْوِيَةِ إِذَا صَلَّى الظُّهْرَ وَاسْتَوَى عَلَى رَاحِلَتِهِ وَقَالَ عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ جَابِرٍ t قَدِمْنَا مَعَ النَّبِيِّ فَأَحْلَلْنَا حَتَّى يَوْمِ التَّرْوِيَةِ وَجَعَلْنَا مَكَّةَ بِظَهْرٍ لَبَّيْنَا بِالْحَجِّ وَقَالَ أَبُو الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ أَهْلَلْنَا مِنْ الْبَطْحَاءِ وَقَالَ عُبَيْدُ بْنُ جُرَيْجٍ لِابْنِ عُمَرَ رَأَيْتُكَ إِذَا كُنْتَ بِمَكَّةَ أَهَلَّ النَّاسُ إِذَا رَأَوْا الْهِلاَلَ وَلَمْ تُهِلَّ أَنْتَ حَتَّى يَوْمَ التَّرْوِيَةِ فَقَالَ لَمْ أَرَ النَّبِيَّ يُهِلُّ حَتَّى تَنْبَعِثَ بِهِ رَاحِلَتُهُ ‘আত্বা (রহ.)-কে এ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) তালবিয়ার দিন (যিলহাজ্জ মাসের আট তারিখে) যুহরের সালাত শেষে সওয়ারীতে আরোহণ করে তালবিয়া পাঠ আরম্ভ করতেন। ‘আবদুল মালিক (রহ.), ‘আত্বা ও জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে মাক্কাহ্য় এসে যিলহাজ্জ মাসের আট তারিখ পর্যন্ত বিনা ইহরামে অবস্থান করি এবং মাক্কাহ্ নগরীকে পিছনে রেখে যাওয়ার সময় আমরা হাজ্জের তালবিয়া পাঠ করেছিলাম। আবূ যুবাইর (রহ.) জাবির (রাঃ)-এর উক্তি বর্ণনা করেন যে, আমরা বাতহায় ইহরাম বাঁধি। ‘উবাইদ ইবনু জুরাইজ (রহ.) ইবনু ‘উমর (রাঃ)-কে বললেন, যিলহাজ্জ মাসের চাঁদ দেখেই লোকেরা ইহরাম বাঁধতেন, কিন্তু আপনাকে দেখেছি মাক্কাহ্য় অবস্থান করেও যিলহাজ্জ মাসের আট তারিখ পর্যন্ত ইহরাম বাঁধেননি! তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নিয়ে যতক্ষণ না সওয়ারী উঠে দাঁড়াতো ততক্ষণ তাঁকে তালবিয়া পাঠ করতে দেখিনি। ১৬৫৩. ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু রুফাইয়‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে আপনি যা উত্তমরূপে স্মরণ রেখেছেন তার কিছুটা বলুন। বলুন, যিলহাজ্জ মাসের আট তারিখে যুহর ও ‘আসরের সালাত তিনি কোথায় আদায় করতেন? তিনি বললেন, মিনায়। আমি বললাম, মিনা হতে ফিরার দিন ‘আসরের সালাত তিনি কোথায় আদায় করেছেন? তিনি বললেন, মুহাস্সাবে। এরপর আনাস (রাঃ) বললেন, তোমাদের আমীরগণ যেরূপ করবে, তোমরাও অনুরূপ কর। (১৬৫৪, ১৭৬৩, মুসলিম ১৫/৫৮, হাঃ ১৩০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1654 — Sahih al Bukhari 25:135
حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، سَمِعَ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، لَقِيتُ أَنَسًا. وَحَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ خَرَجْتُ إِلَى مِنًى يَوْمَ التَّرْوِيَةِ فَلَقِيتُ أَنَسًا ـ رضى الله عنه ـ ذَاهِبًا عَلَى حِمَارٍ فَقُلْتُ أَيْنَ صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم هَذَا الْيَوْمَ الظُّهْرَ فَقَالَ انْظُرْ حَيْثُ يُصَلِّي أُمَرَاؤُكَ فَصَلِّ.
