(অন্য এক সনদে) মুহাম্মাদ ইবনু শিহাব (রহ.) আবূ সালামাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ)-এর মাধ্যমে জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়াহী বন্ধ হওয়া প্রসঙ্গে বলেছেন, এক সময় আমি পথ চলছিলাম। হঠাৎ আকাশ থেকে একটি শব্দ শুনতে পেলাম। আমি মাথা তুলে তাকালাম। দেখলাম, যে ফেরেশতা আমার কাছে হেরা গুহায় আসতেন, তিনিই আসমান ও যমীনের মাঝে বিদ্যমান কুরসীতে বসে আছেন। এতে আমি ভয় পেয়ে গেলাম। তাই বাড়িতে ফিরে বললাম, আমাকে বস্ত্রাবৃত কর, আমাকে বস্ত্রাবৃত কর। সুতরাং সকলেই আমাকে বস্ত্রাবৃত করল। তখন আল্লাহ্ তা’আলা অবতীর্ণ করলেন, ‘‘হে বস্ত্রাবৃত রাসূল! উঠুন, সতর্ক করুন, আর আপনার রবের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করুন, এবং স্বীয় পরিধেয় বস্ত্র পবিত্র রাখুন এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকুন’’- (সূরাহ আল-মুদ্দাস্সির ৭৪/১-৫)। আবূ সালামাহ (রাঃ) বলেন, আরবরা জাহিলী যুগে যে সব মূর্তির পূজা করত الرُّجْزَ বলে ঐ সব মূর্তিকেই বোঝানো হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর থেকে ওয়াহীর ধারা চলতে থাকে। [৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4955 — Sahih al Bukhari 65:477
حَدَّثَنَا ابْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ أَوَّلُ مَا بُدِئَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ فَجَاءَهُ الْمَلَكُ فَقَالَ {اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ * خَلَقَ الإِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍ * اقْرَأْ وَرَبُّكَ الأَكْرَمُ}
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রথমত রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি ওয়াহী আরম্ভ হয়েছিল সত্য স্বপ্নের মাধ্যমে। এরপর তাঁর কাছে ফেরেশতা এসে বললেন, পাঠ করুন আপনার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। যিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত পিন্ড থেকে। পাঠ করুন, আর আপনার রব অতিশয় দয়ালু’’- (সূরাহ আলাক ৯৬/১-৫)। [৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4956 — Sahih al Bukhari 65:478
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، ح وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، قَالَ مُحَمَّدُ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها. أَوَّلُ مَا بُدِئَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الرُّؤْيَا الصَّادِقَةُ جَاءَهُ الْمَلَكُ فَقَالَ {اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ * خَلَقَ الإِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍ * اقْرَأْ وَرَبُّكَ الأَكْرَمُ * الَّذِي عَلَّمَ بِالْقَلَمِ}
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি সত্য স্বপ্নের মাধ্যমে ওয়াহীর শুরু হয়। এরপর তাঁর কাছে ফেরেশতা এসে বললেন, ‘‘পাঠ কর, তোমার প্রতিপালকের নামে , যিনি সৃষ্টি করেছেন, সৃষ্টি করেছেন মানুষকে আলাক হতে। পাঠ কর, আর তোমার প্রতিপালকমহা মহিমান্বিত’’- (সূরাহ আলাক ৯৬/১-৫)। [৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4957 — Sahih al Bukhari 65:479
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ سَمِعْتُ عُرْوَةَ، قَالَتْ عَائِشَةُ ـ رضى الله عنها ـ فَرَجَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى خَدِيجَةَ فَقَالَ " زَمِّلُونِي زَمِّلُونِي ". فَذَكَرَ الْحَدِيثَ
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদীজা (রাঃ)-এর কাছে ফিরে এসে বললেন, আমাকে বস্ত্রাবৃত কর, আমাকে বস্ত্রাবৃত কর। এরপর রাবী সম্পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করলেন। [৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ জাহ্ল বলেছিল, আমি যদি মুহাম্মাদকে কা‘বার পাশে সালাত আদায় করতে দেখি তাহলে অবশ্যই আমি তার ঘাড় পদদলিত করব। এ খবর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে পৌঁছার পর তিনি বললেন, সে যদি তা করে তাহলে অবশ্যই ফেরেশতা তাকে পাকড়াও করবে। ‘উবাইদুল্লাহর মাধ্যমে ‘আবদুল থেকে আমর ইবনু খালিদ এ হাদীস বর্ণনা করতে গিয়ে উপরোক্ত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4959 — Sahih al Bukhari 65:481
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، سَمِعْتُ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لأُبَىٍّ. " إِنَّ اللَّهَ أَمَرَنِي أَنْ أَقْرَأَ عَلَيْكَ {لَمْ يَكُنِ الَّذِينَ كَفَرُوا} ". قَالَ وَسَمَّانِي قَالَ " نَعَمْ ". فَبَكَى.
