জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদুল ফিত্রের দিন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন, পরে খুৎবাহ দিলেন। খুৎবাহ শেষে নেমে নারীদের নিকট আসলেন এবং তাঁদের নাসীহাত করলেন। তখন তিনি বিলাল (রাযি.)-এর হাতের উপর ভর দিয়ে ছিলেন এবং বিলাল (রাযি.) তাঁর কাপড় প্রসারিত করে ধরলেন। এতে নারীগণ দান সামগ্রী ফেলতে লাগলেন আমি (ইবনু জুরায়জ) আত্বা (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এ কি ‘ঈদুল ফিত্রের সদাকাহ? তিনি বললেন না, বরং এ সাধারণ সদাকাহ যা তাঁরা ঐ সময় দিচ্ছিলেন। কোন মহিলা তাঁর আংটি দান করলে অন্যান্য নারীরাও তাঁদের আংটি দান করতে লাগলেন। আমি আতা (রহ.)-কে (আবার), জিজ্ঞেস করলাম, মহিলাগণকে উপদেশ দেয়া কি ইমামের জন্য জরুরী? তিনি বললেন, অবশ্যই, তাদের উপর তা জরুরী। তাঁদের (অর্থাৎ ইমামগণের) কী হয়েছে যে, তাঁরা তা করবেন না? (৯৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 979 — Sahih al Bukhari 13:28
قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ وَأَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ شَهِدْتُ الْفِطْرَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ ـ رضى الله عنهم ـ يُصَلُّونَهَا قَبْلَ الْخُطْبَةِ، ثُمَّ يُخْطَبُ بَعْدُ، خَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهِ حِينَ يُجْلِسُ بِيَدِهِ، ثُمَّ أَقْبَلَ يَشُقُّهُمْ حَتَّى جَاءَ النِّسَاءَ مَعَهُ بِلاَلٌ فَقَالَ {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ} الآيَةَ ثُمَّ قَالَ حِينَ فَرَغَ مِنْهَا " آنْتُنَّ عَلَى ذَلِكَ ". قَالَتِ امْرَأَةٌ وَاحِدَةٌ مِنْهُنَّ لَمْ يُجِبْهُ غَيْرُهَا نَعَمْ. لاَ يَدْرِي حَسَنٌ مَنْ هِيَ. قَالَ " فَتَصَدَّقْنَ " فَبَسَطَ بِلاَلٌ ثَوْبَهُ ثُمَّ قَالَ هَلُمَّ لَكُنَّ فِدَاءٌ أَبِي وَأُمِّي، فَيُلْقِينَ الْفَتَخَ وَالْخَوَاتِيمَ فِي ثَوْبِ بِلاَلٍ. قَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ الْفَتَخُ الْخَوَاتِيمُ الْعِظَامُ كَانَتْ فِي الْجَاهِلِيَّةِ.
ইবনু জুরায়জ (রহ.) বলেছেন, হাসান ইবনু মুসলিম (রহ.) তাঊস (রহ.) এর মাধ্যমে ইবনু আব্বাস (রাযি.) হতে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর, ‘উমার ও উসমান (রাযি.)-এর সঙ্গে ‘ঈদুল ফিত্রে আমি উপস্থিত ছিলাম। তাঁরা খুৎবার পূর্বে সালাত আদায় করতেন, পরে খুৎবা দিতেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন, আমি যেন দেখতে পাচ্ছি তিনি হাতের ইঙ্গিতে (লোকদের) বসিয়ে দিচ্ছেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের এ আয়াত পাঠ করলেনঃ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ ‘‘হে নবী! যখন ঈমানদার মহিলাগণ আপনার নিকট এ শর্তে বায়‘আত করতে আসেন..... (সূরাহ্ মুমতাহিনাহ ৬০/১২)। এ আয়াত শেষ করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা এ বায়‘আতের উপর আছ? তাঁদের মধ্যে একজন মহিলা বলল, হাঁ, সে ছাড়া আর কেউ এর জবাব দিল না। হাসান (রহ.) জানেন না, সে মহিলা কে? অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা সদাক্বাহ কর। সে সময় বিলাল (রাযি.) তাঁর কাপড় প্রসারিত করে বললেন, আমার মা-বাপ আপনাদের জন্য কুরবান হোক, আসুন, আপনারা দান করুন। তখন নারীগণ তাঁদের ছোট-বড় আংটিগুলো বিলাল (রাযি.)