‘আবদুল ‘আযীয (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যিলহাজ্জ মাসের আট তারিখে মিনার দিকে বের হলাম, তখন আনাস (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ লাভ করি, তিনি গাধার পিঠে আরোহণ করে যাচ্ছিলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, এ দিনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথায় যুহরের সালাত আদায় করেছিলেন? তিনি বললেন, তুমি লক্ষ্য রাখবে যেখানে তোমার আমীরগণ সালাত আদায় করবে, তুমিও সেখানেই সালাত আদায় করবে। (১৬৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1655 — Sahih al Bukhari 25:136
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ، وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ صَدْرًا مِنْ خِلاَفَتِهِ.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনায় দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন এবং আবূ বকর, ‘উমার (রাঃ)-ও। আর ‘উসমান (রাঃ) তাঁর খিলাফতের প্রথম ভাগেও দু’ রাক‘আত আদায় করেছেন। (১০৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1656 — Sahih al Bukhari 25:137
حَدَّثَنَا آدَمُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ حَارِثَةَ بْنِ وَهْبٍ الْخُزَاعِيِّ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ صَلَّى بِنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ أَكْثَرُ مَا كُنَّا قَطُّ وَآمَنُهُ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ.
হারিসাহ ইবনু ওয়াহব খুযা‘য় (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে মিনাতে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। এ সময় আমরা আগের তুলনায় সংখ্যায় বেশি ছিলাম এবং অতি নিরাপদে ছিলাম। (১০৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1657 — Sahih al Bukhari 25:138
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَكْعَتَيْنِ، وَمَعَ أَبِي بَكْرٍ ـ رضى الله عنه ـ رَكْعَتَيْنِ وَمَعَ عُمَرَ ـ رضى الله عنه ـ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ تَفَرَّقَتْ بِكُمُ الطُّرُقُ، فَيَا لَيْتَ حَظِّي مِنْ أَرْبَعٍ رَكْعَتَانِ مُتَقَبَّلَتَانِ.
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি (মিনায়) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছি। আবূ বাকর-এর সাথে দু’ রাক‘আত এবং ‘উমার-এর সাথেও দু’ রাক‘আত আদায় করেছি। এরপর তোমাদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে [অর্থাৎ ‘উসমান (রাঃ)-এর সময় হতে চার রাক‘আত সালাত আদায় করা শুরু হয়েছে] আহা! যদি চার রাক‘আতের পরিবর্তে মকবূল দু’রাক‘আতই আমার ভাগ্যে জুটত! (১০৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1658 — Sahih al Bukhari 25:139
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، حَدَّثَنَا سَالِمٌ، قَالَ سَمِعْتُ عُمَيْرًا، مَوْلَى أُمِّ الْفَضْلِ عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ، شَكَّ النَّاسُ يَوْمَ عَرَفَةَ فِي صَوْمِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَبَعَثْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِشَرَابٍ فَشَرِبَهُ.
উম্মু ফাযল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আরাফার দিনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সওমের ব্যাপারে লোকজন সন্দেহ করতে লাগলেন। তাই আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট শরবত পাঠিয়ে দিলাম। তিনি তা পান করলেন। (১৬৬১, ১৯৮৮, ৫২০৪, ৫২১৮, ৫২৩৬, মুসলিম ১৩/১৮, হাঃ ১১২৩, আহমাদ ২৬৯৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
মুহাম্মদ ইবনু আবূ বাকার সাকাফী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, তখন তাঁরা উভয়ে সকাল বেলায় মিনা হতে ‘আরাফার দিকে যাচ্ছিলেন, আপনারা এ দিনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে থেকে কিরূপ করতেন? তিনি বললেন, আমাদের মধ্যে যারা তালবিয়া পড়তে চাইত তারা পড়ত, তাতে বাধা দেয়া হতো না এবং যারা তাকবীর পড়তে চাইত তারা তাকবীর পড়ত, এতেও বাধা দেয়া হতো না। (৯৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
