Qurani·قرآني
বাংলা

মাগাযী, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুদ্ধাভিযানসমূহ

525 হাদিস · #3949–4473

হাদিস 4019 — Sahih al Bukhari 64:68
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ اللَّيْثِيُّ، ثُمَّ الْجُنْدَعِيُّ أَنَّ عُبَيْدَ، اللَّهِ بْنَ عَدِيِّ بْنِ الْخِيَارِ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْمِقْدَادَ بْنَ عَمْرٍو الْكِنْدِيَّ، وَكَانَ حَلِيفًا لِبَنِي زُهْرَةَ، وَكَانَ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَهُ أَنَّهُ قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيتُ رَجُلاً مِنَ الْكُفَّارِ فَاقْتَتَلْنَا، فَضَرَبَ إِحْدَى يَدَىَّ بِالسَّيْفِ فَقَطَعَهَا، ثُمَّ لاَذَ مِنِّي بِشَجَرَةٍ فَقَالَ أَسْلَمْتُ لِلَّهِ‏.‏ آأَقْتُلُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَعْدَ أَنْ قَالَهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقْتُلْهُ ‏"‏‏.‏ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهُ قَطَعَ إِحْدَى يَدَىَّ، ثُمَّ قَالَ ذَلِكَ بَعْدَ مَا قَطَعَهَا‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقْتُلْهُ، فَإِنْ قَتَلْتَهُ فَإِنَّهُ بِمَنْزِلَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَقْتُلَهُ، وَإِنَّكَ بِمَنْزِلَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَقُولَ كَلِمَتَهُ الَّتِي قَالَ ‏"‏‏.‏
বানী যুহরা গোত্রের হালীফ (মিত্র) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে বাদর যুদ্ধে যোগদানকারী সাহাবী মিকদাদ ইবনু ‘আমর কিনদী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাকে বলুন, কোন কাফিরের সঙ্গে আমার যদি (যুদ্ধক্ষেত্রে) সাক্ষাৎ হয় এবং আমি যদি তার সঙ্গে লড়াই করি আর সে যদি তলোয়ারের আঘাতে আমার একখানা হাত কেটে ফেলে এবং তারপর আমার থেকে বাঁচার জন্য গাছের আড়ালে গিয়ে বলে ‘‘আমি আল্লাহর উদ্দেশে ইসলাম গ্রহণ করলাম’’ এ কথা বলার পরেও কি আমি তাকে হত্যা করব? তখন রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে হত্যা করবে না। এরপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে তো আমার একখানা হাত কাটার পর এ কথা বলছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন, না, তুমি তাকে হত্যা করবে না। কেননা, তুমি তাকে হত্যা করলে হত্যা করার পূর্বে তোমার যে মর্যাদা ছিল সে সেই মর্যাদা লাভ করবে, আর ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেয়ার আগে তার যে স্তর ছিল তুমি সেই স্তরে পৌঁছে যাবে। [৬৮৬৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4020 — Sahih al Bukhari 64:69
حَدَّثَنِي يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا أَنَسٌ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ بَدْرٍ ‏ "‏ مَنْ يَنْظُرُ مَا صَنَعَ أَبُو جَهْلٍ ‏"‏‏.‏ فَانْطَلَقَ ابْنُ مَسْعُودٍ، فَوَجَدَهُ قَدْ ضَرَبَهُ ابْنَا عَفْرَاءَ حَتَّى بَرَدَ، فَقَالَ آنْتَ أَبَا جَهْلٍ قَالَ ابْنُ عُلَيَّةَ قَالَ سُلَيْمَانُ هَكَذَا قَالَهَا أَنَسٌ‏.‏ قَالَ أَنْتَ أَبَا جَهْلٍ قَالَ وَهَلْ فَوْقَ رَجُلٍ قَتَلْتُمُوهُ قَالَ سُلَيْمَانُ أَوْ قَالَ قَتَلَهُ قَوْمُهُ‏.‏ قَالَ وَقَالَ أَبُو مِجْلَزٍ قَالَ أَبُو جَهْلٍ فَلَوْ غَيْرُ أَكَّارٍ قَتَلَنِي‏.‏
