। মুআবিয়াহ ইবনু আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার আগে রুকূ-সাজদায় যাবে না। যখনই আমি তোমাদের আগে রুকূতে যাই, তোমরা আমাকে মাথা তোলার পূর্বেই পেয়ে যাও। আবার যখনই আমি তোমাদের আগে সাজদায় যাই, তোমরা আমাকে মাথা তোলার পূর্বেই পেয়ে যাও। নিশ্চয় এখন আমি (বয়সের কারণে) ভারী হয়ে গেছি।
হাদিস 964 — Sunan Ibn Majah 5:162
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهُدَيْرِ التَّيْمِيُّ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِنَّ مِنَ الْجَفَاءِ أَنْ يُكْثِرَ الرَّجُلُ مَسْحَ جَبْهَتِهِ، قَبْلَ الْفَرَاغِ مِنْ صَلاَتِهِ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: কোন ব্যাক্তির তার সালাত থেকে অবসর না হয়েই অধিক বার তার কপাল মোছা রূঢ় আচরণের অন্তর্ভুক্ত।
হাদিস 965 — Sunan Ibn Majah 5:163
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو قُتَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، وَإِسْرَائِيلُ بْنُ يُونُسَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " لاَ تُفَقِّعْ أَصَابِعَكَ وَأَنْتَ فِي الصَّلاَةِ " .
। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তুমি সালাতরত অবস্থায় তোমার আঙ্গুলগুলো মটকাবে না।
হাদিস 966 — Sunan Ibn Majah 5:164
হাসানহাসানদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ، سُفْيَانُ بْنُ زِيَادٍ الْمُؤَدِّبُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَاشِدٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ ذَكْوَانَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ يُغَطِّيَ الرَّجُلُ فَاهُ فِي الصَّلاَةِ .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কোন ব্যাক্তিকে সালাতরত অবস্থায় তার মুখমন্ডল ঢাকতে নিষেধ করেছেন।
হাদিস 967 — Sunan Ibn Majah 5:165
দাঈফদাঈফদাঈফহাসান
حَدَّثَنَا عَلْقَمَةُ بْنُ عَمْرٍو الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ رَأَى رَجُلاً قَدْ شَبَّكَ أَصَابِعَهُ فِي الصَّلاَةِ فَفَرَّجَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بَيْنَ أَصَابِعِهِ .
। কাব ইবনু উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যাক্তিকে সালাতরত অবস্থায় তার এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অপর হাতের আঙ্গুলসমূহের মধ্যে প্রবেশ করাতে দেখলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার আঙ্গুলসমূহ ফাঁকা (পৃথক) করে দিলেন।
হাদিস 968 — Sunan Ibn Majah 5:166
MawduMawduVery Daifদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِذَا تَثَاءَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَضَعْ يَدَهُ عَلَى فِيهِ، وَلاَ يَعْوِي، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَضْحَكُ مِنْهُ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কারো হাই আসলে সে যেন তার হাত তার মুখের উপর রাখে এবং সজোরে শব্দ না করে। কেননা তাতে শয়তান হাসে।
হাদিস 969 — Sunan Ibn Majah 5:167
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ أَبِي الْيَقْظَانِ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " الْبُزَاقُ وَالْمُخَاطُ وَالْحَيْضُ وَالنُّعَاسُ فِي الصَّلاَةِ مِنَ الشَّيْطَانِ " .
। আদী ইবনু সাবিত (রহঃ) থেকে তার পিতা, অতঃপর তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সালাতরত অবস্থায় থুথু, নাকের শ্লেষ্মা, হায়েয ও তন্দ্রা আসে শয়তানের পক্ষ থেকে।
। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন ব্যাক্তির সালাত কবূল হয় নাঃ যে ব্যাক্তি লোকেদের ইমামতি করে তাকে তারা অপছন্দ করা সত্ত্বেও, যে ব্যাক্তি সালাতের ওয়াক্ত চলে যাওয়ার পর সালাত পড়ে এবং যে ব্যাক্তি কোন স্বাধীন ব্যাক্তিকে দাস বানায়।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তিন ব্যাক্তির সালাত তাদের মাথার এক বিঘত উপরেও উঠে নাঃ যে ব্যাক্তি জনগণের অপছন্দ হওয়া সত্ত্বেও তাদের ইমামতি করে, যে নারী তার স্বামীর অসন্তুষ্টিসহ রাত যাপন করে এবং পরস্পর সম্পর্ক ছিন্নকারী দু ভাই।
হাদিস 972 — Sunan Ibn Majah 5:170
দাঈফদাঈফVery Daifদাঈফ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ بَدْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَمْرِو بْنِ جَرَادٍ عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اثْنَانِ، فَمَا فَوْقَهُمَا، جَمَاعَةٌ " .
। আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু বা ততোধিক ব্যাক্তি সমন্বয়ে একটি জামাআত হতে পারে।