যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সালাতের মধ্যে কথাবার্তা বলতাম আর আমাদের কেউ অন্য ভাইয়ের প্রয়োজন নিয়ে কথা বলতেন। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ حَافِظُوْا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَقُوْمُوْا لِلهِ قَانِتِيْنَ তখন আমাদেরকে চুপ থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। [১২০০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالًا أَوْ رُكْبَانًا فَإِذَآ أَمِنْتُمْ فَاذْكُرُوا اللهَ كَمَا عَلَّمَكُمْ مَا لَمْ تَكُوْنُوْا تَعْلَمُوْنَ) وَقَالَ ابْنُ جُبَيْرٍ : (وَسِعَ كُرْسِيُّهُ) : عِلْمُهُ’ يُقَالُ (بَسْطَةً) زِيَادَةً وَفَضْلًا. (أَفْرِغْ)أَنْزِلْ، (وَلَا يَئُوْدُهُ) : لَا يُثْقِلُهُ، آدَنِيْ : أَثْقَلَنِيْ وَالْآدُ وَالأَيْدُ : الْقُوَّةُ. (السِّنَةُ) : نُعَاسٌ. (لَمْ يَتَسَنَّهْ) : لَمْ يَتَغَيَّرْ. (فَبُهِتَ) :ذَهَبَتْ حُجَّتُهُ. (خَاوِيَةٌ) : لَا أَنِيْسَ فِيْهَا. (عُرُوْشُهَا) أَبْنِيَتُهَا. (السِّنَةُ) : نُعَاسٌ. (نُنْشِرُهَا) : نُخْرِجُهَا. (إِعْصَارٌ) : رِيْحٌ عَاصِفٌ تَهُبُّ مِنَ الْأَرْضِ إِلَى السَّمَاءِ كَعَمُوْدٍ فِيْهِ نَارٌ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ :(صَلْدًا) لَيْسَ عَلَيْهِ شَيْءٌ وَقَالَ عِكْرِمَةُ (وَابِلٌ)مَطَرٌ شَدِيْدٌ (الطَّلُّ)النَّدَى وَهَذَا مَثَلُ عَمَلِ الْمُؤْمِنِ يَتَسَنَّهْ يَتَغَيَّرْ. ‘‘তবে যদি তোমরা আশঙ্কা কর তবে পদচারী অথবা আরোহী অবস্থায়; যখন তোমরা নিরাপদ বোধ কর তখন আল্লাহকে স্মরণ করবে, যেভাবে তিনি তোমাদের শিক্ষা দিয়েছেন যা তোমরা জানতে না।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৩৯) ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলেন, كُرْسِيُّهُ আল্লাহর কুরসীর অর্থ হলঃ عِلْمُهُ তাঁর জ্ঞান। আর بَسْطَةً অতিরিক্ত ও অধিক। أَفْرِغْ অবতীর্ণ কর। يَئُوْدُهُ ভারী ও বোঝা বোধ হয় না তাঁর। যেমন آدَنِيْ أَثْقَلَنِيْ শক্ত ও ভারী করেছে আমাকে। الآدُ وَالأَيْدُ শক্ত ও শক্তি। فَبُهِتَ তার দলীল-প্রমাণ শেষ হয়ে গেছে। خَاوِيَةٌ বিরান, জনশূন্য, عُرُوْشُهَا বুনিয়াদ ও ভিত্তি, السِّنَةُ তন্দ্রা, ঝিমুনি, نُنْشزُهَا আমি খাড়া করছি বা উঠাচ্ছি। إِعْصَارٌ ঝড়ো বাতাস বা ঘূর্ণি বায়ু যা ভূমি থেকে আকাশের দিকে প্রলম্বিত হয় এবং এর মধ্যে আগুন বা লু থাকে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ صَلْدًا মসৃণ পরিচ্ছ্ন্ন পাথর যার উপর কিছু্ই থাকে না। ‘ইকরামাহ বলেছেনঃ وَابِلٌ মুষলধারে বৃষ্টি। الطَّلُّ শিশির। এ দ্বারা ঈমানদার ব্যক্তির ‘আমলের উদাহরণ দেয়া হয়েছে। يَتَسَنَّهْ বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়ে যায়নি। ৪৫৩৫. নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে যখন সালাতুল খাওফ (যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর ভয় থাকা অবস্থায় সালাত) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হত তখন তিনি বলতেন, ইমাম সামনে যাবেন এবং একদল লোকও জামা‘আতে শামিল হবে। তিনি তাদের সঙ্গে এক রাক‘আত সালাত আদায় করবেন এবং তাদের আর একদল জামা‘আতে শামিল না হয়ে তাদের ও শত্রুর মাঝখানে থেকে যারা সালাত আদায় করেনি তাদের পাহারা দিবে। ইমামের সঙ্গে যারা এক রাক‘আত সালাত আদায় করেছে তারা পেছনে গিয়ে যারা এখনও সালাত আদায় করেনি তাদের স্থানে দাঁড়াবে কিন্তু সালাম ফেরাবে না। যারা সালাত আদায় করেনি তারা আগে বাড়বে এবং ইমামের সঙ্গে এক রাক‘আত আদায় করবে। তারপর ইমাম সালাত হতে নিষ্ক্রান্ত হবেন। কেননা তিনি দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। এরপর উভয় দল দাঁড়িয়ে নিজে নিজে বাকি এক রাক‘আত ইমামের সালাত শেষে আদায় করে নেবে। তাহলে প্রত্যেক জনেরই দু’ রাক‘আত সালাত আদায় হয়ে যাবে। ভয়-ভীতি এর চেয়েও অধিক হলে নিজে নিজে দাঁড়িয়ে অথবা যানবাহনে আরোহী অবস্থায় কিবলার দিকে মুখ করে বা যেদিকে