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরের দিন বললেন, আবূ জাহলের কী অবস্থা কেউ দেখে আসতে পার কি? তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) তার খোঁজে বের হলেন। এবং ‘আফরার দুই ছেলে তাকে আঘাত করে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে রেখেছে দেখতে পেলেন। তখন তিনি তাকে বললেন, তুমি কি আবূ জাহ্ল? (আবূ জাহ্ল বলল) একজন লোককে হত্যা করা ব্যতীত তোমরা তো অধিক কিছু করনি? সুলায়মান বলেন, অথবা সে (আবূ জাহ্ল) বলেছিল, একজন লোককে তার কাওমের লোকেরা হত্যা করেছে? আবূ মিজলায (রাঃ) বলেন, আবূ জাহ্ল বলেছিল, চাষী ব্যতীত অন্য কেউ যদি আমাকে হত্যা করত![1] [৩৯৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4021 — Sahih al Bukhari 64:70
حَدَّثَنَا مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ، عَنْ عُمَرَ ـ رضى الله عنهم ـ لَمَّا تُوُفِّيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ لأَبِي بَكْرٍ انْطَلِقْ بِنَا إِلَى إِخْوَانِنَا مِنَ الأَنْصَارِ‏.‏ فَلَقِيَنَا مِنْهُمْ رَجُلاَنِ صَالِحَانِ شَهِدَا بَدْرًا‏.‏ فَحَدَّثْتُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ فَقَالَ هُمَا عُوَيْمُ بْنُ سَاعِدَةَ، وَمَعْنُ بْنُ عَدِيٍّ‏.‏
‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যখন ওফাত হল তখন আমি আবূ বাকরকে বললাম, আমাদেরকে আনসার ভাইদের নিকট নিয়ে চলুন। পথে আমরা আনসারদের দু‘জন সৎ ব্যক্তির সাক্ষাৎ পেলাম যাঁরা বাদর যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়রের নিকট এ হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনি বললেন, তাঁরা হলেন ‘উরওয়াহ ইবনু সা‘ঈদাহ এবং মা‘ন ইবনু ‘আদী (রাঃ)। [২৪৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4022 — Sahih al Bukhari 64:71
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ فُضَيْلٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، كَانَ عَطَاءُ الْبَدْرِيِّينَ خَمْسَةَ آلاَفٍ خَمْسَةَ آلاَفٍ‏.‏ وَقَالَ عُمَرُ لأُفَضِّلَنَّهُمْ عَلَى مَنْ بَعْدَهُمْ‏.‏
কায়স (রহ.) হতে বর্ণিত যে, বাদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী সাহাবীদের ভাতা পাঁচ হাজার পাঁচ হাজার করে নির্ধারিত ছিল। ‘উমার (রহ.) বলেছেন, অবশ্যই আমি বাদর যুদ্ধে শরীক সাহাবীদেরকে পরবর্তী লোকদের হতে অধিক মর্যাদা দেব। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4023 — Sahih al Bukhari 64:72
حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الْمَغْرِبِ بِالطُّورِ، وَذَلِكَ أَوَّلَ مَا وَقَرَ الإِيمَانُ فِي قَلْبِي‏.‏