سُوْرَةُ القدر সূরাহ (৯৭) : ক্বদর يُقَالُ الْمَطْلَعُ هُوَ الطُّلُوْعُ وَالْمَطْلِعُ الْمَوْضِعُ الَّذِيْ يُطْلَعُ مِنْهُ (أَنْزَلْنَاهُ) الْهَاءُ كِنَايَةٌ عَنِ الْقُرْآنِ إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ خَرَجَ مَخْرَجَ الْجَمِيْعِ وَالْمُنْزِلُ هُوَ اللهُ وَالْعَرَبُ تُوَكِّدُ فِعْلَ الْوَاحِدِ فَتَجْعَلُهُ بِلَفْظِ الْجَمِيْعِ لِيَكُوْنَ أَثْبَتَ وَأَوْكَدَ. الْمَطْلَعُ বলা হয় উদয় হওয়াকে, পক্ষান্তরে, الْمَطْلِعُ মানে উদয়স্থল। أَنْزَلْنَاهُ এর ه দ্বারা আল-কুরআনের প্রতি ইশারা করা হয়েছে। এখানে বহুবচনের শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও একবচনের গ্রহণ করা হয়েছে। কেননা, কুরআন অবতীর্ণকারী হলেন আল্লাহ্ তা‘আলা। বস্তুত কোন বস্তুর গুরুত্ব প্রকাশ বা জোরালো ভাব প্রকামের জন্য আরবরা একবচনের স্থলে বহুবচনে ব্যবহার করে থাকে। (98) سُوْرَةُ البينة [لَمْ يَكُنْ] সূরাহ (৯৮) : বাইয়্যিনাহ مُنْفَكِّيْنَ زَائِلِيْنَ قَيِّمَةٌ الْقَائِمَةُ دِيْنُ الْقَيِّمَةِ أَضَافَ الدِّيْنَ إِلَى الْمُؤَنَّثِ مُنْفَكِّيْنَবিচলিত ও পদস্খলিত। قَيِّمَةٌ সঠিক। دِيْنُالْقَيِّمَةِ এর মাঝে دِيْنُ শব্দটিকে স্ত্রী লিঙ্গের দিকে اضافت করা হয়েছে। ৪৯৫৯. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বলেছিলেন, তোমাকে لَمْ يَكُنِالَّذِيْنَ كَفَرُوْا (সূরা) পড়ে শোনানোর জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আমাকে আদেশ করেছেন। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা কি আমার নাম উল্লেখ করে বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ; এ কথা শুনে উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) কাঁদতে লাগলেন। [৩৮০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4960 — Sahih al Bukhari 65:482
حَدَّثَنَا حَسَّانُ بْنُ حَسَّانَ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لأُبَىٍّ " إِنَّ اللَّهَ أَمَرَنِي أَنْ أَقْرَأَ عَلَيْكَ الْقُرْآنَ ". قَالَ أُبَىٌّ آللَّهُ سَمَّانِي لَكَ قَالَ " اللَّهُ سَمَّاكَ لِي ". فَجَعَلَ أُبَىٌّ يَبْكِي. قَالَ قَتَادَةُ فَأُنْبِئْتُ أَنَّهُ قَرَأَ عَلَيْهِ {لَمْ يَكُنِ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ}
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-কে বলেছিলেন, তোমাকে কুরআন পড়ে শোনানোর জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আমাকে আদেশ করেছেন। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা কি আপনার কাছে আমার নাম উল্লেখ করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমার নাম উল্লেখ করেছেন। এ কথা শুনে উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) কাঁদতে বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমার নাম উল্লেখ করেছেন। এ কথা শুনে উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) কাঁদতে শুরু করলেন। ক্বাতাদাহ (রহ.) বলেন, আমাকে জানানো হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে لَمْ يَكُنِ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ পাঠ করে শুনিয়েছিলেন। [৩৮০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-কে বলেছিলেন, তোমাকে কুরআন পাঠ করে শোনানোর জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আমাকে আদেশ করেছেন। এ কথা শুনে তিনি বললেন, আল্লাহ তা‘আলা কি আপনার কাছে আমার নাম উল্লেখ করেছেন? তিনি বললেন,হ্যাঁ। তখন উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বিস্মিত হয়ে আবার জিজ্ঞেস করলেন, বিশ্বজাহাজেন প্রতিপালকের কাছে কি আমার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে? উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। এ কথা শুনে তা দু’চোখ অশ্রুতে ভরে উঠল। [৩৮০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
