‘আবদুল ‘আযীয ইবনু রুফা‘য় (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে মনে রেখেছেন এমন কিছু কথা আমাকে বলুন, তারবিয়ার দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের সালাত কোথায় আদায় করেছেন? তিনি বললেন, মিনাতে। আমি বললাম, প্রত্যাবর্তনের দিন ‘আসরের সালাত কোথায় আদায় করেছেন? তিনি বললেন, আবতাহ নামক স্থানে। (তারপর বললেন,) তুমি তাই কর, যেভাবে তোমার শাসকগণ করেন। (১৬৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৩৯. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1764 — Sahih al Bukhari 25:240
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمُتَعَالِ بْنُ طَالِبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ قَتَادَةَ، حَدَّثَهُ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ حَدَّثَهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ صَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ، وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ، وَرَقَدَ رَقْدَةً بِالْمُحَصَّبِ، ثُمَّ رَكِبَ إِلَى الْبَيْتِ فَطَافَ بِهِ.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর, ‘আসর, মাগরিব ও ‘ইশার সালাত আদায়ের পর মুহাস্সাবে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকেন, পরে সওয়ার হয়ে বাইতুল্লাহর দিকে গেলেন এবং বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করলেন। (১৭৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪০. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1765 — Sahih al Bukhari 25:241
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ إِنَّمَا كَانَ مَنْزِلٌ يَنْزِلُهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِيَكُونَ أَسْمَحَ لِخُرُوجِهِ. يَعْنِي بِالأَبْطَحِ.
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তা হল একটি মানযিল মাত্র, যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবতরণ করতেন, যাতে বেরিয়ে যাওয়া সহজতর হয় অর্থাৎ এর দ্বারা আবতাহ বুঝানো হয়েছে। (মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১১, আহমাদ ২৫৭৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪১. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1766 — Sahih al Bukhari 25:242
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ عَمْرٌو عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ لَيْسَ التَّحْصِيبُ بِشَىْءٍ، إِنَّمَا هُوَ مَنْزِلٌ نَزَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহাস্সাবে অবতরণ করা (হজ্জের- কিছুই নয়। এ তো শুধু একটি মানযিল, যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবতরণ করেছিলেন। (মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১২, আহমাদ ১৯২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪২. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
َالنُّزُولِ بِالْبَطْحَاءِ الَّتِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ إِذَا رَجَعَ مِنْ مَكَّةَ মক্কা্ হতে ফেরার সময় যুল-হুলাইফার বাতহাতে অবতরণ। ১৭৬৭. নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) দু’ পাহাড়ের মধ্যস্থিত যু-তুয়া নামক স্থানে রাত যাপন করতেন। এরপর মক্কার উঁচু গিরিপথের দিক হতে প্রবেশ করতেন। হাজ্জ বা ‘উমরাহ আদায়ের জন্য মক্কা্ আসলে তিনি মসজিদে হারামের দরজার সামনে ব্যতীত কোথাও উট বসাতেন না। অতঃপর মসজিদে প্রবেশ করে হাজারে আসওয়াদের কাছে আসতেন এবং সেখান হতে তাওয়াফ আরম্ভ করতেন এবং সাত চক্কর তাওয়াফ করতেন। তিনবার দ্রুতবেগে আর চারবার স্বাভাবিক গতিতে। এরপর ফিরে এসে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন এবং নিজের মানযিলে ফিরে যাওয়ার আগে সাফা-মারওয়ার মধ্যে সা‘য়ী করতেন। আর যখন হাজ্জ বা ‘উমরাহ হতে ফিরতেন তখন যুল-হুলাইফা উপত্যকার বাতহা নামক স্থানে অবতরণ করতেন, যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবতরণ করেছিলেন। (৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪৩. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1768 — Sahih al Bukhari 25:244
