وَقَالَ جَلَّ ذِكْرُهُ (مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ) وَقَالَ مَسْرُوقٌ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ إِذَا تَكَلَّمَ اللهُ بِالْوَحْيِ سَمِعَ أَهْلُ السَّمَوَاتِ شَيْئًا فَإِذَا فُزِّعَ عَنْ قُلُوبِهِمْ وَسَكَنَ الصَّوْتُ عَرَفُوا أَنَّهُ الْحَقُّ وَنَادَوْا مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ قَالُوا الْحَقَّ وَيُذْكَرُ عَنْ جَابِرٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ أُنَيْسٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَحْشُرُ اللهُ الْعِبَادَ فَيُنَادِيهِمْ بِصَوْتٍ يَسْمَعُهُ مَنْ بَعُدَ كَمَا يَسْمَعُهُ مَنْ قَرُبَ أَنَا الْمَلِكُ أَنَا الدَّيَّانُ আল্লাহ্ বলেনঃ কে সে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? (সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/২৫৫)। বর্ণনাকারী মাসরুক (রহ.) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আল্লাহ্ যখন ওয়াহীর দ্বারা বলেন, তখন আসমানের অধিবাসীরা কিছু শুনতে পায়। তাদের অন্তর থেকে যখন ভয় দূর করে দেয়া হয় আর শব্দ স্তিমিত হয়ে যায়, তখন তারা বুঝতে পারে যে, যা ঘটেছে তা অবশ্যই একটা বাস্তব সত্য। তারা পরস্পরকে জিজ্ঞেস করতে থাকে তোমাদের প্রতিপালক কী বলেছেন? জাবির (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উনায়স (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি, আল্লাহ্ সকল বান্দাকে হাশরে সমবেত করে এমন আওয়াজে ডাকবেন যে, নিকটবর্তীদের মত দূরবর্তীরাও শুনতে পাবে। আল্লাহ্ বলবেন আমিই মহা সম্রাট, আমিই প্রতিদানকারী। ৭৪৮১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা যখন আসমানে কোন নির্দেশ জারি করেন, ফেরেশ্তারা তাঁর নির্দেশের প্রতি বিনয় ও আনুগত্য প্রকাশের জন্য স্বীয় পাখাসমূহ হেলাতে থাকেন। তাদের পাখা হেলানোর শব্দটি যেন পাথরের উপর শিকলের ঝনঝনির ধ্বনি। বর্ণনাকারী বলেন, আলী এ ক্ষেত্রে শব্দটিকে সাফাওয়ান এবং অন্যরা সাফওয়ান পড়েছেন। এরপর ফেরেশ্তাদের অন্তর থেকে যখন ভীতি দূর করা হয় তখন তারা একে অপরকে বলতে থাকে, তোমাদের প্রতিপালক কী হুকুম জারি করেছেন? তাঁরা বলেন, তিনি বলেছেন, সত্য। তিনি মহান ও সর্বোচ্চ। বর্ণনাকারী ‘আলী ..... আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম فُزِّعَপড়েছেন। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেছেন যে, আমর (রহ.)-ও এভাবেই পড়েছেন। তিনি বলছেন, আমার জানা নেই, বর্ণনাকারী এরকম শুনেছেন কি না? তবে আমাদের কিরাআত এরকমই। [৪৭০১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 7482 — Sahih al Bukhari 97:108
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا أَذِنَ اللَّهُ لِشَىْءٍ مَا أَذِنَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ ". وَقَالَ صَاحِبٌ لَهُ يُرِيدُ أَنْ يَجْهَرَ بِهِ.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাঁর কোন এক নবী থেকে (মধুর সুরে) যেভাবে কুরআন শুনেছেন, সেভাবে আর কিছুই তিনি শোনেননি। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর এক সঙ্গী বলেছেন, يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ এর অর্থ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) উচ্চস্বরে কুরআন পড়া বোঝাতেন। [৫০২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 7483 — Sahih al Bukhari 97:109
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " يَقُولُ اللَّهُ يَا آدَمُ. فَيَقُولُ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ. فَيُنَادَى بِصَوْتٍ إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكَ أَنْ تُخْرِجَ مِنْ ذُرِّيَّتِكَ بَعْثًا إِلَى النَّارِ ".