সালিম (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (খলীফা) ‘আবদুল মালিক (মক্কার গভর্নর) হাজ্জাজের নিকট লিখে পাঠালেন যে, হাজ্জের ব্যাপারে ইবনু ‘উমার-এর বিরোধিতা করবে না। ‘আরাফার দিনে সূর্য ঢলে যাবার পর ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাজ্জাজের তাঁবুর কাছে গিয়ে উচ্চস্বরে ডাকলেন। আমি তখন তাঁর (ইবনু ‘উমারের) সাথেই ছিলাম, হাজ্জাজ হলুদ রঙের চাদর পরিহিত অবস্থায় বেরিয়ে আসলেন এবং বললেন, কী ব্যাপার, হে আবূ ‘আবদুর রহমান? ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, যদি সুন্নাতের অনুসরণ করতে চাও তা হলে চল। হাজ্জাজ জিজ্ঞেস করলেন, এ মুহূর্তেই? তিনি বললেন, হাঁ। হাজ্জাজ বললেন, সামান্য অবকাশ দিন, মাথায় পানি ঢেলে বের হয়ে আসি। তখন তিনি তার সওয়ারী হতে নেমে পড়লেন। অবশেষে হাজ্জাজ বেরিয়ে এলেন। এরপর হাজ্জাজ চলতে লাগলেন, আমি ও আমার পিতার মাঝে তিনি চললেন, আমি তাকে বললাম, যদি আপনি সুন্নাতের অনুসরণ করতে চান তা হলে খুত্বা সংক্ষিপ্ত করবেন এবং উকূফে দ্রুত করবেন। হাজ্জাজ ‘আবদুল্লাহর দিকে তাকাতে লাগলেন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) যখন তাঁকে দেখলেন তখন বললেন, সে ঠিকই বলেছে। (১৬৬২, ১৬৬৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
উম্মু ফাযল বিনত হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, লোকজন তাঁর সামনে ‘আরাফার দিনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সওম সম্পর্কে মতভেদ করছিলেন। কেউ বলছিলেন তিনি সায়িম আবার কেউ বলছিলেন তিনি সায়িম নন। অতঃপর আমি তাঁর কাছে এক পিয়ালা দুধ পাঠিয়ে দিলাম, তিনি তখন উটের উপর উপবিষ্ট ছিলেন, তিনি তা পান করে নিলেন। (১৬৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1662 — Sahih al Bukhari 25:143
وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي سَالِمٌ، أَنَّ الْحَجَّاجَ بْنَ يُوسُفَ، عَامَ نَزَلَ بِابْنِ الزُّبَيْرِ ـ رضى الله عنهما ـ سَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ كَيْفَ تَصْنَعُ فِي الْمَوْقِفِ يَوْمَ عَرَفَةَ فَقَالَ سَالِمٌ إِنْ كُنْتَ تُرِيدُ السُّنَّةَ فَهَجِّرْ بِالصَّلاَةِ يَوْمَ عَرَفَةَ. فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ صَدَقَ. إِنَّهُمْ كَانُوا يَجْمَعُونَ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فِي السُّنَّةِ. فَقُلْتُ لِسَالِمٍ أَفَعَلَ ذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ سَالِمٌ وَهَلْ تَتَّبِعُونَ فِي ذَلِكَ إِلاَّ سُنَّتَهُ
وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا فَاتَتْهُ الصَّلاَةُ مَعَ الإِمَامِ جَمَعَ بَيْنَهُمَا ইবনু ‘উমার (রাঃ) ইমামের সাথে সালাত আদায় করতে না পারলে উভয় সালাত একত্রে আদায় করতেন। ১৬৬২. সালিম (রহ.) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, যে বছর হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ ইবনু যুবাইরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন, সে বছর তিনি ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আরাফার দিনে উকূফের সময় আমরা কিরূপে কাজ করব? সালিম (রহ.) বললেন, আপনি যদি সুন্নাতের অনুসরণ করতে চান তাহলে ‘আরাফার দিনে দুপুরে সালাত আদায় করবেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, সালিম ঠিক বলেছে। সুন্নাত মুতাবিক সাহাবীগণ যুহর ও ‘আসর এক সাথেই আদায় করতেন। (বর্ণনাকারী বলেন) আমি সালিমকে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -ও কি এরূপ করেছেন? তিনি বললেন, এ ব্যাপারে তোমরা কি আল্লাহর রাসূল (স)-এর সুন্নাত ব্যতীত অন্য কারো অনুসরণ করবে? (১৬৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ ৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ পরিচ্ছেদ)