أَخْبَرَنَا الصَّلْتُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا مَهْدِيٌّ، عَنْ وَاصِلٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، رَأَى رَجُلاً لاَ يُتِمُّ رُكُوعَهُ وَلاَ سُجُودَهُ، فَلَمَّا قَضَى صَلاَتَهُ قَالَ لَهُ حُذَيْفَةُ مَا صَلَّيْتَ ـ قَالَ وَأَحْسِبُهُ قَالَ ـ لَوْ مُتَّ مُتَّ عَلَى غَيْرِ سُنَّةِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم.
হুযাইফাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তার রুকু-সিজদা পুরোপুরি আদায় করছিল না। সে যখন সালাত শেষ করলো তখন তাকে হুযাইফাহ (রাযি.) বললেনঃ তোমার সালাত ঠিক হয়নি। রাবী বলেনঃ আমার মনে হয় তিনি (হুযাইফাহ) এ কথাও বলেছেন, (এ অবস্থায়) তোমার মৃত্যু হলে তা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর তরীকার বাইরে হবে। (৭৯১, ৮০৮ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের সময় উভয় বাহু পৃথক রাখতেন। এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেতো। লাইস (রহ.) বলেনঃ জা’ফর ইবনু রবী‘আহ্ (রহ.) আমার নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (৮০৭, ৩৫৬৪; মুসলিম ৪/৪৫, হাঃ ৪৯৫ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ,৩৭৭ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৩)৩৯০. ‘আবদুল্লাহ ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের সময় উভয় বাহু পৃথক রাখতেন। এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেতো। লাইস (রহ.) বলেনঃ জা’ফর ইবনু রবী‘আহ্ (রহ.) আমার নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (৮০৭, ৩৫৬৪; মুসলিম ৪/৪৫, হাঃ ৪৯৫ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ,৩৭৭ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
يَسْتَقْبِلُ بِأَطْرَافِ رِجْلَيْهِ قَالَ أَبُو حُمَيْدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. আবূ হুমায়দ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এরূপ বর্ণনা করেছেন। ৩৯১. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, আমাদের ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হয় আর আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সে-ই মুসলিম, যার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যিম্মাদার। সুতরাং তোমরা আল্লাহর যিম্মাদারীতে বিশ্বাসঘাতকতা করো না। (৩৯২, ৩৯৩ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাকে লোকের বিরুদ্ধে জিহাদ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা ‘‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’’ স্বীকার করবে। যখন তারা তা স্বীকার করে নেয়, আমাদের মত সালাত আদায় করে, আমাদের ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)মুখী হয় এবং আমাদের যবহ করা প্রাণী খায়, তখন তাদের জান-মালসমূহ আমাদের জন্যে হারাম হয়ে যায়। অবশ্য রক্তের বা সম্পদের দাবীর কথা ভিন্ন। আর তাদের হিসাব আল্লাহর নিকট। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) হুমায়দ হতে (রহ.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ মায়মূন ইবনু সিয়াহ আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আবূ হামযাহ! কিসে মানুষের জান-মাল হারাম হয়? তিনি জবাব দিলেন, যে ব্যক্তি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ্’র সাক্ষ্য দেয়, আমাদের ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)মুখী হয়, আমাদের মত সালাত আদায় করে, আর আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সেই মুসলিম। অন্য মুসলিমের মতই তার অধিকার রয়েছে। আর অন্য মুসলিমদের মতই তাকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হবে। ইবনু আবূ মারইয়াম, ইয়াহ্ইয়া ইবনু আয়ুব (রহ.).....আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে (অনুরূপ) বর্ণনা করেন। (৩৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৯ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৫ শেষাংশ)
হাদিস 394 — Sahih al Bukhari 8:46
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا أَتَيْتُمُ الْغَائِطَ فَلاَ تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ وَلاَ تَسْتَدْبِرُوهَا، وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا ". قَالَ أَبُو أَيُّوبَ فَقَدِمْنَا الشَّأْمَ فَوَجَدْنَا مَرَاحِيضَ بُنِيَتْ قِبَلَ الْقِبْلَةِ، فَنَنْحَرِفُ وَنَسْتَغْفِرُ اللَّهَ تَعَالَى. وَعَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أَيُّوبَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ.
لِقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لاَ تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা পায়খানা বা পেশাব করতে ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)মুখী হবে না, বরং তোমরা (উত্তর অঞ্চলের অধিবাসীরা) পূর্বদিকে কিংবা পশ্চিম দিকে মুখ ফিরাবে। ৩৯৪. আবূ আইয়ূব আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা পায়খানা করতে যাও, তখন ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হর দিকে মুখ করবে না কিংবা পিঠও দিবে না, বরং তোমরা পূর্ব দিকে অথবা পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে। আবূ আইয়ূব আনসারী (রাযি.) বলেনঃ আমরা যখন সিরিয়ায় এলাম তখন পায়খানাগুলো ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)মুখী বানানো পেলাম। আমরা কিছুটা ঘুরে বসতাম এবং আল্লাহ তা‘আলার নিকট তওবা ইসতিগফার করতাম। যুহরী (রহ.) ‘আত্বা (রহ.) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, আমি আবূ আইয়ূব (রাযি.)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হতে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি। (১৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আমরা জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযি.)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি বলেছেনঃ সাফা-মারওয়ায় সা‘ঈ করার আগ পর্যন্ত স্ত্রীর নিকটবর্তী (সহবাস) হবে না। (১৬২৪, ১৬৪৬, ১৭৯৪; মুসলিম ১৫/২৮, হাঃ ১২৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮১ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৭ শেষাংশ)
আমরা জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযি.)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি বলেছেনঃ সাফা-মারওয়ায় সা‘ঈ করার আগ পর্যন্ত স্ত্রীর নিকটবর্তী (সহবাস) হবে না। (১৬২৪, ১৬৪৬, ১৭৯৪; মুসলিম ১৫/২৮, হাঃ ১২৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮১ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৭ শেষাংশ)
হাদিস 397 — Sahih al Bukhari 8:48
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سَيْفٍ، قَالَ سَمِعْتُ مُجَاهِدًا، قَالَ أُتِيَ ابْنُ عُمَرَ فَقِيلَ لَهُ هَذَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ الْكَعْبَةَ. فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ فَأَقْبَلْتُ وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَدْ خَرَجَ، وَأَجِدُ بِلاَلاً قَائِمًا بَيْنَ الْبَابَيْنِ، فَسَأَلْتُ بِلاَلاً فَقُلْتُ أَصَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي الْكَعْبَةِ قَالَ نَعَمْ رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ السَّارِيَتَيْنِ اللَّتَيْنِ عَلَى يَسَارِهِ إِذَا دَخَلْتَ، ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى فِي وَجْهِ الْكَعْبَةِ رَكْعَتَيْنِ.
মুজাহিদ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর নিকট এলেন, এবং বললেনঃ ইনি হলেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম , তিনি কা‘বা ঘরে প্রবেশ করেছেন। ইবনু ‘উমার বলেনঃ আমি সেদিকে এগিয়ে গেলাম এবং দেখলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা’বা হতে বেরিয়ে পড়েছেন। আমি বিলাল (রাযি.)-কে দুই কপাটের মাঝখানে দাঁড়ানো দেখে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি কা‘বা ঘরের অভ্যন্তরে সালাত আদায় করেছেন? তিনি জবাব দিলেন, হাঁ, কা‘বায় প্রবেশ করার সময় তোমার বাঁ দিকের দুই স্তম্ভের মাঝখানে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর তিনি বের হলেন এবং কা‘বার সামনে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। (৪৬৮, ৫০৪, ৫০৫, ৫০৬, ১১৬৭, ১৫৯৮, ১৫৯৯, ২৯৮৮, ৪২৮৯, ৪৪০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ,৩৮২ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বায় প্রবেশ করেন, তখন তার সকল দিকে দু‘আ করেছেন, সালাত আদায় না করেই বেরিয়ে এসেছেন এবং বের হবার পর কা‘বার সামনে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন, এবং বলেছেন, এটাই ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হ। (১৬০১, ৩৩৫১, ৩৩৫২, ৪২২৮; মুসলিম ১৫/৬৮ হাঃ ১৩৩০, আহমাদ ২১৮১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)