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، قَالَ سُئِلَ عُبَيْدُ اللَّهِ عَنِ الْمُحَصَّبِ، فَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ،، قَالَ نَزَلَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعُمَرُ وَابْنُ عُمَرَ. وَعَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ كَانَ يُصَلِّي بِهَا ـ يَعْنِي الْمُحَصَّبَ ـ الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ ـ أَحْسِبُهُ قَالَ وَالْمَغْرِبَ. قَالَ خَالِدٌ لاَ أَشُكُّ فِي الْعِشَاءِ، وَيَهْجَعُ هَجْعَةً، وَيَذْكُرُ ذَلِكَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
খালিদ ইবনু হারিস (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘উবায়দুল্লাহ (রহ.)-কে মুহাসসাব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি নাফি‘ (রহ.) হতে আমাদের কাছে বর্ণনা করলেন যে, তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম , ‘উমার ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) সেখানে অবতরণ করেছেন। নাফি‘ (রহ.) হতে আরো বর্ণিত রয়েছে যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) মুহাসসাবে যোহর ও ‘আসরের সালাত আদায় করতেন। আমার মনে হচ্ছে, তিনি মাগরিবের কথাও বলেছেন, খালিদ (রাঃ) বলেন, ঈসা সম্পর্কে আমার কোন সন্দেহ নেই এবং তিনি সেখানে কিছুক্ষণ নিদ্রা যেতেন। এ কথা ইবনু ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতেই বর্ণনা করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪৪. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1769 — Sahih al Bukhari 25:245
وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهُ كَانَ إِذَا أَقْبَلَ بَاتَ بِذِي طُوًى، حَتَّى إِذَا أَصْبَحَ دَخَلَ، وَإِذَا نَفَرَ مَرَّ بِذِي طُوًى وَبَاتَ بِهَا حَتَّى يُصْبِحَ، وَكَانَ يَذْكُرُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) বর্ণিত যে, তিনি যখনই মক্কা্ আসতেন তখনই যু-তুয়া উপত্যকায় রাত যাপন করতেন। আর সকাল হলে (মক্কা্য়) প্রবেশ করতেন। ফিরার সময়ও তিনি যু-তুয়ার দিকে যেতেন এবং সেখানে ভোর পর্যন্ত অবস্থান করতেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলতেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করতেন। (৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ ৪৮ কিতাবুল হাজ্জ্ব. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, জাহিলী যুগে যুল-মাজায ও ‘উকায লোকেদের ব্যবসা কেন্দ্র ছিল। ইসলাম আসার পর মুসলিমগণ যেন তা অপছন্দ করতে লাগল, অবশেষে এ আয়াত নাযিল হলঃ ‘হাজ্জের মৌসুমে তোমাদের প্রতিপালকের অনুগ্রহ সন্ধান করাতে তোমাদের কোন পাপ নেই’- (আল-বাকারাঃ ১৯৮)। (২০৫০, ২০৯৮, ৪৫১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪৫. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1771 — Sahih al Bukhari #1771
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ حَاضَتْ صَفِيَّةُ لَيْلَةَ النَّفْرِ، فَقَالَتْ مَا أُرَانِي إِلاَّ حَابِسَتَكُمْ. قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " عَقْرَى حَلْقَى أَطَافَتْ يَوْمَ النَّحْرِ ". قِيلَ نَعَمْ. قَالَ " فَانْفِرِي ". قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَزَادَنِي مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا مُحَاضِرٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لاَ نَذْكُرُ إِلاَّ الْحَجَّ، فَلَمَّا قَدِمْنَا أَمَرَنَا أَنْ نَحِلَّ، فَلَمَّا كَانَتْ لَيْلَةُ النَّفْرِ حَاضَتْ صَفِيَّةُ بِنْتُ حُيَىٍّ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " حَلْقَى عَقْرَى، مَا أُرَاهَا إِلاَّ حَابِسَتَكُمْ ". ثُمَّ قَالَ " كُنْتِ طُفْتِ يَوْمَ النَّحْرِ ". قَالَتْ نَعَمْ. قَالَ " فَانْفِرِي ". قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ. إِنِّي لَمْ أَكُنْ حَلَلْتُ. قَالَ " فَاعْتَمِرِي مِنَ التَّنْعِيمِ ". فَخَرَجَ مَعَهَا أَخُوهَا، فَلَقِينَاهُ مُدَّلِجًا. فَقَالَ " مَوْعِدُكِ مَكَانَ كَذَا وَكَذَا ".