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা আদমকে বলবেন, হে আদম! আদম (আঃ) জবাবে বলবেন, হে আল্লাহ্! তোমাদের নিকটে আমি হাযির, তোমার প্রতি আমি বহু ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অতঃপর আল্লাহ্ তাকে এ শব্দে ডাকবেন, আল্লাহ্ তোমাকে নির্দেশ করছেন, তোমার সন্তানদের মধ্য থেকে জাহান্নামে পাঠানোর জন্য একটি দলকে তুমি বের কর। [৩৩৪৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 7484 — Sahih al Bukhari 97:110
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ مَا غِرْتُ عَلَى امْرَأَةٍ مَا غِرْتُ عَلَى خَدِيجَةَ، وَلَقَدْ أَمَرَهُ رَبُّهُ أَنْ يُبَشِّرَهَا بِبَيْتٍ فِي الْجَنَّةِ.
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন নারীর ব্যাপারে আমি এত হিংসা করিনি, যতটা খাদিজাহ (রাঃ)-এর ব্যাপারে করেছি। আর তার কারণ এই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রব্ব তাঁকে আদেশ দিয়েছেন যে, খাদিজাহ (রাঃ)-কে জান্নাতের একটি ঘরের খোশ খবর পৌঁছে দিন। [৩৮১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 7485 — Sahih al Bukhari 97:111
حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ـ هُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ ـ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى إِذَا أَحَبَّ عَبْدًا نَادَى جِبْرِيلَ إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَبَّ فُلاَنًا فَأَحِبَّهُ فَيُحِبُّهُ جِبْرِيلُ، ثُمَّ يُنَادِي جِبْرِيلُ فِي السَّمَاءِ إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَبَّ فُلاَنًا فَأَحِبُّوهُ، فَيُحِبُّهُ أَهْلُ السَّمَاءِ وَيُوضَعُ لَهُ الْقَبُولُ فِي أَهْلِ الأَرْضِ ".
وَقَالَ مَعْمَرٌ وَإِنَّكَ لَتُلَقَّى الْقُرْآنَ أَيْ يُلْقَى عَلَيْكَ وَتَلَقَّاهُ أَنْتَ أَيْ تَأْخُذُهُ عَنْهُمْ وَمِثْلُهُ (فَتَلَقَّى آدَمُ مِنْ رَبِّهِ كَلِمَاتٍ) মা‘মার (রহ.) বলেন, إِنَّكَ لَتُلَقَّى الْقُرْآنَ এর অর্থ হচ্চে, তোমার উপর কুরআন অবতীর্ণ করা হয়। تَلَقَّاهُ أَنْتَ এর অর্থ তুমি কুরআন তাদের নিকট হতে গ্রহণ কর। যেমন বলা হয়েছে- فَتَلَقَّى آدَمُ مِنْ رَبِّهِ كَلِمَاتٍ আদম (আঃ) তাঁর রবেব নিকট থেকে কয়েকটি বাক্য গ্রহণ করলেন। ৭৪৮৫. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি জিবরীলকে ডেকে বলেন, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তাই তুমিও তাকে ভালবাস। কাজেই জিবরীল (আঃ) তাকে ভালবাসেন। অতঃপর জিবরীল (আঃ) আসমানে এ ঘোষণা করে দেন যে, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তোমরাও তাকে ভালবাস। তখন তাকে আসমানবাসীরা ভালবাসে এবং পৃথিবীবাসীদের মধ্যেও তাকে গ্রহণীয় করা হয়। [৩২০৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে ফেরেশতাগণ আসেন, একদল রাতে আর একদল দিনে। তাঁরা আবার একত্রিত হন ‘আসরের সালাতে ও ফজরের সালাতে। তারপর তোমাদের মাঝে যাঁরা রাতে ছিলেন তাঁরা উপরের জগতে চলে যান। তখন আল্লাহ্ তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, অথচ তিনি সবচেয়ে অধিক জানেন, তোমরা আমার বান্দাদেরকে কী অবস্থায় রেখে এসেছ? তখন তাঁরা বলেন, আমরা তাদেরকে সালাতরত অবস্থায় ছেড়ে এসেছি আর যখন আমরা তাদের কাছে গিয়েছিলাম, তখনও তারা সালাতের হালাতেই ছিল। [৫৫৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার কাছে জিবরীল (আঃ) এসে এ খোশখবর দিল যে, আল্লাহর সঙ্গে শারীক না করে কেউ মারা গেলে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদি সে চুরি ও যিনা করে তবুও কি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদিও সে চুরি করে ও যিনা করে। [১২৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