সম্ভব মুখ করে সালাত আদায় করবে। ইমাম মালিক (রহ.) বলেন, ইমাম নাফি‘ (রহ.) বলেন, আমি অবশ্য মনে করি ইবনু ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেই এই হাদীস বর্ণনা করেছেন। [৯৪২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু যুবায়র (রাঃ) বললেন, আমি ‘উসমান (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, সূরাহ আল-বাকারাহর এ আয়াতটি وَالَّذِيْنَ يُتَوَفَّوْنَ مِنْكُمْ وَيَذَرُوْنَ أَزْوَاجًا কে তো অন্য একটি আয়াত রহিত করে দিয়েছে। তারপরও আপনি তা কেন লিখছেন? জবাবে ‘উসমান (রাঃ) বললেন, ভ্রাতুষ্পুত্র। আমরা তা যথাস্থানে রেখে দিয়েছি। আপন স্থান থেকে কোন কিছুই আমরা সরিয়ে ফেলিনি। হুমাইদ (রহ.) বললেন, অথবা প্রায় এ রকমই উত্তর দিয়ে দিলেন। [৪৫৩০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4537 — Sahih al Bukhari 65:60
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، وَسَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " نَحْنُ أَحَقُّ بِالشَّكِّ مِنْ إِبْرَاهِيمَ إِذْ قَالَ {رَبِّ أَرِنِي كَيْفَ تُحْيِي الْمَوْتَى قَالَ أَوَلَمْ تُؤْمِنْ قَالَ بَلَى وَلَكِنْ لِيَطْمَئِنَّ قَلْبِي}"
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, ইবরাহীম (আঃ) যখন رَبِّ أَرِنِيْ كَيْفَ تُحْيِي الْمَوْتَى قَالَ أَوَلَمْ تُؤْمِنْ قَالَ بَلَى وَلَكِنْ لِيَطْمَئِنَّ قَلْبِيْ -হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমাকে দেখাও কেমন করে তুমি মৃতকে জীবিত কর? তখন ইবরাহীম (আঃ)-এর তুলনায় সন্দেহ করার ব্যাপারে আমিই অগ্রসর ছিলাম। [৩৩৭২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(أَيَوَدُّ أَحَدُكُمْ أَنْ تَكُوْنَ لَه جَنَّةٌ مِّنْ نَخِيْلٍ وَّأَعْنَابٍ) إِلَى قَوْلِهِ (لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُوْنَ). ‘‘তোমাদের কেউ কি চায় যে, তার একটি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান থাকবে, যার পাদদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত হবে এবং যাতে সব ধরনের ফলমূল থাকবে, যখন সে বার্ধক্যে উপনীত হবে আর তার থাকবে দুর্বল সন্তান-সন্তুতি, তারপর বয়ে যাবে ঐ বাগানের উপর দিয়ে এক অগ্নিগর্ভ প্রবল ঘূর্ণিঝড়, ফলে বাগানটি ভস্মীভূত হয়ে যাবে। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনাবলী স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা-ভাবনা করতে পার।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৬৬) ৪৫৩৮. ‘উবায়দ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, একদা ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের জিজ্ঞেস করলেন যে, أَيَوَدُّ أَحَدُكُمْ أَنْ تَكُوْنَ لَه جَنَّةٌ এ আয়াতটি যে উপলক্ষে অবতীর্ণ হয়েছে, সে ব্যাপারে আপনাদের মতামত কী? তখন তারা বললেন, আল্লাহই জানেন। ‘উমার (রাঃ) এতে রেগে গিয়ে বললেন, বল আমরা জানি অথবা আমরা জানি না। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! এ ব্যাপারে আমার অন্তরে কিছুটা ধারণা আছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, বৎস! বলে ফেল এবং নিজেকে তুচ্ছ ভেবো না। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, এটা কর্মের দৃষ্টান্ত হিসেবে পেশ করা হয়েছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, কোন্ কর্মের? ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, একটি কর্মের। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এটি উদাহরণ হচ্ছে সেই ধনবান ব্যক্তির, যে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর ‘ইবাদাত করতে থাকে, এরপর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর প্রতি শয়তানকে প্রেরণ করেন। অতঃপর সে কাজ করে শেষ পর্যন্ত তাঁর সকল সৎকর্ম বরবাদ করে ফেলে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4539 — Sahih al Bukhari 65:62
