حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ، أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ {أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الأَمْرِ مِنْكُمْ}. قَالَ نَزَلَتْ فِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُذَافَةَ بْنِ قَيْسِ بْنِ عَدِيٍّ، إِذْ بَعَثَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي سَرِيَّةٍ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, أَطِيْعُوا اللهَ وَأَطِيْعُوا الرَّسُوْلَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফাহ ইবনু ক্বায়স ইবনু আদী সম্পর্কে যখন তাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সৈন্য দলের দলনায়ক করে প্রেরণ করেছিলেন। [মুসলিম ৩৩/৮, হাঃ ১৮৩৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
‘উরওয়াহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, হাররা বা মদিনার কঙ্করময় ভূমিতে একটি পানির নালাকে কেন্দ্র করে একজন আনসার যুবায়র (রাঃ)-এর সাথে ঝগড়া করেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে যুবায়র! প্রথমত তুমি তোমার জমিতে পানি দাও, তারপর তুমি প্রতিবেশীর জমিতে পানি ছেড়ে দেবে। আনসারী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে আপনার ফুফাত ভাই, তাই এই ফয়সালা। এতে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা রক্তিম হয়ে গেল। তারপর তিনি বললেন, হে যুবায়র! তুমি তোমার জমিতে পানি দাও। তারপর সেচ নালা ভর্তি করে পানি রাখো, অতঃপর তোমার প্রতিবেশিকে পানি দাও। আনসারী যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রাগান্বিত করলেন তখন তিনি তার হক পুরোপুরি যুবায়র (রাঃ)-কে প্রদানের জন্য স্পষ্ট নির্দেশ দিলেন। তাদেরকে প্রথমে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে প্রশস্ততা ছিল। যুবায়র (রাঃ) বলেন, فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُوْنَ حَتّٰى يُحَكِّمُوْكَ فِيْمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ আয়াতটি এ উপলক্ষে অবতীর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি। [২৩৬০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4586 — Sahih al Bukhari 65:108
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَوْشَبٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَا مِنْ نَبِيٍّ يَمْرَضُ إِلاَّ خُيِّرَ بَيْنَ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ ". وَكَانَ فِي شَكْوَاهُ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ أَخَذَتْهُ بُحَّةٌ شَدِيدَةٌ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ {مَعَ الَّذِينَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ مِنَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ} فَعَلِمْتُ أَنَّهُ خُيِّرَ.
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, প্রত্যেক নবী অন্তিম সময়ে পীড়িত হলে তাঁকে দুনিয়া ও আখিরাতের যে কোন একটি গ্রহণ করতে বলা হয়। যে অসুখে তাঁকে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে সে অসুখে তাঁর ভীষণ শ্বাসকষ্ট আরম্ভ হয়েছিল। সে সময় আমি তাঁকে مَعَ الَّذِيْنَ أَنْعَمَ اللهُ عَلَيْهِمْ مِنَ النَّبِيِّيْنَ وَالصِّدِّيْقِيْنَ وَالشُّهَدَآءِ وَالصَّالِحِيْنَ তাঁরা নবীগণ, সত্যপরায়ণ, শহীদ ও সৎকর্মশীল যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ বর্ষণ করেছেন, তাঁদের সঙ্গী হবেন (সূরাহ আন-নিসা ৪/৬৯) বলতে শুনেছি। এরপর আমি বুঝে নিয়েছি যে, তাঁকে (দুনিয়া বা আখিরাতে) যে কোন একটি বেছে নেয়ার অবকাশ দেয়া হয়েছে। [৪৪৩৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি তিনি বলেছেন যে, আমি এবং আমার আম্মা (আয়াতে বর্ণিত) অসহায়দের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। [১৩৫৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) إِلَّا الْمُسْتَضْعَفِيْنَ مِنَ الرِّجَالِ وَالنِّسَآءِ وَالْوِلْدَانِ -‘‘তবে যেসব অসহায় পুরুষ, নারী ও শিশু .......’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৮) আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন এবং বললেন, আল্লাহ যাদের অক্ষমতাকে অনুমোদন করেছেন আমি এবং আমার আম্মা তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত حَصِرَتْ-সংকুচিত হয়েছে। تَلْوُوْا أَلْسِنَتَكُمْ بِالشَّهَادَةِ-সাক্ষ্য দিতে তাদের জিহবা বক্র হয়। الْمُهَاجَرُ-الْمُرَاغَمُ -হিজরাতের স্থান, رَاغَمْتُ قَوْمِي-আমার গোত্রকে ত্যাগ করেছি, مَوْقُوْتًا এবং مُوَقَّتًا-তাদের উপর সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। [১৩৫৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4589 — Sahih al Bukhari 65:111
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَدِيٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِت ٍ ـ رضى الله عنه ـ {فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِينَ فِئَتَيْنِ} رَجَعَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ أُحُدٍ، وَكَانَ النَّاسُ فِيهِمْ فِرْقَتَيْنِ فَرِيقٌ يَقُولُ اقْتُلْهُمْ. وَفَرِيقٌ يَقُولُ لاَ فَنَزَلَتْ {فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِينَ فِئَتَيْنِ} وَقَالَ " إِنَّهَا طَيْبَةُ تَنْفِي الْخَبَثَ كَمَا تَنْفِي النَّارُ خَبَثَ الْفِضَّةِ ".
