حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ زُبَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عُمَرَ، قَالَ صَلاَةُ السَّفَرِ رَكْعَتَانِ وَالْجُمُعَةُ رَكْعَتَانِ وَالْعِيدُ رَكْعَتَانِ تَمَامٌ غَيْرُ قَصْرٍ عَلَى لِسَانِ مُحَمَّدٍ ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
। উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যবানীতে সফরের সালাত (নামায/নামাজ) দু রাকআত, জুমুআহর সালাত দু রাকআত এবং ঈদের সালাত দু রাকআত। এগুলো পূর্ণ সালাত, এগুলেরা কসর নাই।
হাদিস 1064 — Sunan Ibn Majah 5:262
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، أَنْبَأَنَا يَزِيدُ بْنُ زِيَادِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ زُبَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، عَنْ عُمَرَ، قَالَ صَلاَةُ السَّفَرِ رَكْعَتَانِ وَصَلاَةُ الْجُمُعَةِ رَكْعَتَانِ وَالْفِطْرُ وَالأَضْحَى رَكْعَتَانِ تَمَامٌ غَيْرُ قَصْرٍ عَلَى لِسَانِ مُحَمَّدٍ ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
। উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যবানীতে সফরের সালাত দু রাকআত, জুমুআহর সালাত (নামায/নামাজ) দু রাকআত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাত দু রাকআত করে, এগুলো কসর ব্যতীত পূর্ণ সালাত।
। ইয়ালা ইবনু উমাইয়্যা (রহ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট এই আয়াত উল্লেখপূর্বক (অনুবাদ) যদি তোমাদের আশঙ্কা হয় যে, কাফেররা তোমাদের জন্য ফিতনা সৃষ্টি করবে, তবে সালাত (নামায/নামাজ) সংক্ষিপ্ত করলে এতে তোমাদের কোন দোষ নেই জিজ্ঞেস করলাম যে, মানুষ তো এখন নিরাপদে আছে? তিনি বলেন, তুমি যে বিষয়ে বিস্ময় বোধ করছো, আমিও সে বিষয়ে বিস্ময় বোধ করেছিলাম। এ বিষয়ে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ এতো একটি দানবিশেষ, যা আল্লাহ তাআলা তোমাদের দিয়েছেন। কাজেই তোমরা তাঁর দান গ্রহণ করো।
হাদিস 1066 — Sunan Ibn Majah 5:264
সহিহসহিহহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أُمَيَّةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَالِدٍ، أَنَّهُ قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ إِنَّا نَجِدُ صَلاَةَ الْحَضَرِ وَصَلاَةَ الْخَوْفِ فِي الْقُرْآنِ وَلاَ نَجِدُ صَلاَةَ السَّفَرِ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ بَعَثَ إِلَيْنَا مُحَمَّدًا ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَلاَ نَعْلَمُ شَيْئًا فَإِنَّمَا نَفْعَلُ كَمَا رَأَيْنَا مُحَمَّدًا ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَفْعَلُ .
। উমাইয়্যা ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু খালিদ (রহ ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) কে বলেন, আমরা কুরআনুল করীমে মুকীম ব্যক্তির সালাত ও ভীতির সালাত (সালাততুল খাওফ) সম্পর্কে বর্ণনা পাই, অথচ মূসাফিরের সালাত (নামায/নামাজ) এর বর্ণনা পাই না। আবদুল্লাহ তাকে বলেন, আল্লাহ তাআলা আমাদের নিকট মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রেরণ করেছেন এবং আমরা কিছুই জানতাম না। আমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যেরূপ করতে দেখেছি, আমরাও অবশ্যি তদ্রূপ করি।
হাদিস 1067 — Sunan Ibn Majah 5:265
হাসান Sahihহাসান Sahihসহিহ Lighairihiসহিহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، أَنْبَأَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ بِشْرِ بْنِ حَرْبٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِذَا خَرَجَ مِنْ هَذِهِ الْمَدِينَةِ لَمْ يَزِدْ عَلَى رَكْعَتَيْنِ، حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْهَا .
। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মদিনা শহর থেকে কোথাও রওনা হয়ে গেলে, এখানে ফিরে না আসা পর্যন্ত দু রাকআতের অধিক সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন না।
হাদিস 1068 — Sunan Ibn Majah 5:266
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، وَجُبَارَةُ بْنُ الْمُغَلِّسِ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: افْتَرَضَ اللَّهُ الصَّلاَةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي الْحَضَرِ أَرْبَعًا وَفِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যবানীতে (তাঁর বান্দাদের উপর) মুকীম অবস্থায় চার রাকআত এবং মূসাফির অবস্থায় দু রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) ফরয করেছেন।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি মুজাহিদ, সাঈদ ইবনু জুবাইর, আতা ইবনু আবূ রাবাহ ও তাঊস (রহ) কে অবহিত করেন যে, ব্যতিব্যস্ততা, শত্রুর আক্রমণাশংকা এবং অন্য কিছুর ভয়ভীতিমুক্ত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে মাগরিব ও এশার সালাত (নামায/নামাজ) একত্রে পড়তেন।
হাদিস 1070 — Sunan Ibn Majah 5:268
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ جَمَعَ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ فِي السَّفَرِ .
। মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবূক যুদ্ধের সফরে যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও এশার সালাত (নামায/নামাজ) একত্রে আদায় করেন।
। হাফস্ ইবনু আসেম (রহ ) বলেন, আমরা এক সফরে ইবনু উমার (রাঃ) এর সাথে ছিলাম। তিনি আমাদের নিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) পড়েন। অতঃপর আমরা সেখান থেকে তার সাথে ফিরে আসি। রাবী বলেন, তিনি একদল লোককে সালাত আদায় করতে দেখে বলেন, ঐ সকল লোক কী করছে? আমি বললাম, তারা নফল সালাত পড়ছে। তিনি বলেন, সফরে নফল সালাত পড়া জরুরী মনে করলে, আমি আমার ফরয সালাত পুরাটাই পড়তাম। হে ভাতিজা! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সফরসঙ্গী ছিলাম। তিনি তাঁর ইন্তেকাল পর্যন্ত সফরে দু রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। তারপর আমি আবূ বাকর (রাঃ) এর সফরসঙ্গী ছিলাম, তিনিও দু রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। এরপর আমি উমার (রাঃ) এর সফরসঙ্গী ছিলাম এবং তিনিও দু রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। অতঃপর আমি উসমান (রাঃ) এর সফরসঙ্গী ছিলাম, তিনিও দু রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। এই অবস্থায় তারা ইন্তেকাল করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যে অবশ্যি তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ (সূরাহ আহযাব: ২১)।
। উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তাঊসকে সফরে নফল সালাত (নামায/নামাজ) পড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তখন হাসান ইবনু মুসলিম ইবনু ইয়ান্নাকও তার নিকট বসা ছিলেন। তিনি বলেন, তাঊস (রহঃ) আমাকে বললেন যে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুকীম অবস্থার ও সফরকালের সালাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতএব আমরা মুকীম ও মূসাফির অবস্থায় ফরয সালাতের আগে-পরে নফল সালাত পড়তাম।