-এর কাপড়ের মধ্যে ফেলতে লাগলেন। আবদুর রাযযাক (রহ.) বলেন, الْفَتَخُ হলো বড় আংটি যা জাহিলী যুগে ব্যবহৃত হতো। (৯৮; মুসলিম ৮/১, হাঃ ৮৮৪, আহমাদ ৩০৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২২ শেষাংশ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাফসাহ বিনত সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ‘ঈদের দিন আমাদের যুবতীদের বের হতে নিষেধ করতাম। একদা জনৈকা মহিলা এলেন এবং বনু খালাফের প্রাসাদে অবস্থান করলেন। আমি তাঁর নিকট গেলে তিনি বললেন, তাঁর ভগ্নিপতি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে বারোটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, এর মধ্যে ছয়টি যুদ্ধে স্বয়ং তাঁর বোনও স্বামীর সাথে অংশগ্রহণ করেছেন, (মহিলা বলেন) আমার বোন বলেছেন, আমরা রুগ্নদের সেবা করতাম, আহতদের শুশ্রুষা করতাম। একবার তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমাদের কারো ওড়না না থাকে, তখন কি সে বের হবে না? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ অবস্থায় তার বান্ধবী যেন তাকে নিজ ওড়না পরিধান করতে দেয় এবং এভাবে মহিলাগণ যেন কল্যাণকর কাজে ও মু’মিনদের দু‘আয় অংশগ্রহণ করেন। হাফ্সাহ (রহ.) বলেন, যখন উম্মে আতিয়্যাহ (রাযি.) এলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, আপনি কি এসব ব্যাপারে কিছু শুনেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, হাফসাহ (রহ.) বলেন, আমরা পিতা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জন্য উৎসর্গিত হোক এবং তিনি যখনই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নাম উল্লেখ করতেন, তখনই একথা বলতেন। তাঁবুতে অবস্থানকারিণী যুবতীরা এবং ঋতুমতী নারীরা যেন বের হন। তবে ঋতুমতী নারীরা যেন সালাতের স্থান হতে সরে থাকেন। তারা সকলেই যেন কল্যাণকর কাজে ও মু’মিনদের দু‘আয় অংশগ্রহণ করেন। হাফ্সা (রহ.) বলেন, আমি তাকে বললাম, ঋতুমতী নারীরাও? তিনি বললেন, হাঁ, ঋতুমতী নারী কি আরাফাত এবং অন্যান্য স্থানে উপস্থিত হয় না?(১) (৩২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
উম্মু আতিয়্যাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (ঈদের দিন) আমাদেরকে বের হবার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। তাই আমরা ঋতুমতী, যুবতী এবং তাঁবুতে অবস্থানকারিণী নারীদেরকে নিয়ে বের হতাম। ইবনু ‘আওন (রহ.)-এর এক বর্ণনায় রয়েছে, অথবা তাঁবুতে অবস্থানকারিণী যুবতী নারীদেরকে নিয়ে বের হতাম। অতঃপর ঋতুমতী মহিলাগণ মুসলিমদের জামা‘আত এবং তাদের দু‘আয় অংশগ্রহণ করতেন। তবে ‘ঈদমাঠে পৃথকভাবে অবস্থান করতেন। (২) (৩২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 982 — Sahih al Bukhari 13:31
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، قَالَ حَدَّثَنِي كَثِيرُ بْنُ فَرْقَدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَنْحَرُ أَوْ يَذْبَحُ بِالْمُصَلَّى.