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي شَرِيكُ بْنُ أَبِي نَمِرٍ، أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ، وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي عَمْرَةَ الأَنْصَارِيَّ، قَالاَ سَمِعْنَا أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لَيْسَ الْمِسْكِينُ الَّذِي تَرُدُّهُ التَّمْرَةُ وَالتَّمْرَتَانِ وَلاَ اللُّقْمَةُ وَلاَ اللُّقْمَتَانِ. إِنَّمَا الْمِسْكِينُ الَّذِي يَتَعَفَّفُ وَاقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ يَعْنِي قَوْلَهُ {لاَ يَسْأَلُونَ النَّاسَ إِلْحَافًا}"
يُقَالُ : أَلْحَفَ عَلَيَّ، وَأَلَحَّ عَلَيَّ، وَأَحْفَانِيْ بِالْمَسْأَلَةِ فَيُحْفِكُمْ يُجْهِدْكُمْز. أَلْحَفَ عَلَيَّ، وَأَلَحَّ عَلَيَّ এবং وَأَحْفَانِيْ بِالْمَسْأَلَةِ সবই একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। فَيُحْفِكُمْ জোর প্রচেষ্টা চালায়। ৪৫৩৯. ‘আত্বা ইবনু ইয়াসার এবং আবূ ‘আমর আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে বলেন যে, আমরা আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একটি খেজুর কি দু’টি খেজুর আর এক গ্রাস কি দু’ গ্রাস খাদ্য যাকে দ্বারে দ্বারে ঘোরাতে থাকে সে প্রকৃত মিসকীন নয়। মিসকীন তো সে, যে ভিক্ষা করা থেকে বেঁচে থাকে। তোমরা (মিসকীন অর্থ) জানতে চাইলে আল্লাহর বাণী পাঠ করতে পার لَا يَسْأَلُوْنَ النَّاسَ إِلْحَافًا। [১৪৭৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4540 — Sahih al Bukhari 65:63
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ لَمَّا نَزَلَتِ الآيَاتُ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي الرِّبَا قَرَأَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى النَّاسِ، ثُمَّ حَرَّمَ التِّجَارَةَ فِي الْخَمْرِ.
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুদ সম্পর্কে সূরাহ আল-বাকারাহর শেষ আয়াতগুলো যখন অবতীর্ণ হল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের নিকট তা পাঠ করে শোনালেন। তারপর মদের ব্যবসা নিষিদ্ধ করে দিলেন। [৪৫৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূরাহ আল-বাকারাহর শেষ আয়াতগুলো যখন অবতীর্ণ হল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘর থেকে বের হলেন এবং মসজিদে লোকেদেরকে তা পড়ে শোনালেন। এরপর মদের ব্যবসা নিষিদ্ধ করে দিলেন। [৪৫৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4542 — Sahih al Bukhari 65:65
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي الضُّحَى، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَمَّا أُنْزِلَتِ الآيَاتُ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ قَرَأَهُنَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ، وَحَرَّمَ التِّجَارَةَ فِي الْخَمْرِ.
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূরাহ আল-বাকারাহর শেষ আয়াতগুলো যখন অবতীর্ণ হল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে তা পাঠ করে শুনান এবং মদের ব্যবসা নিষিদ্ধ করে দেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4543 — Sahih al Bukhari 65:66
وَقَالَ لَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، وَالأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي الضُّحَى، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَمَّا أُنْزِلَتِ الآيَاتُ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَرَأَهُنَّ عَلَيْنَا، ثُمَّ حَرَّمَ التِّجَارَةَ فِي الْخَمْرِ.
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূরাহ আল-বাকারার শেষ দিকের আয়াতগুলো যখন অবতীর্ণ হল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এবং আমাদের সামনে তা পাঠ করলেন। তারপর মদের ব্যবসা নিষিদ্ধ করে দিলেন। [৪৫৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)