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম। হাজ্জ আদায় করাই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। আমরা (মক্কা্য়) আসলাম, তখন আমাদের হালাল হওয়ার নির্দেশ দেন। অতঃপর প্রত্যাবর্তনের রাত এলে সাফিয়্যাহ বিন্তু হুয়াই (রাযি.)-এর ঋতু আরম্ভ হল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘হালকা’ ‘আকরা’, বলে বিরক্তি প্রকাশ করে বললেনঃ আমার ধারণা, সে তোমাদের আটকিয়েই ফেলবে। অতঃপর বললেনঃ তুমি কি কুরবানীর দিন তাওয়াফ করেছিলে? সাফিয়্যাহ (রাযি.) বললেন, হাঁ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তবে চল। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো (‘উমরা আদায় করে) হালাল হইনি। তিনি বললেনঃ তাহলে এখন তুমি তান‘ঈম হতে ‘উমরাহ আদায় করে নাও। অতঃপর তাঁর সঙ্গে তার ভাই [‘আবদুর রাহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ)] গেলেন। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, (‘উমরা আদায় করার পর) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়, যখন তিনি শেষ রাতে (বিদায়ী তওয়াফের জন্য) যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ অমুক স্থানে তোমরা সাক্ষাৎ করবে। (২৯৪, মুসলিম ১৫/১৭, হাঃ ১২১১, আহমাদ ২৬২২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪৬. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 1772 — Sahih al Bukhari 25:247
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ حَاضَتْ صَفِيَّةُ لَيْلَةَ النَّفْرِ، فَقَالَتْ مَا أُرَانِي إِلاَّ حَابِسَتَكُمْ. قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " عَقْرَى حَلْقَى أَطَافَتْ يَوْمَ النَّحْرِ ". قِيلَ نَعَمْ. قَالَ " فَانْفِرِي ". قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَزَادَنِي مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا مُحَاضِرٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لاَ نَذْكُرُ إِلاَّ الْحَجَّ، فَلَمَّا قَدِمْنَا أَمَرَنَا أَنْ نَحِلَّ، فَلَمَّا كَانَتْ لَيْلَةُ النَّفْرِ حَاضَتْ صَفِيَّةُ بِنْتُ حُيَىٍّ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " حَلْقَى عَقْرَى، مَا أُرَاهَا إِلاَّ حَابِسَتَكُمْ ". ثُمَّ قَالَ " كُنْتِ طُفْتِ يَوْمَ النَّحْرِ ". قَالَتْ نَعَمْ. قَالَ " فَانْفِرِي ". قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ. إِنِّي لَمْ أَكُنْ حَلَلْتُ. قَالَ " فَاعْتَمِرِي مِنَ التَّنْعِيمِ ". فَخَرَجَ مَعَهَا أَخُوهَا، فَلَقِينَاهُ مُدَّلِجًا. فَقَالَ " مَوْعِدُكِ مَكَانَ كَذَا وَكَذَا ".
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম। হাজ্জ আদায় করাই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। আমরা (মক্কা্য়) আসলাম, তখন আমাদের হালাল হওয়ার নির্দেশ দেন। অতঃপর প্রত্যাবর্তনের রাত এলে সাফিয়্যাহ বিন্তু হুয়াই (রাযি.)-এর ঋতু আরম্ভ হল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘হালকা’ ‘আকরা’, বলে বিরক্তি প্রকাশ করে বললেনঃ আমার ধারণা, সে তোমাদের আটকিয়েই ফেলবে। অতঃপর বললেনঃ তুমি কি কুরবানীর দিন তাওয়াফ করেছিলে? সাফিয়্যাহ (রাযি.) বললেন, হাঁ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তবে চল। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো (‘উমরা আদায় করে) হালাল হইনি। তিনি বললেনঃ তাহলে এখন তুমি তান‘ঈম হতে ‘উমরাহ আদায় করে নাও। অতঃপর তাঁর সঙ্গে তার ভাই [‘আবদুর রাহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ)] গেলেন। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, (‘উমরা আদায় করার পর) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়, যখন তিনি শেষ রাতে (বিদায়ী তওয়াফের জন্য) যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ অমুক স্থানে তোমরা সাক্ষাৎ করবে। (২৯৪, মুসলিম ১৫/১৭, হাঃ ১২১১, আহমাদ ২৬২২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৪৬. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)