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদমাঠে নাহর করতেন কিংবা যবেহ্ করতেন। (১৭১০, ১৭১১, ৫৫৫১, ৫৫৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরবানীর দিন সালাতের পর রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে খুৎবা দিলেন। খুৎবাহ্য় তিনি বললেন, যে আমাদের মতো সালাত আদায় করবে এবং আমাদের কুরবানীর মত কুরবানী করবে, তার কুরবানী যথার্থ বলে গণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি সালাতের পূর্বে কুরবানী করবে তার সে কুরবানী গোশ্ত খাওয়া ছাড়া আর কিছু হবে না। তখন আবূ বুরদাহ্ ইবনু নিয়ার (রাযি.) তখন দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! আমি তো সালাতে বের হবার পূর্বেই কুরবানী করে ফেলেছি। আমি ভেবেছি যে, আজকের দিনটি তো পানাহারের দিন। তাই আমি তাড়াতাড়ি করে ফেলেছি। আমি নিজে খেয়েছি এবং আমার পরিবারবর্গ ও প্রতিবেশীদেরকেও আহার করিয়েছি। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওটা গোশ্ত খাবার বকরী ছাড়া আর কিছু হয়নি। আবূ বুরদাহ (রাযি.) বলেন, তবে আমার নিকট এমন একটি মেষ শাবক আছে যা দু’টো (গোশ্ত খাওয়ার) বকরীর চেয়ে ভাল। এটা কি আমার পক্ষে কুরবানীর জন্য যথেষ্ট হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তবে তোমার পরে অন্য কারো জন্য যথেষ্ট হবে না। (৯৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুৎবাহ দিলেন। অতঃপর নির্দেশ দিলেন, যে ব্যক্তি সালাতের পূর্বে কুরবানী করেছে সে যেন পুনরায় কুরবানী করে। তখন আনসারদের মধ্য হতে জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার প্রতিবেশীরা ছিল উপবাসী অথবা বলেছেন দরিদ্র। তাই আমি সালাতের পূর্বেই যবহ্ করে ফেলেছি। তবে আমার নিকট মেষশাবক আছে যা দু’টি হৃষ্টপুষ্ট বকরির চাইতেও আমার নিকট অধিক পছন্দসই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সেটা কুরবানী করার অনুমতি দেন। (৯৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 985 — Sahih al Bukhari 13:34
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ النَّحْرِ ثُمَّ خَطَبَ، ثُمَّ ذَبَحَ فَقَالَ " مَنْ ذَبَحَ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيَذْبَحْ أُخْرَى مَكَانَهَا، وَمَنْ لَمْ يَذْبَحْ فَلْيَذْبَحْ بِاسْمِ اللَّهِ ".
জুনদাব ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুৎবাহ দেন। অতঃপর যবহ্ করেন এবং তিনি বলেনঃ সালাতের পূর্বে যে ব্যক্তি যবেহ্ করবে তাকে তার স্থলে আর একটি যবহ্ করতে হবে এবং যে যবেহ্ করেনি, আল্লাহর নামে তার যবেহ্ করা উচিত। (৫৫০০, ৫৫৬২, ৬৬৭৪, ৭৪০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
জাবির (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদের দিন (বাড়ী ফেরার পথে) ভিন্ন পথে আসতেন। ইউনুস ইবনু মুহাম্মাদ (রহ.) আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে হাদীস বর্ণনায় আবূ তুমাইলা ইয়াহ্ইয়া (রহ.) এর অনুসরণ করেছেন। তবে জাবির (রাযি.) হতে হাদীসটি অধিকতর বিশুদ্ধ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 987 — Sahih al Bukhari #987
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ ـ رضى الله عنه ـ دَخَلَ عَلَيْهَا وَعِنْدَهَا جَارِيَتَانِ فِي أَيَّامِ مِنًى تُدَفِّفَانِ وَتَضْرِبَانِ، وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مُتَغَشٍّ بِثَوْبِهِ، فَانْتَهَرَهُمَا أَبُو بَكْرٍ فَكَشَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ وَجْهِهِ فَقَالَ " دَعْهُمَا يَا أَبَا بَكْرٍ فَإِنَّهَا أَيَّامُ عِيدٍ ". وَتِلْكَ الأَيَّامُ أَيَّامُ مِنًى. وَقَالَتْ عَائِشَةُ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَسْتُرُنِي، وَأَنَا أَنْظُرُ إِلَى الْحَبَشَةِ وَهُمْ يَلْعَبُونَ فِي الْمَسْجِدِ، فَزَجَرَهُمْ عُمَرُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " دَعْهُمْ، أَمْنًا بَنِي أَرْفِدَةَ ". يَعْنِي مِنَ الأَمْنِ.
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) আরো বলেছেন, হাবশীরা যখন মসজিদে (এর প্রাঙ্গণে) খেলাধূলা করছিল, তখন আমি তাদের দেখছিলাম এবং আমি দেখেছি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আড়াল করে রেখেছেন। ‘উমার (রাযি.) হাবশীদের ধমক দিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ওদের ধমক দিও না। হে বনূ আরফিদা! তোমরা যা করছিলে তা কর। (৪৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩০ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)