। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একটি বিছা এক ব্যক্তিকে দংশন করলে ঐ রাতে সে আর ঘুমাতে পারেনি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলা হলো, অমুক ব্যক্তিকে বিছায় দংশন করায় সে গত রাতে ঘুমাতে পারেনি। তিনি বলেনঃ আহা, সে যদি সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলতো, ‘‘আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক’’ (আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামের উসীলায় তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই), তাহলে বিছার দংশন সকাল পর্যন্ত তার কোন ক্ষতি করতে পারতো না।
হাদিস 3519 — Sunan Ibn Majah 31:84
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، قَالَ عَرَضْتُ النَّهْشَةَ مِنَ الْحَيَّةِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَأَمَرَ بِهَا .
। আমর ইবনে হাযম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সামনে আমি সর্পদংশনের ঝাড়ফুঁকের দোয়া পেশ করলে তিনি আমাকে এর অনুমতি দেন।
হাদিস 3520 — Sunan Ibn Majah 31:85
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي الضُّحَى، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِذَا أَتَى الْمَرِيضَ فَدَعَا لَهُ قَالَ " أَذْهِبِ الْبَاسْ رَبَّ النَّاسْ وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا " .
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন রোগীর নিকট এলে তিনি এই দোয়া করতেনঃ ‘‘আযহিবিল বাসা রববান নাস ওয়াশফে আনতাশ শাফী লা শিফাআন ইল্লা শিফাউকা শিফাআন লা ইউগাদিরু সাকামান’’ (হে মানুষের প্রভু! ব্যাধি ও কষ্ট দূর করে দাও, রোগমুক্তি দান করো, তুমিই আরোগ্য দানকারী, তোমার আরোগ্য দানই আসল, যা কোন রোগকেই ছাড়ে না)।
হাদিস 3521 — Sunan Ibn Majah 31:86
সহিহসহিহসহিহসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ مِمَّا يَقُولُ لِلْمَرِيضِ بِبُزَاقِهِ بِإِصْبَعِهِ " بِسْمِ اللَّهِ بِتُرْبَةِ أَرْضِنَا بِرِيقَةِ بَعْضِنَا لِيُشْفَى سَقِيمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا " .
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর আংগুলে লালা লাগিয়ে রোগীর জন্য এই বলে দোয়া করতেনঃ ‘‘বিসমিল্লাহ তুরবাতু আরদিনা বিরীকাতি বাদিনা লিয়াশফা সাকীমুনা বিইযনি রব্বিনা ’’ (আল্লাহর নামে আমাদের এ যমীনের মাটি আমাদের কারো লালার সাথে মিশিয়ে দিলাম, যেন তাতে আমাদের প্রভুর নির্দেশে আমাদের রোগী আরোগ্য লাভ করে)।
হাদিস 3522 — Sunan Ibn Majah 31:87
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُصَيْفَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ الثَّقَفِيِّ، أَنَّهُ قَالَ قَدِمْتُ عَلَى النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَبِي وَجَعٌ قَدْ كَادَ يُبْطِلُنِي فَقَالَ لِيَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اجْعَلْ يَدَكَ الْيُمْنَى عَلَيْهِ وَقُلْ بِسْمِ اللَّهِ أَعُوذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ سَبْعَ مَرَّاتٍ " . فَقُلْتُ ذَلِكَ فَشَفَانِيَ اللَّهُ .
। উসমান ইবনে আবুল আস আস-সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এমন মারাত্মক ব্যথা নিয়ে উপস্থিত হলাম, যা আমাকে অকেজো প্রায় করেছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেনঃ তুমি তোমার বাম হাত ব্যথার স্থানে রেখে সাতবার বলোঃ ‘‘আউযু বি-ইজ্জাতিল্লাহি ওয়া কুদরাতিহী মিন শাররি মা আজিদু ওয়া উহাযিরু’’ (আল্লাহর নামে আমি আল্লাহর অসীম সম্মান ও তাঁর বিশাল ক্ষমতার উসীলায় আমার অনুভূত এই ব্যথার ক্ষতি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি)।
। আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। জিবরাঈল (আ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বলেনঃ হে মুহাম্মাদ! আপনি কি রোগাক্রান্ত হয়েছেন? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ। জিবরীল (আ) বলেন, ‘‘বিছমিল্লাহি আরকীকা মিন কুল্লি শায়ইন ইউযীকা মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আয়নিন আও হাসিদিন, আল্লাহ ইয়াশফীকা বিসমিল্লাহি আরকীকা ’’ (আমি আল্লাহর নামে এমন প্রতিটি জিনিস থেকে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি যা আপনাকে কষ্ট দেয়, প্রতিটি সৃষ্টিজীবের এবং প্রতিটি চোখের এবং প্রতিটি হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি। আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দান করুন। আমি আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি)।
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে এসে বলেনঃ জিবরীল (আ) ঝাড়ফুঁকের যে দোয়াসহ আমার নিকট এসেছিলেন, সেই দোয়া দিয়ে আমি কি তোমাকে ঝাড়ফুঁক করবো না? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক! হাঁ, ঝাড়ফুঁক করুন। তিনি তিনবার বললেনঃ ‘‘বিসমিল্লাহি আরকীকা ওয়াল্লাহু ইয়াশফীকা মিন কুল্লি দাইন ফীকা মিন শাররিন নাফ্ফাছাত ফিল উকাদ ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ ’’ (আল্লাহর নামে আমি তোমাকে ঝাড়ছি, আল্লাহ তোমাকে আরোগ্য দান করুন, তোমার ভেতরের সমস্ত রোগ থেকে, সমস্ত নারীর অনিষ্ট থেকে যারা গ্রন্থিতে ফুৎকার দেয় এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে)।
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান ও হুসাইন (রাঃ) কে ঝাড়ফুঁক করে বলতেনঃ ‘‘আউযু বিকালিমা তিল্লাহি তাম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিন ওয়া হাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আয়নিল লাম্মাতিন’’ (আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কল্যাণময় বাক্যাবলীর উসীলায় প্রতিটি শয়তান, প্রাণনাশী বিষাক্ত জীব ও অনিষ্টকারী বদনজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি)। তিনি বলতেনঃ আমাদের পিতা ইবরাহীম (আ) ইসমাঈল ও ইসহাক (আ) -কে এই দোয়া পড়ে ঝাড়ফুঁক করতেন অথবা রাবী বলেছেন, ইসমাঈল ও ইয়াকূব (আ)-কে ঝাড়ফুঁক করতেন। শেষোক্ত বর্ণনা ওয়াকী (রাঃ)-এর।