জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে এ-ও বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে প্রথমে সালাত আদায় করলেন এবং পরে লোকদের উদ্দেশে খুৎবাহ দিলেন। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবাহ শেষ করলেন, তিনি (মিম্বর হতে) নেমে মহিলাগণের (কাতারের) নিকট আসলেন এবং তাঁদের নাসীহাত করলেন। তখন তিনি বিলাল (রাযি.)-এর হাতে ভর করেছিলেন এবং বিলাল (রাযি.) তাঁর কাপড় ছড়িয়ে ধরলে, নারীরা এতে সদাকাহর বস্তু ফেলতে লাগলেন। আমি ‘আতা (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি এখনো যরুরী মনে করেন যে, ইমাম খুৎবাহ শেষ করে নারীদের নিকট এসে তাদের নাসীহাত করবেন? তিনি বললেন, নিশ্চয় তা তাদের জন্য অবশ্যই জরুরী। তাদের কী হয়েছে যে, তাঁরা তা করবে না? (৯৫৮; মুসলিম ৮/১, হাঃ ৮৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে এ-ও বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে প্রথমে সালাত আদায় করলেন এবং পরে লোকদের উদ্দেশে খুৎবাহ দিলেন। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবাহ শেষ করলেন, তিনি (মিম্বর হতে) নেমে মহিলাগণের (কাতারের) নিকট আসলেন এবং তাঁদের নাসীহাত করলেন। তখন তিনি বিলাল (রাযি.)-এর হাতে ভর করেছিলেন এবং বিলাল (রাযি.) তাঁর কাপড় ছড়িয়ে ধরলে, নারীরা এতে সদাকাহর বস্তু ফেলতে লাগলেন। আমি ‘আতা (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি এখনো যরুরী মনে করেন যে, ইমাম খুৎবাহ শেষ করে নারীদের নিকট এসে তাদের নাসীহাত করবেন? তিনি বললেন, নিশ্চয় তা তাদের জন্য অবশ্যই জরুরী। তাদের কী হয়েছে যে, তাঁরা তা করবে না? (৯৫৮; মুসলিম ৮/১, হাঃ ৮৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে এ-ও বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে প্রথমে সালাত আদায় করলেন এবং পরে লোকদের উদ্দেশে খুৎবাহ দিলেন। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবাহ শেষ করলেন, তিনি (মিম্বর হতে) নেমে মহিলাগণের (কাতারের) নিকট আসলেন এবং তাঁদের নাসীহাত করলেন। তখন তিনি বিলাল (রাযি.)-এর হাতে ভর করেছিলেন এবং বিলাল (রাযি.) তাঁর কাপড় ছড়িয়ে ধরলে, নারীরা এতে সদাকাহর বস্তু ফেলতে লাগলেন। আমি ‘আতা (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি এখনো যরুরী মনে করেন যে, ইমাম খুৎবাহ শেষ করে নারীদের নিকট এসে তাদের নাসীহাত করবেন? তিনি বললেন, নিশ্চয় তা তাদের জন্য অবশ্যই জরুরী। তাদের কী হয়েছে যে, তাঁরা তা করবে না? (৯৫৮; মুসলিম ৮/১, হাঃ ৮৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে এ-ও বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে প্রথমে সালাত আদায় করলেন এবং পরে লোকদের উদ্দেশে খুৎবাহ দিলেন। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবাহ শেষ করলেন, তিনি (মিম্বর হতে) নেমে মহিলাগণের (কাতারের) নিকট আসলেন এবং তাঁদের নাসীহাত করলেন। তখন তিনি বিলাল (রাযি.)-এর হাতে ভর করেছিলেন এবং বিলাল (রাযি.) তাঁর কাপড় ছড়িয়ে ধরলে, নারীরা এতে সদাকাহর বস্তু ফেলতে লাগলেন। আমি ‘আতা (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি এখনো যরুরী মনে করেন যে, ইমাম খুৎবাহ শেষ করে নারীদের নিকট এসে তাদের নাসীহাত করবেন? তিনি বললেন, নিশ্চয় তা তাদের জন্য অবশ্যই জরুরী। তাদের কী হয়েছে যে, তাঁরা তা করবে না? (৯৫৮; মুসলিম ৮/১, হাঃ ৮৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 962 — Sahih al Bukhari 13:11
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ ـ رضى الله عنهم ـ فَكُلُّهُمْ كَانُوا يُصَلُّونَ قَبْلَ الْخُطْبَةِ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর, ‘উমার এবং ‘উসমান (রাযি.)-এর সঙ্গে সালাতে হাযির ছিলাম। সকলেই খুৎবাহর আগে সালাত আদায় করতেন। (৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 963 — Sahih al Bukhari 13:12
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ ـ رضى الله عنهما ـ يُصَلُّونَ الْعِيدَيْنِ قَبْلَ الْخُطْبَةِ.
