حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يَقْنُتُ فِي صَلاَةِ الصُّبْحِ. يَدْعُو عَلَى حَىٍّ مِنْ أَحْيَاءِ الْعَرَبِ، شَهْرًا. ثُمَّ تَرَكَ .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাতে দুআ কুনূত পড়তেন। এতে তিনি আরবের কতক গোত্রকে এক মাস ধরে বদদোয়া করেছিলেন, অতঃপর তা ত্যাগ করেন।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাতে (রুকূ থেকে) মাথা তুলে বললেনঃ হে আল্লাহ্! ওলীদ ইবনুল ওলীদ, সালামাহ ইবনু হিশাম, আইয়াশ ইবনু আবূ রবীআ ও মক্কার অসহায় মুসলিমদের নাজাত দিন। হে আল্লাহ্! মুদার গোত্রের উপর আপনার নিপীড়ন জোরদার করুন এবং তাদের উপর ইউসুফ (আলাইহিস সালাম) এর সময়কার দুর্ভিক্ষের মত কয়েক বছরের দুর্ভিক্ষ কার্যকর করুন।
হাদিস 1245 — Sunan Ibn Majah 5:443
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ ضَمْضَمِ بْنِ جَوْسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَمَرَ بِقَتْلِ الأَسْوَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ الْعَقْرَبِ وَالْحَيَّةِ .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায/নামাজ)রত অবস্থায়ও দুটি কালো প্রাণী হত্যার নির্দেশ দিয়েছেনঃ বিছা ও সাপ।
হাদিস 1246 — Sunan Ibn Majah 5:444
সহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ حَكِيمٍ الأَوْدِيُّ، وَالْعَبَّاسُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ ثَابِتٍ الدَّهَّانُ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَدَغَتِ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَقْرَبٌ وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ فَقَالَ " لَعَنَ اللَّهُ الْعَقْرَبَ مَا تَدَعُ الْمُصَلِّيَ وَغَيْرَ الْمُصَلِّي اقْتُلُوهَا فِي الْحِلِّ وَالْحَرَمِ " .
। আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তাঁর সালাত (নামায/নামাজ)রত অবস্থায় একটি বিছা দংশন করে। তিনি বলেনঃ আল্লাহ বিছাকে অভিশপ্ত করুন, সে সালাতী ও অসালাতী কাউকেই ছাড়ে না। তোমরা একে হেরেম শরীফে ও তার বাইরে সর্বত্র হত্যা করো।
হাদিস 1247 — Sunan Ibn Majah 5:445
দাঈফদাঈফVery Daifদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ جَمِيلٍ، حَدَّثَنَا مَنْدَلٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَتَلَ عَقْرَبًا وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ .
। ইবনু আবূ রাফি (রহঃ) থেকে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায/নামাজ) অবস্থায় একটি বিছা হত্যা করেন।
হাদিস 1248 — Sunan Ibn Majah 5:446
সহিহসহিহসহিহসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، وَأَبُو أُسَامَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَهَى عَنْ صَلاَتَيْنِ عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْفَجْرِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু সময়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে নিষেধ করেছেনঃ ফজরের সালাতের পর সূর্য উঠার পূর্ব পর্যন্ত এবং আসরের সালাতের পর সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।
হাদিস 1249 — Sunan Ibn Majah 5:447
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَعْلَى التَّيْمِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ قَزَعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " لاَ صَلاَةَ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَلاَ صَلاَةَ بَعْدَ الْفَجْرِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ " .
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আসরের সালাতের পর সূর্য অস্তমিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কোন সালাত (নামায/নামাজ) নাই এবং ফজরের সালাতের পর সূর্য উদিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কোন সালাত নাই।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে কয়েকজন সন্তোষভাজন ব্যক্তি বলেছেন, উমার (রাঃ)ও তাদের অন্তর্ভুক্ত এবং তাদের মধ্যে উমার (রাঃ)-ই আমার অধিক সন্তোষভাজন ব্যক্তি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফজরের সালাতের পর থেকে সূর্য উঠার পূর্ব পর্যন্ত কোন সালাত (নামায/নামাজ) নাই এবং আসরের সালাতের পর থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত কোন সালাত নাই।
। আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলাম, এমন কোন সময় আছে কি, যা আল্লাহ্র নিকট অন্য সময়ের তুলনায় অধিক প্রিয়? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, মধ্য রাত। অতএব তুমি পারলে তখন থেকে ভোর হওয়ার পুর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সালাত (নামায/নামাজ) পড়ো; অতঃপর (ফজরের সালাত পড়ে) সূর্য উদিত হয়ে তা কিছুটা উপরে না উঠা পর্যন্ত বিরত থাক। অতঃপর তুমি পারলে খুঁটি তার ছায়ার উপর স্থির হওয়ার পূর্ব (দ্বিপ্রহর) পর্যন্ত সালাত আদায় করতে পারো। অতঃপর সূর্য ঢলে না পড়া পর্যন্ত (সালাত পড়া থেকে) বিরত থাকো। কেননা ঠিক দুপুরে জাহান্নামকে উত্তপ্ত করা হয়। অতঃপর তুমি পারলে তোমার আসরের সালাত পড়ার পূর্ব পর্যন্ত সালাত আদায় করতে পারো। অতঃপর সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত বিরত থাকো। কেননা তা শয়তানের দু শিং-এর মধ্যখান দিয়ে অস্ত যায় ও উদিত হয়।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাফওয়ান ইবনু মুআত্তাল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞাসা সুরে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি এমন একটি বিষয় আপনার নিকট জিজ্ঞেস করতে চাই যে সম্পর্কে আপনি জ্ঞাত কিন্তু আমি অজ্ঞ। তিনি বলেনঃ তা কি? তিনি বলেন, রাত ও দিনের সময়সমূহের মধ্যে এমন সময়ও কি আছে যখন সালাত (নামায/নামাজ) পড়া মাকরূহ? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ। তুমি ফজরের সালাত পড়ার পর থেকে সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত (নফল) সালাত পড়া ত্যাগ করো। কারণ তা শয়তানের দু শিং-এর মধ্যখান দিয়ে উদিত হয়। অতঃপর তুমি সালাত পড়ো। এই সালাতে (ফেরেশতাগণ) উপস্থিত হয় এবং (ইবাদাত) কবূল করা হয়, (তা পড়তে পারো) যাবত না সূর্য তীরের মত তোমার মাথার উপর এসে সোজা হয়। যখন সূর্য তীরের মত তোমার মাথার উপর স্থির হয় তখন সালাত পড়া ত্যাগ করো। কারণ এ সময় জাহান্নামকে উত্তপ্ত করা হয় এবং এর দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, যাবত না সূর্য তোমার ডান ভ্রূ দিয়ে ঢলে পড়ে। তা ঢলে পড়ার পর থেকে তোমার আসরের সালাত পড়ার পূর্ব পর্যন্ত (সময়ে নফল) সালাতে ফেরেশতাগণ উপস্থিত হন এবং তা কবূল করা হয়। অতঃপর তুমি সূর্যাস্ত না যাওয়া পর্যন্ত সালাত ত্যাগ কর।