حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ أَشْهَدُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنَّهُ صَلَّى قَبْلَ الْخُطْبَةِ ثُمَّ خَطَبَ فَرَأَى أَنَّهُ لَمْ يُسْمِعِ النِّسَاءَ فَأَتَاهُنَّ فَذَكَّرَهُنَّ وَوَعَظَهُنَّ وَأَمَرَهُنَّ بِالصَّدَقَةِ وَبِلاَلٌ قَائِلٌ بِيَدَيْهِ هَكَذَا فَجَعَلَتِ الْمَرْأَةُ تُلْقِي الْخُرْصَ وَالْخَاتَمَ وَالشَّىْءَ .
। আতা (রহ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি খুতবা দানের পূর্বে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছেন, অতঃপর খুতবাহ দিয়েছেন। তিনি লক্ষ্য করলেন যে, তিনি মহিলাদের তাঁর ভাষণ শুনাতে পারেননি (তাঁর কন্ঠস্বর তাদের পর্যন্ত পৌঁছেনি)। অতএব তিনি তাদের নিকট এসে তাদেরকে উপদেশ দেন, ওয়াজ-নাসীহাত করেন এবং তাদেরকে দান-খয়রাত করার নির্দেশ দেন। আর বিলাল তার হাতের কাপড় এভাবে ধরেন। মহিলারা তাদের স্বর্ণের বালা, আংটি ও অন্যান্য জিনিস (সেই কাপড়ের মধ্যে) ঢেলে দিতে থাকেন।
হাদিস 1274 — Sunan Ibn Majah 5:472
সহিহসহিহসহিহসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ صَلَّى يَوْمَ الْعِيدِ بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلاَ إِقَامَةٍ .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন আযান ও ইকামত ব্যতীত (ঈদের) সালাত (নামায/নামাজ) পড়েন।
। আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঈদের দিন মারওয়ান (ঈদের মাঠে) মিম্বার বের করে আনে এবং ঈদের সালাত (নামায/নামাজ) পড়ার আগে খুতবাহ দেয়। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে মারওয়ান! তুমি সুন্নাতের পরিপন্থী কাজ করেছো। তুমি ঈদের দিন (মাঠে) মিম্বার বের করে এনেছো, অথচ তা ঈদের মাঠে বের করে আনা হতো না। আবার তুমি ঈদের সালাত (নামায/নামাজ) পড়ার পূর্বে খুতবা দিতে শুরু করলে, অথচ সালাতের আগে খুতবাহ দিয়ে শুরু করা হতো না। আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেন, এই ব্যক্তি অবশ্যি তার কর্তব্য পালন করেছে। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যে কেউ অন্যায় কাজ হতে দেখলে এবং তার হাত দিয়ে তা প্রতিহত করার সামর্থ্য থাকলে সে যেন তা নিজ হাতে প্রতিহত করে। তার সেই সামর্থ্য না থাকলে সে যেন মুখের ভাষায় তা প্রতিহত (বা প্রতিবাদ) করে। যদি মুখের ভাষায় প্রতিহত করার সামর্থ্য তার না থাকে তবে সে যেন তার অন্তরে তা প্রতিহত করে। এটা ঈমানের খুবই নিম্নস্তর।
হাদিস 1276 — Sunan Ibn Majah 5:474
সহিহসহিহসহিহসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا حَوْثَرَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ثُمَّ أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ عُمَرُ يُصَلُّونَ الْعِيدَ قَبْلَ الْخُطْبَةِ .
। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) অতঃপর উমার(রাঃ) খুতবাদানের পূর্বে ঈদের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন।
হাদিস 1277 — Sunan Ibn Majah 5:475
সহিহসহিহ Lighairihiহাসান
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَعْدِ بْنِ عَمَّارِ بْنِ سَعْدٍ، مُؤَذِّنِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يُكَبِّرُ فِي الْعِيدَيْنِ فِي الأُولَى سَبْعًا قَبْلَ الْقِرَاءَةِ وَفِي الآخِرَةِ خَمْسًا قَبْلَ الْقِرَاءَةِ .
। সা’দ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু ঈদের সালাতের প্রথম রাকআতে কুরআন পাঠের পূর্বে সাত তাকবীর এবং দ্বিতীয় রাকআতেও কুরআন পাঠের পূর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন।
হাদিস 1278 — Sunan Ibn Majah 5:476
হাসান Sahihহাসান Sahihহাসান LighairihiIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْلَى، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَبَّرَ فِي صَلاَةِ الْعِيدِ سَبْعًا وَخَمْسًا .
। আবদুল্লাহ বিন ইআলা থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের সালাতে পর্যায়ক্রমে (প্রথম ও দ্বিতীয় রাকআতে) সাত ও পাঁচ তাকবীর দিতেন।
হাদিস 1279 — Sunan Ibn Majah 5:477
সহিহসহিহ Lighairihiহাসান Lighairihiহাসান
حَدَّثَنَا أَبُو مَسْعُودٍ، مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عَقِيلٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَثْمَةَ، حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَبَّرَ فِي الْعِيدَيْنِ سَبْعًا فِي الأُولَى وَخَمْسًا فِي الآخِرَةِ .
। আমর ইবনু আওফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু ঈদের সালাতে প্রথম রাকআতে সাত তাকবীর এবং শেষের রাকআতে পাঁচ তাকবীর দিতেন।
হাদিস 1280 — Sunan Ibn Majah 5:478
সহিহসহিহহাসান Lighairihiহাসান
حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، وَعُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَبَّرَ فِي الْفِطْرِ وَالأَضْحَى سَبْعًا وَخَمْسًا سِوَى تَكْبِيرَتَىِ الرُّكُوعِ .
। আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাতে রুকূ-সিজদার তাকবীর ব্যতীত অতিরিক্ত সাত ও পাঁচ তাকবীর দিতেন।
হাদিস 1281 — Sunan Ibn Majah 5:479
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ سَالِمٍ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يَقْرَأُ فِي الْعِيدَيْنِ بِـ {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى} وَ {هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ} .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ خَرَجَ عُمَرُ يَوْمَ عِيدٍ فَأَرْسَلَ إِلَى أَبِي وَاقِدٍ اللَّيْثِيِّ بِأَىِّ شَىْءٍ كَانَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقْرَأُ فِي مِثْلِ هَذَا الْيَوْمِ؟ قَالَ بِـ {ق} وَاقْتَرَبَتْ .
। উবাঈদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ঈদের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে রওয়ানা হলেন। তিনি আবূ ওয়াকিদ আল-লাইসী (রাঃ) এর নিকট লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আজকের মত এ দিনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী তিলাওয়াত করতেন? তিনি জানান যে, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরাহ কাফ ও সুরা ইকতারাবাতিস সাআহ দ্বারা কিরাআত পড়তেন।