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর এবং ‘উমার (রাযি.) উভয় ‘ঈদের সালাত খুৎবার আগে আদায় করতেন। (৯৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদুল ফিত্রে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন। এর পূর্বে ও পরে কোন সালাত আদায় করেননি। অতঃপর বিলাল (রাযি.)-কে সঙ্গে নিয়ে নারীদের নিকট এলেন এবং সদাকাহ প্রদানের জন্য তাদের নির্দেশ দিলেন। তখন তাঁরা দিতে লাগলেন। নারীদের কেউ দিলেন আংটি, আবার কেউ দিলেন গলার হার। (৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আজকের এ দিনে আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে সালাত আদায় করা। অতঃপর আমরা ফিরে আসব এবং কুরবানী করব। কাজেই যে ব্যক্তি তা করল, সে আমাদের নিয়ম পালন করল। যে ব্যক্তি সালাতের পূর্বে কুরবানী করল, তা শুধু গোশ্ত বলেই গণ্য হবে, যা সে পরিবারবর্গের জন্য পূর্বেই করে ফেলেছে। এতে কুরবানীর কিছুই নেই। তখন আবূ বুরদাহ ইবনু নিয়ার (রাযি.) নামক এক আনসারী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো যবহ্ করে ফেলেছি। এখন আমার নিকট এমন একটি মেষ শাবক আছে যা এক বছর বয়সের মেষের চেয়ে উৎকৃষ্ট। তিনি বললেন, সেটির স্থলে এটাকে যবহ্ করে দাও। তবে তোমার পর অন্য কারো জন্য তা যথেষ্ট হবে না। (৯৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وَقَالَ الْحَسَنُ نُهُوا أَنْ يَحْمِلُوا السِّلاَحَ يَوْمَ عِيدٍ إِلاَّ أَنْ يَخَافُوا عَدُوًّا. হাসান বাসরী (রহ.) বলেছেন, শত্রুর ভয় ছাড়া ‘ঈদের দিনে অস্ত্র বহণ করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছে। ৯৬৬. সা‘ঈদ ইবনু জুবায়র হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর সংগে ছিলাম যখন বর্শার অগ্রভাগ তাঁর পায়ের তলদেশে বিদ্ধ হয়েছিল। ফলে তাঁর পা রেকাবের সঙ্গে আটকে গিয়েছিল। আমি তখন নেমে সেটি টেনে বের করে ফেললাম। এটা ঘটেছিল মিনায়। এ সংবাদ হাজ্জাজের নিকট পৌঁছলে তিনি তাঁকে দেখতে আসেন। হাজ্জাজ বললো, যদি আমি জানতে পারতাম কে আপনাকে আঘাত করেছে, (তবে তাকে শাস্তি দিতাম)। তখন ইবনু ‘উমার (রাযি.) বললেন, তুমিই আমাকে আঘাত করেছ। সে বলল, তা কিভাবে? ইবনু ‘উমার (রাযি.) বললেন, তুমিই সেদিন (ঈদের দিন) অস্ত্র ধারণ করেছ, যে দিন অস্ত্র বহন করা হতো না। তুমিই অস্ত্রকে হারামের মধ্যে প্রবেশ করিয়েছ অথচ হারামের মধ্যে কখনো অস্ত্র প্রবেশ করা হয় না। (৯৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
সা‘ঈদ ইব্নু আস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইব্নু ‘উমার (রাযি.)-এর নিকট হাজ্জাজ এলো। আমি তখন তাঁর নিকট ছিলাম। হাজ্জাজ জিজ্ঞেস করলো, তিনি কেমন আছেন? ইব্নু ‘উমার (রাযি.) বললেন, ভাল। হাজ্জাজ জিজ্ঞেস করলো, আপনাকে কে আঘাত করেছে? তিনি বললেন, আমাকে সে ব্যক্তি আঘাত করেছে যে, সে দিন অস্ত্র বহনের আদেশ দিয়েছে যে দিন তা বহন করা বৈধ নয়। অর্থাৎ হাজ্জাজ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)