قَالَ : ابْنُ عَبَّاسٍ : بَدَّدَهُمْ. (فِئَةٌ) : جَمَاعَةٌ. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, بَدَّدَهُمْ-তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করেছেন, فِئَةٌ-দল। ৪৫৮৯. যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِيْنَ فِئَتَيْنِ -উহূদের যুদ্ধ থেকে একদল লোক দলত্যাগ করে ফিরে এসেছিল, এরপর তাদের ব্যাপারে লোকেরা দু’দল হয়ে গেল, একদল বলছে তাদেরকে হত্যা করে ফেল; অপরদল বলছে তাদেরকে হত্যা করো না, তখন অবতীর্ণ হলঃ فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِيْنَ فِئَتَيْنِ অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এই মদিনা হল পবিত্র স্থান, আগুন যেভাবে রৌপ্যের কালিমা দূর করে এটাও অপবিত্রতা দূর করে দেয়। [১৮৮৪; মুসলিম ১৫/৮৮, হাঃ ১৩৮৪, আহমাদ ২১৬৫৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
بَاب : (وَإِذَا جَآءَهُمْ أَمْرٌ مِّنَ الْأَمْنِ أَوِ الْخَوْفِ أَذَاعُوْا بِهٰ) أَيْ أَفْشَوْهُ ৬৫/৪/১৬. অধ্যায়: আল্লাহর বাণীঃ আর যখন তাদের কাছে পৌঁছে কোন সংবাদ নিরাপত্তা কিংবা ভয় সংক্রান্ত, তখন তারা তা প্রচার করে দেয়। (সূরাহ আন-নিসা ৪/৮৩) (يَسْتَنْبِطُوْنَهُ) : يَسْتَخْرِجُوْنَهُ. (حَسِيْبًا) كَافِيًا. (إِلَّا إِنَاثًا) : يَعْنِي الْمَوَاتَ حَجَرًا أَوْ مَدَرًا وَمَا أَشْبَهَهُ. (مَرِيْدًا) مُتَمَرِّدًا. (فَلَيُبَتِّكُنَّ) بَتَّكَهُ قَطَّعَهُ. (قِيْلًا) وَقَوْلًا وَاحِدٌ. (طَبَعَ) خَتَمَ. يَسْتَنْبِطُوْنَهُ তারা সেটির ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। حَسِيْبًا যথেষ্ট। إِلَّا إِنَاثًا বলা হয় প্রাণহীন ও অচেতন পদার্থকে যেমন- পাথর বা অনুরূপ পদার্থ। مَرِيْدًا বিদ্রোহী। فَلَيُبَتِّكُنَّ কান ছিদ্র করা। وَقَوْلًا ও قِيْلًا এর একই অর্থাৎ ‘বলা’। طَبَعَ সীলমোহরকৃত। ৪৫৯০. সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, এই আয়াত সম্পর্কে কূফাবাসীগণ ভিন্ন ভিন্ন মত প্রকাশ করল। (কেউ বলেন মানসূখ, কেউ বলেন মানসূখ নয়। এ ব্যাপারে আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে গেলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, উত্তরে তিনি বললেন, وَإِنْ كُنْتُمْ مَرْضٰى أَوْ عَلٰى سَفَرٍ أَوْ جَآءَ أَحَدٌ مِّنْكُمْ مِّنَ الْغَآئِطِ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে এবং এটি শেষের দিকে অবতীর্ণ আয়াত; এটাকে কোন কিছু রহিত করেনি। [৩৮৫৫; মুসলিম ৫৪/হাঃ ৩০২৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
السِّلْمُ وَالسَّلَمُ وَالسَّلَامُ وَاحِدٌ. السِّلْمُ এবং السَّلَمُ একরূপ, শান্তি। ৪৫৯১. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, وَلَا تَقُوْلُوْا لِمَنْ أَلْقٰى إِلَيْكُمْ السَّلَامَ لَسْتَ مُؤْمِنًا আয়াতের ঘটনা হচ্ছে এই যে, এক ব্যক্তির কিছু ছাগল ছিল, মুসলিমদের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হলে সে তাঁদেরকে বলল ‘‘আস্সালামু আলাইকুম’’, মুসলিমরা তাকে হত্যা করল এবং তার ছাগলগুলো নিয়ে নিল, এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা এই আয়াত অবতীর্ণ করলেন عَرَضَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا -পার্থিব সম্পদের লালসায়-আর সে সম্পদ হচ্ছে এ ছাগল পাল। ‘আত্বা (রহ.) বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) السَّلَامَ পড়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُوْنَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُجَاهِدُوْنَ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ আয়াতটি লেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে বলছিলেন এমন সময় ইবনু উম্মু মাকতুম (রাঃ) তাঁর কাছে আসলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহর শপথ, যদি আমার জিহাদ করার ক্ষমতা থাকত তা হলে অবশ্যই জিহাদ করতাম। তিনি অন্ধ ছিলেন। এরপর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর ওয়াহী নাযিল করলেন, এমন অবস্থায় যে তাঁর উরু আমার উরুর উপর ছিল তা আমার কাছে এতই ভারী লাগছিল যে, আমি আমার উরু ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা করছিলাম। তারপর তাঁর থেকে এই অবস্থা কেটে গেল, আর আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করলেনঃ غَيْرَ أُولِي الضَّرَرِ-অক্ষম ব্যক্তিরা ব্যতীত- (সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৫)। [২৮৩২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4593 — Sahih al Bukhari 65:115
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ {لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ} دَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم زَيْدًا فَكَتَبَهَا، فَجَاءَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ فَشَكَا ضَرَارَتَهُ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ {غَيْرَ أُولِي الضَّرَرِ}
বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, যখন لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُوْنَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ ..... আয়াতটি অবতীর্ণ হল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়দ (রাঃ)-কে ডাকলেন। তিনি তা লিখে নিলেন। ইবনু উম্মু মাকতুম (রাঃ) তাঁর অক্ষমতার ওযর পেশ করলেন, আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করলেনঃ غَيْرَ أُولِي الضَّرَرِ অক্ষম ব্যক্তিরা ব্যতীত- (সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৫)। [২৮৩১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)