যুবায়র (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মাগরিবের সালাতে সূরাহ তূর পড়তে শুনেছি। এ ঘটনা থেকেই সর্বপ্রথম ঈমান আমার অন্তরে স্থান করে নেয়। [৭৬৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4024 — Sahih al Bukhari 64:73
وَعَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي أُسَارَى بَدْرٍ ‏ "‏ لَوْ كَانَ الْمُطْعِمُ بْنُ عَدِيٍّ حَيًّا ثُمَّ كَلَّمَنِي فِي هَؤُلاَءِ النَّتْنَى لَتَرَكْتُهُمْ لَهُ ‏"‏‏.‏ وَقَالَ اللَّيْثُ عَنْ يَحْيَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَقَعَتِ الْفِتْنَةُ الأُولَى ـ يَعْنِي مَقْتَلَ عُثْمَانَ ـ فَلَمْ تُبْقِ مِنْ أَصْحَابِ بَدْرٍ أَحَدًا، ثُمَّ وَقَعَتِ الْفِتْنَةُ الثَّانِيَةُ ـ يَعْنِي الْحَرَّةَ ـ فَلَمْ تُبْقِ مِنْ أَصْحَابِ الْحُدَيْبِيَةِ أَحَدًا ثُمَّ وَقَعَتِ الثَّالِثَةُ فَلَمْ تَرْتَفِعْ وَلِلنَّاسِ طَبَاخٌ‏.‏
যুহরী (রহ.) মুহাম্মাদ ইবনু যুবায়র ইবনু মুত‘ঈমের মাধ্যমে তার পিতা যুবায়র ইবনু মুত‘ঈম (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরের যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে বলেছেন, আজ মুত‘ঈম ইবনু ‘আদী [1] যদি বেঁচে থাকতেন আর এসব অপবিত্র লোকদের সম্পর্কে যদি আমার নিকট সুপারিশ করতেন, তাহলে তার সম্মানে এদেরকে আমি (মুক্তিপণ ব্যতীতই) ছেড়ে দিতাম। লায়স ইয়াহ্ইয়ার সূত্রে সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন যে, প্রথম ফিতনা অর্থাৎ ‘উসমানের হত্যাকান্ড [2] সংঘটিত হবার পর বদরে যোগদানকারী সাহাবীদের আর কেউ বেঁচে ছিলেন না। দ্বিতীয় ফিতনা তথা হাররার ঘটনা সংঘটিত হবার পর হুদাইবিয়াহর সন্ধিকালীন সময়ের কোন সাহাবীই আর জীবিত ছিলেন না। এরপর তৃতীয় ফিতনা সংঘটিত হওয়ার পর তা কখনো শেষ হয়নি, যতদিন মানুষের মধ্যে আকল ও সৎ গুণাবলী বহাল ছিল। [৩১৩৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4025 — Sahih al Bukhari 64:74
حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ النُّمَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ سَمِعْتُ الزُّهْرِيَّ، قَالَ سَمِعْتُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، وَسَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، وَعَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ، وَعُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ حَدِيثِ، عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كُلٌّ ـ حَدَّثَنِي طَائِفَةً مِنَ الْحَدِيثِ ـ قَالَتْ فَأَقْبَلْتُ أَنَا وَأُمُّ مِسْطَحٍ فَعَثَرَتْ أُمُّ مِسْطَحٍ فِي مِرْطِهَا فَقَالَتْ تَعِسَ مِسْطَحٌ‏.‏ فَقُلْتُ بِئْسَ مَا قُلْتِ، تَسُبِّينَ رَجُلاً شَهِدَ بَدْرًا فَذَكَرَ حَدِيثَ الإِفْكِ‏.‏