قَالَ مُجَاهِدٌ يَتَنَزَّلُ الأَمْرُ بَيْنَهُنَّ بَيْنَ السَّمَاءِ السَّابِعَةِ وَالأَرْضِ السَّابِعَةِ মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন, ‘ওদের মধ্যে নেমে আসে তাঁর হুকুম’- (সূরাহ আত্ ত্বলাক (তালাক) ৬৫/১২)। সপ্তম আকাশ ও সপ্তম যমীনের মাঝখানে। ৭৪৮৮. বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার বলেছেনঃ হে অমুক! যখন তুমি তোমার বিছানায় যাবে তখন বলবে, হে আল্লাহ্! আমি আমার নিজেকে তোমারই কাছে সোপর্দ করছি। আমার চেহারাকে তোমার দিকে ফিরাচ্ছি! আমার কর্ম তোমার কাছে সোপর্দ করছি। আমার নির্ভরতা তোমারই প্রতি আশা ও ভয় উভয় হালাতেই। তোমার নিকট ব্যতীত আর কোথাও আশ্রয় ও মুক্তির জায়গা নেই। আমি ঈমান এনেছি তোমার কিতাবের প্রতি যা তুমি নাযিল করেছ এবং তোমার নবীর প্রতি যাঁকে তুমি পাঠিয়েছ। অতঃপর এ রাতে যদি তোমার মওত হয়, তাহলে ফিত্রাতের ওপর তোমার মওত হবে। আর যদি (জীবিত থেকে) তোমার ভোর হয়, তুমি প্রতিদান পাবে। [২৪৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 7489 — Sahih al Bukhari 97:115
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الأَحْزَابِ " اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيعَ الْحِسَابِ، اهْزِمِ الأَحْزَابَ وَزَلْزِلْ بِهِمْ ". زَادَ الْحُمَيْدِيُّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي خَالِدٍ، سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ، سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم.
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহযাবের দিনে বলেছেনঃ কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী আল্লাহ্ তুমি দলগুলোকে পরাজিত কর এবং তাদেরকে প্রকম্পিত কর। [২৯৩৩] হুমায়দী (রহ.) এর বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে....‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি.....। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি কুরআনের আয়াতঃ ‘‘তুমি সালাতে স্বর উঁচু করবে না এবং খুবই ক্ষীণও করবে না....’’ (সূরাহ ইসরা ১৭/১১০)- এর তাফসীরে তিনি বলেন, এ আয়াতটি তখন নাযিল হয়, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় লুকিয়ে ছিলেন। সুতরাং যখন তিনি তাঁর স্বর উঁচু করতেন তাতে মুশরিকরা শুনে গালমন্দ করত কুরআনকে, কুরআন নাযিলকারীকে এবং যাঁর প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে তাঁকে। এ প্রেক্ষাপটে আল্লাহ্ বললেনঃ (হে নবী) তুমি সালাতে তোমার স্বর উচ্চ করবে না, যাতে মুশরিকরা শুনতে পায়। আর তা অতি ক্ষীণও করবে না যাতে তোমার সঙ্গীরাও শুনতে না পায়। এই দু’য়ের মধ্যপথ গ্রহণ কর। তুমি স্বর উচ্চ করবে না, তারা শুনে এভাবে পাঠ করবে যেন তারা তোমা হতে কুরআন শিখতে পারে। [৪৭২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)