سُوْرَةُ إِذَا زُلْزِلَتْ الْأَرْضُ (زِلْزَالَهَا) সূরাহ (৯৯) : ইযা যুলযিলাতিল আরযু (যিলযাল) يُقَالُ (أَوْحٰى لَهَا) أَوْحَى إِلَيْهَا وَوَحَى لَهَا وَوَحَى إِلَيْهَا وَاحِدٌ. বলা হয়, وَوَحَى لَهَا ও وَوَحَى إِلَيْهَا শব্দ দু’টির অর্থ একই। ৪৯৬২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিন শ্রেণীর মানুষের ঘোড়া থাকে। এক শ্রেণীর মানুষের জন্য তা সওয়াব ও পুরস্কারের কারণ হয়, এক শ্রেণীর মানুষের জন্য তা (গুনাহ্ থেকে) আবরণস্বরূপ এবং এক শ্রেণীর মানুষের প্রতি তা হয় গুনাহর কারণ। যার জন্য তা সওয়াবের কারণ হয়, তারা সেসব লোক, যারা আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য তা প্রস্তুত করে রাখে এবং কোন চারণ ক্ষেত্রে বা বাগানে লম্বা দড়ি দিয়ে তাকে বেঁধে রাখে। দড়ির আওতায় চারণ ক্ষেত্রে বা বাগানে সে যা কিছু খায় তা ঐ ব্যক্তির জন্য নেকী হিসাবে গণ্য হয়। যদি ঘোড়াটি দড়ি ছিঁড়ে ফেলে এবং নিজ স্থান পার হয়ে এক/দু’ উঁচু স্থানে চলে যায়, তাহলে তার পদচিহ্ন ও গোবরের বিনিময়েও ঐ ব্যক্তি সওয়াব লাভ করবে। আর ঘোড়াটি যদি কোন নহরের কিনারায় গিয়ে নিজে নিজেই পানি পান করে নেয়-মালিকের সেখান থেকে পানি পান করানোর ইচ্ছা না থাকলেও সে ব্যক্তি এর বিনিময়ে সওয়াবের অধিকারী হবে। এ ঘোড়া এ ব্যক্তির জন্য হল সওয়াবের কারণ; আরেক শ্রেণীর লোক যাদের জন্য এ ঘোড়া (গুনাহ্ হতে) আড়াল, তারা ঐ ব্যক্তি যারা মানুষের থেকে মুখাপেক্ষী না থাকার জন্য এবং মানুষের কাছে হাত পাতা থেকে বেঁচে থাকার জন্য তা পালন করে থাকে। কিন্তু তাতে আল্লাহর যে হক রয়েছেতা দিয়ে ভুলে যায় না। এ শ্রেণীর মানুষের জন্য এ ঘোড়া হচ্ছে পর্দা। আরেক শ্রেণীর ঘোড়ার মালিক যারা গর্ব দেখানোর মনোভাব ও দুশমনির উদ্দেশে ঘোড়া রাখে। এ ঘোড়া হচ্ছে গুনাহর কারণ। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে গাধা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, একক ও ব্যাপক অর্থবোধক এ একটি মাত্র আয়াত ব্যতীত এ বিষয়ে আল্লাহ্ তা‘আলা আমার প্রতি আর কোন আয়াত অবতীর্ণ করেননি। আয়াতটি এইঃ ‘‘কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে সে তা দেখবে এবং অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে সে তাও দেখবে’’- (সূরাহ যিলযাল ৯৯/৭-৮)। [২৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4963 — Sahih al Bukhari 65:485
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي مَالِكٌ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضى الله عنه سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْحُمُرِ فَقَالَ " لَمْ يُنْزَلْ عَلَىَّ فِيهَا شَىْءٌ إِلاَّ هَذِهِ الآيَةُ الْجَامِعَةُ الْفَاذَّةُ {فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ * وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ}".
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে গাধা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, এ বিষয়ে একক ও ব্যাপক অর্থবোধক এই আয়াতটি ছাড়া আমার প্রতি আর কোন আয়াতই অবতীর্ণ করা হয়নি। আয়াতটি হচ্ছে এইঃ ‘‘কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে সে তা দেখবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে সে তাও দেখবে’’- (সূরাহ যিলযাল ৯৯/৭-৮)। [২৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)