যুহরী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র, সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যিব, ‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াক্কাস ও ‘উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহর প্রতি অপবাদের ঘটনা শুনেছি। তারা সকলেই হাদীসটির একটি অংশ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, আমি এবং উম্মু মিসতাহ্ (প্রাকৃতিক প্রয়োজনে) বের হলাম। তখন উম্মু মিসতাহ তার চাদরে পেঁচিয়ে পড়ে গেল। এতে সে বলল, মিসতাহ এর জন্য ধ্বংস। [‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন] তখন আমি বললাম, আপনি বড় খারাপ কথা বললেন। আপনি বদরে শরীক ব্যক্তিকে মন্দ বলছেন! অতঃপর অপবাদ-এর ঘটনা উল্লেখ করলেন। [২৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4026 — Sahih al Bukhari 64:75
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُلَيْحِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ هَذِهِ مَغَازِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‏.‏ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ يُلْقِيهِمْ ‏"‏ هَلْ وَجَدْتُمْ مَا وَعَدَكُمْ رَبُّكُمْ حَقًّا ‏"‏‏.‏ قَالَ مُوسَى قَالَ نَافِعٌ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ تُنَادِي نَاسًا أَمْوَاتًا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا أَنْتُمْ بِأَسْمَعَ لِمَا قُلْتُ مِنْهُمْ ‏"‏‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ فَجَمِيعُ مَنْ شَهِدَ بَدْرًا مِنْ قُرَيْشٍ مِمَّنْ ضُرِبَ لَهُ بِسَهْمِهِ أَحَدٌ وَثَمَانُونَ رَجُلاً، وَكَانَ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ يَقُولُ قَالَ الزُّبَيْرُ قُسِمَتْ سُهْمَانُهُمْ فَكَانُوا مِائَةً، وَاللَّهُ أَعْلَمُ‏.‏
ইবনু শিহাব (রহ.) হতে বর্ণিত (তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জিহাদসমূহের বর্ণনা দেয়ার পর) বলেছেন, এগুলোই ছিল রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামরিক অভিযান। এরপর তিনি ঘটনা বর্ণনা করলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশ কাফিরদের লাশ কূপে নিক্ষেপ করার সময় বললেন, তোমাদের রব তোমাদেরকে যে ওয়াদা দিয়েছিলেন তা পেয়েছ তো? মূসা নাফি‘র মাধ্যমে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এ সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের থেকে কেউ কেউ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি মৃতলোকদের আহবান জানাচ্ছেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার কথাগুলো তোমরা তাদের থেকে অধিক শুনতে পাচ্ছ না। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, গানীমাত লাভ করেছিলেন, এমন কুরাইশী সাহাবী বদরে শরীক ছিলেন তাঁদের সংখ্যা হল একাশি।[1] ‘উরওয়াহ ইব্ন যুবায়র বললেন যে, যুবায়র (রাঃ) বলেছেন, (বাদ্রী) কুরাইশী সাহাবীদের অংশগুলো বণ্টন করা হয়েছিল। তাদের সংখ্যা ছিল সর্বমোট একশ’ (আল্লাহ্ই ভাল জানেন)। [১৩৭০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4027 — Sahih al Bukhari 64:76
حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا هِشَامٌ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ ضُرِبَتْ يَوْمَ بَدْرٍ لِلْمُهَاجِرِينَ بِمِائَةِ سَهْمٍ‏.‏
