حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ هِشَامٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي قَالَ، أَخْبَرَنِي ابْنُ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَحَرَّوْا بِصَلاَتِكُمْ طُلُوعَ الشَّمْسِ وَلاَ غُرُوبَهَا ". وَقَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا طَلَعَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَأَخِّرُوا الصَّلاَةَ حَتَّى تَرْتَفِعَ، وَإِذَا غَابَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَأَخِّرُوا الصَّلاَةَ حَتَّى تَغِيبَ ". تَابَعَهُ عَبْدَةُ.
ইবনু ‘উমার (রাযি.) আমাকে আরও বলেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি সূর্যের একাংশ প্রকাশ পেয়ে যায়, তাহলে পূর্ণরূপে উদিত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায়ে দেরি করো। আর যদি তার একাংশ ডুবে যায় তাহলে সম্পূর্ণরূপে অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায়ে দেরি করো। ‘আবদাহও এ রকমই বর্ণনা করেছেন। (৩২৭২; মুসলিম ৬/৫১, হাঃ ৮২৮, আহমাদ ৪৮৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৪৮ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৫৬ শেষাংশ)
হাদিস 583 — Sahih al Bukhari 9:58
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ هِشَامٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي قَالَ، أَخْبَرَنِي ابْنُ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَحَرَّوْا بِصَلاَتِكُمْ طُلُوعَ الشَّمْسِ وَلاَ غُرُوبَهَا ". وَقَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا طَلَعَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَأَخِّرُوا الصَّلاَةَ حَتَّى تَرْتَفِعَ، وَإِذَا غَابَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَأَخِّرُوا الصَّلاَةَ حَتَّى تَغِيبَ ". تَابَعَهُ عَبْدَةُ.
ইবনু ‘উমার (রাযি.) আমাকে আরও বলেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি সূর্যের একাংশ প্রকাশ পেয়ে যায়, তাহলে পূর্ণরূপে উদিত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায়ে দেরি করো। আর যদি তার একাংশ ডুবে যায় তাহলে সম্পূর্ণরূপে অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায়ে দেরি করো। ‘আবদাহও এ রকমই বর্ণনা করেছেন। (৩২৭২; মুসলিম ৬/৫১, হাঃ ৮২৮, আহমাদ ৪৮৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৪৮ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৫৬ শেষাংশ)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ধরনের বেচা-কেনা করতে, দু’ভাবে পোষাক পরিধান করতে এবং দু’সময়ে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। ফজরের পর সূর্য পূর্ণরূপে উদিত না হওয়া পর্যন্ত এবং ‘আসরের পর সূর্য অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। আর পুরো শরীর জড়িয়ে কাপড় পরতে এবং এক কাপড়ে (যেমন লুঙ্গি ইত্যাদি পরে) হাঁটু খাড়া করে এমনভাবে বসতে নিষেধ করেছেন যাতে লজ্জাস্থান উপরের দিকে খুলে যায়। আর মুনাবাযাহ ও মুলামাসাহ (এর পন্থায় বেচা-কেনা) নিষেধ করেছেন। (৩৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 585 — Sahih al Bukhari 9:60
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَتَحَرَّى أَحَدُكُمْ فَيُصَلِّي عِنْدَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَلاَ عِنْدَ غُرُوبِهَا ".
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সালাত আদায়ের উদ্যোগ না নেয়। (৫৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, ফজরের পর সূর্য উদিত হয়ে (একটু) উপরে না উঠা পর্যন্ত এবং ‘আসরের পর সূর্য অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত কোন সালাত নেই। (১১৮৮, ১১৯৭, ১৮৬৪, ১৯৯২, ১৯৯৫; মুসলিম ৬/৫১, হাঃ ৮২৭, আহমাদ ১১০৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
মু‘আবিয়াহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা এমন এক সালাত আদায় করে থাক-রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহচর্য লাভ করা সত্ত্বেও আমরা তাঁকে কখনও তা আদায় করতে দেখিনি। বরং তিনি তা হতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ ‘আসরের পর দু’রাক‘আত। (৩৭৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 588 — Sahih al Bukhari 9:63
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ خُبَيْبٍ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَلاَتَيْنِ بَعْدَ الْفَجْرِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ، وَبَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ.
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ সময়ে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। ফজরের পর সূর্য উঠা পর্যন্ত এবং ‘আসরের পর সূর্য ডুবা পর্যন্ত। (৩৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
رَوَاهُ عُمَرُ وَابْنُ عُمَرَ وَأَبُو سَعِيدٍ وَأَبُو هُرَيْرَةَ. ‘উমার, ইবনু ‘উমার, আবূ সা‘ঈদ ও আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। ৫৮৯. ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার সাথীদের যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি সেভাবেই আমি সালাত আদায় করি। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ে সালাতের ইচ্ছা করা ভিন্ন রাতে বা দিনে যে কোনো সময়ে কেউ সালাত আদায় করতে চাইলে আমি নিষেধ করি না। (৫৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ وَقَالَ كُرَيْبٌ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ الْعَصْرِ رَكْعَتَيْنِ وَقَالَ شَغَلَنِي نَاسٌ مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ عَنْ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ. কুরায়ব (রহ.) উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আসরের পর দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন এবং বললেন, ‘আবদুল কায়স গোত্রের লোকেরা আমাকে যুহরের পরবর্তী দু’রাক‘আত সালাত আদায় হতে (বিরত করে) মশগুল রেখেছিল। ৫৯০. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সে মহান সত্তার শপথ, যিনি তাঁকে (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে) উঠিয়ে নিয়েছেন, আল্লাহর সান্নিধ্যে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি দু’রাক‘আত সালাত কখনই ছাড়েননি। আর সালাতে দাঁড়ানো যখন তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি, তখনই তিনি আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে গেছেন। তিনি তাঁর এ সালাত অধিকাংশ সময় বসে বসেই আদায় করতেন। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) এ সালাত দ্বারা ‘আসরের পরবর্তী দু’রাক‘আতের কথা বুঝিয়েছেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতেন, তবে উম্মাতের উপর বোঝা হয়ে পড়ার আশংকায় তা মসজিদে আদায় করতেন না। কেননা, উম্মাতের জন্য যা সহজ হয় তাই তাঁর কাম্য ছিল। (৫৯১, ৫৯২, ৫৯৩, ১৬৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 591 — Sahih al Bukhari 9:66
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي قَالَتْ، عَائِشَةُ ابْنَ أُخْتِي مَا تَرَكَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم السَّجْدَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ عِنْدِي قَطُّ.
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে ভাগ্নে! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট উপস্থিত থাকার কালে ‘আসরের পরবর্তী দু’রাক‘আত কখনও ছাড়েননি। (৫৯০; মুসলিম ৬/৫৩, হাঃ ৮৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)