যুবায়র (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, বদরের দিন মুহাজিরদেরকে গানীমাতের একশ’ অংশ দেয়া হয়েছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4028 — Sahih al Bukhari 64:77
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ حَارَبَتِ النَّضِيرُ وَقُرَيْظَةُ، فَأَجْلَى بَنِي النَّضِيرِ، وَأَقَرَّ قُرَيْظَةَ وَمَنَّ عَلَيْهِمْ، حَتَّى حَارَبَتْ قُرَيْظَةُ فَقَتَلَ رِجَالَهُمْ وَقَسَمَ نِسَاءَهُمْ وَأَوْلاَدَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ إِلاَّ بَعْضَهُمْ لَحِقُوا بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَآمَنَهُمْ وَأَسْلَمُوا، وَأَجْلَى يَهُودَ الْمَدِينَةِ كُلَّهُمْ بَنِي قَيْنُقَاعَ وَهُمْ رَهْطُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلاَمٍ وَيَهُودَ بَنِي حَارِثَةَ، وَكُلَّ يَهُودِ الْمَدِينَةِ‏.‏
بَاب تَسْمِيَةُ مَنْ سُمِّيَ مِنْ أَهْلِ بَدْرٍ فِي الْجَامِعِ الَّذِيْ وَضَعَهُ أَبُوْ عَبْدِ اللهِ عَلَى حُرُوْفِ الْمُعْجَمِ ৬৪/১৩. অধ্যায়: বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের নামের তালিকা যা আল-জামে গ্রন্থে (সহীহ বুখারীতে) উল্লেখ রয়েছে। النَّبِيُّ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ الْهَاشِمِيُّ صلى الله عليه وسلم إِيَاسُ بْنُ الْبُكَيْرِ بِلَالُ بْنُ رَبَاحٍ مَوْلَى أَبِيْ بَكْرٍ الْقُرَشِيِّ حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ الْهَاشِمِيُّ حَاطِبُ بْنُ أَبِيْ بَلْتَعَةَ حَلِيْفٌ لِقُرَيْشٍ أَبُوْ حُذَيْفَةَ بْنُ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيْعَةَ الْقُرَشِيُّ حَارِثَةُ بْنُ الرَّبِيْعِ الْأَنْصَارِيُّ قُتِلَ يَوْمَ بَدْرٍ وَهُوَ حَارِثَةُ بْنُ سُرَاقَةَ كَانَ فِي النَّظَّارَةِ خُبَيْبُ بْنُ عَدِيٍّ الْأَنْصَارِيُّ خُنَيْسُ بْنُ حُذَافَةَ السَّهْمِيُّ رِفَاعَةُ بْنُ رَافِعٍ الْأَنْصَارِيُّ رِفاعَةُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْذِرِ أَبُوْ لُبَابَةَ الْأَنْصَارِيُّ الزُّبَيْرُ بْنُ الْعَوَّامِ الْقُرَشِيُّ زَيْدُ بْنُ سَهْلٍ أَبُوْ طَلْحَةَ الْأَنْصَارِيُّ أَبُوْ زَيْدٍ الْأَنْصَارِيُّ سَعْدُ بْنُ مَالِكٍ الزُّهْرِيُّ سَعْدُ بْنُ خَوْلَةَ الْقُرَشِيُّ سَعِيْدُ بْنُ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ الْقُرَشِيُّ سَهْلُ بْنُ حُنَيْفٍ الْأَنْصَارِيُّ ظُهَيْرُ بْنُ رَافِعٍ الْأَنْصَارِيُّ وَأَخُوْهُ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُثْمَانَ أَبُوْ بَكْرٍ الصِّدِّيْقُ الْقُرَشِيُّ عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْعُوْدٍ الْهُذَلِيُّ عُتْبَةُ بْنُ مَسْعُوْدٍ الْهُذَلِيُّ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ الزُّهْرِيُّ عُبَيْدَةُ بْنُ الْحَارِثِ الْقُرَشِيُّ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ الْأَنْصَارِيُّ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ الْعَدَوِيُّ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ الْقُرَشِيُّ خَلَّفَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى ابْنَتِهِ وَضَرَبَ لَهُ بِسَهْمِهِ عَلِيُّ بْنُ أَبِيْ طَالِبٍ الْهَاشِمِيُّ عَمْرُوْ بْنُ عَوْفٍ حَلِيْفُ بَنِيْ عَامِرِ بْنِ لُؤَيٍّ عُقْبَةُ بْنُ عَمْرٍو الْأَنْصَارِيُّ عَامِرُ بْنُ رَبِيْعَةَ الْعَنَزِيُّ عَاصِمُ بْنُ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيُّ عُوَيْمُ بْنُ سَاعِدَةَ الْأَنْصَارِيُّ عِتْبَانُ بْنُ مَالِكٍ الْأَنْصَارِيُّ قُدَامَةُ بْنُ مَظْعُوْنٍ قَتَادَةُ بْنُ النُّعْمَانِ الْأَنْصَارِيُّ مُعَاذُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْجَمُوْحِ مُعَوِّذُ بْنُ عَفْرَاءَ وَأَخُوْهُ مَالِكُ بْنُ رَبِيْعَةَ أَبُوْ أُسَيْدٍ الْأَنْصَارِيُّ مُرَارَةُ بْنُ الرَّبِيْعِ الْأَنْصَارِيُّ مَعْنُ بْنُ عَدِيٍّ الْأَنْصَارِيُّ مِسْطَحُ بْنُ أُثَاثَةَ بْنِ عَبَّادِ بْنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ مَنَافٍ مِقْدَادُ بْنُ عَمْرٍو الْكِنْدِيُّ حَلِيْفُ بَنِيْ زُهْرَةَ هِلَالُ بْنُ أُمَيَّةَ الْأَنْصَارِيُّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْز ১. নবী মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ হাশিমী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ২. ইয়াস ইবনু বুকায়র, ৩. আবূ বাকর কুরাইশীর আযাদকৃত গোলাম বিলাল ইবনু রাবাহ, ৪. হামযা ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব আল-হাশিমী, ৫. কুরাইশদের বন্ধু হাতিব ইবনু আবূ বালতাআ, ৬. আবূ হুযাইফা ইবনু ‘উত্বাহ ইবনু রাবী‘আহ কুরাইশী, ৭. হারিসা ইবনু রাবী‘ আনসারী, যিনি বাদর যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন; তাঁকে হারিসা ইবনু সুরাকা বলা হয়, তিনি দেখার জন্য গিয়েছিলেন। ৮. খুবায়ব ইবনু আদী আনসারী, ৯. খুনায়স ইবনু হুযাফা সাহমী, ১০. রিফা‘আ ইবনু রাফি আনসারী, ১১. রিফা‘আ ইবনু আবদুল মুনযির, ১২. আবূ লুবাবা আনসারী, ১৩. যুবায়র ইবনুল আওয়াম কুরাইশী, ১৪. যায়দ ইবনু সাহল, ১৫. আবূ ত্বলহা আনসারী, ১৬. আবূ যায়দ আনসারী, ১৭. সা‘দ ইবনু মালিক যুহরী, ১৮. সা‘দ ইবনু খাওলা কুরাইশী, ১৯. সা‘ঈদ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আমর ইবনু নুফাইল কুরাইশী, ২০. সাহল ইবনু হুনাইফ আনসারী, ২১. যুহায়র ইবনু রাফি‘ আনসারী, ২২. এবং তাঁর ভাই (মুযহির ইবনু রাফি‘ আনসারী), ২৩. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উসমান, ২৪. আবূ বাকর সিদ্দীক কুরাইশী, ২৫. ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ হুযালী; ২৬.‘উতবাহ ইবনু মাসঊদ হুযালী, ২৭. ‘আবদুর রাহমান ইবনু ‘আওফ যুহরী, ২৮.‘উবাইদাহ ইবনুল হারিস কুরাইশী, ২৯. উবাদাহ ইবনু সামিত আনসারী, ৩০.‘উমার ইবনু খাত্তাব আদাবী, ৩১. ‘উসমান ইবনু আফ্ফান কুরাইশী, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে তাঁর অসুস্থ কন্যার দেখাশোনার জন্য (মদিনা্য়) রেখে গিয়েছিলেন। কিন্তু গানীমাতের মালের অংশ তাঁকে দিয়েছিলেন। ৩২.‘আলী ইবনু আবী তালিব হাশিমী, ৩৩.‘আমির ইবনু লুওয়াই গোত্রের মিত্র ‘আমর ইবনু আউফ, ৩৪.‘উকবাহ ইবনু ‘আমর আনসারী, ৩৫.‘আমির ইবনু রাবী‘আ আনাযী, ৩৬.‘আসিম ইবনু সাবিত আনসারী, ৩৭. উওয়াম ইবনু সাইদা আনসারী, ৩৮.‘ইতবান ইবনু মালিক আনসারী, ৩৯. কুদামাহ ইবনু মাযউন, ৪০. ক্বাতাদাহ ইবনু নু‘মান আনসারী, ৪১. মু‘আয ইবনু ‘আমর ইবনু জামূহ, ৪২. মু‘আববিয ইবনু আফরা ৪৩. এবং তাঁর ভাই (মু‘আয), ৪৪. মালিক ইবনু রাবী‘আ, ৪৫. আবূ উসাইদ আনসারী, ৪৬. মুরারা ইবনু রাবী আনসারী। ৪৭. মা‘ন ইবনু আ‘দী আনসারী, ৪৮. মিসতাহ ইবনু উসাসা ইবনু আববাদ ইবনু মুত্তালিব ইবনু ‘আবদে মানাফ, ৪৯. যুহরা গোত্রের মিত্র মিকদাদ ইবনু ‘আমর কিনদী, ৫০. হিলাল ইবনু উমাইয়াহ আনসারী (রাযিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহুম আজমা‘ঈন)। قَالَ الزُّهْرِيُّ عَنْ عُرْوَةَ كَانَتْ عَلَى رَأْسِ سِتَّةِ أَشْهُرٍ مِنْ وَقْعَةِ بَدْرٍ قَبْلَ أُحُدٍ وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (هُوَ الَّذِيْٓ أَخْرَجَ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ مِنْ دِيَارِهِمْ لِأَوَّلِ الْحَشْرِ مَا ظَنَنْتُمْ أَنْ يَّخْرُجُوْا) وَجَعَلَهُ ابْنُ إِسْحَاقَ بَعْدَ بِئْرِ مَعُوْنَةَ وَأُحُدٍ যুহরী (রহ.) ‘উরওয়াহ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, বানু নাযীর যুদ্ধ ওহুদ যুদ্ধের আগে এবং বাদর যুদ্ধের পরে ষষ্ঠ মাসের প্রারম্ভে সংঘটিত হয়েছিল। মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তিনিই কিতাবওয়ালাদের মধ্যে যারা কাফির তাদেরকে প্রথম সমবেতভাবে তাদের নিবাস থেকে বিতাড়িত করেছিলেন’’- (সূরাহ হাশর ৫৯/২)। বানু নাযীর যুদ্ধের এ ঘটনাকে ইবনু ইসহাক (রহ.) বিরে মাউনার ঘটনা এবং উহূদ যুদ্ধের পরবর্তী ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন। ৪০২৮. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, বনু নাযীর ও বনু কুরাইযাহ গোত্রের ইয়াহূদী সম্প্রদায় (মুসলিমদের বিরুদ্ধে) যুদ্ধ শুরু করলে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনু নাযীর গোত্রকে দেশত্যাগে বাধ্য করেন এবং বনু কুরাইযাহ গোত্রের প্রতি দয়া করে তাদেরকে থাকতে দেন। কিন্তু পরে বনূ কুরাইযাহ গোত্র (মুসলিমদের বিরুদ্ধে) যুদ্ধ শুরু করলে কতক লোক যারা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দলভুক্ত হবার পর তিনি তাদেরকে নিরাপত্তা দান করেছিলেন তারা মুসলিম হয়ে গিয়েছিল তারা ব্যতীত অন্য সব পুরুষ লোককে হত্যা করা হয় এবং মহিলা সন্তান-সন্ততি ও মালামাল মুসলিমদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনার সব ইয়াহূদীকে দেশান্তর করলেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালামের গোত্র বনু কায়নুকা ও বনু হারিসাসহ অন্যান্য ইয়াহূদী গোষ্ঠীকেও তিনি দেশান্তর করেন। [মুসলিম ২৩/২০, হাঃ ১৭৬৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।