। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যোহর ও আসর সালাতের প্রথম দু রাকআতে ইমামের পিছনে সূরাহ ফাতিহা ও অন্য সূরাহ এবং শেষ দু সালাতে কেবল সূরাহ ফাতিহা পড়তাম।
। সামুরা ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নীরবতা অবলম্বনের দুটি স্থান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কন্ঠস্থ করেছি। ইমরান ইবনুল হুসাইন তা অস্বীকার করেন (এবং বলেন, আমরা একটি স্থান জানি)। আমরা বিষয়টি মদিনাতে উবাই ইবনু কাব (রাঃ) কে লিখে জানালাম। তিনি লিখেন, সামুরা বিষয়টি স্মরণ রেখেছেন। অধস্তন রাবী সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমরা ক্বাতাদাহ (রাঃ) কে বললাম, সেই নীরবতা অবলম্বনের স্থান দুটি কী কী? তিনি বলেন, যখন তিনি তাঁর সালাতে প্রবেশ করতেন এবং যখন তিনি কিরাআত শেষ করতেন, অতঃপর তিনি বলেন, যখন তিনি গাইরিল মাগযূবি আলাইহিম ওয়ালায যআল্লীন পড়তেন। রাবী বলেন, কিরাআত পাঠ শেষ করে নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য তিনি নীরবতা অবলম্বন করতেন, এটা লোকেদের ভালো লাগতো।
। আল-হাসান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সামুরা (রাঃ) বলেছেন, আমি সালাতের মধ্যে নীরবতা অবলম্বনের দুটি স্থান স্মৃতিতে ধরে রেখেছিঃ একটি কিরাআত শুরু করার পূর্বে এবং অপরটি রুকূর সময়। ইমরান ইবনুল হুসাইন তা অস্বীকার করেন। তারা বিষয়টি সম্পর্কে মদিনাতে উবাই ইবনু কাব (রাঃ) কে লিখেন। তিনি সামুরা (রাঃ) এর মত সমর্থন করেন।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অনুসরণ করার জন্যই তো ইমাম নিযুক্ত করা হয়। সুতরাং ইমাম যখন তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলো। যখন তিনি কিরাআত পড়েন তখন তোমরা নীরব থাকো। যখন তিনি গাইরিল মাগযূবি আলাইহিম ওয়ালায-যুআলীন বলেন, তখন তোমরা আমীন বলো। যখন তিনি রুকূ করেন, তখন তোমরাও রুকূ করো। আর যখন তিনি সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ বলেন, তখন তোমরা আল্লাহুম্মা রাববানা ওয়ালাকাল হামদ বলো। যখন তিনি সিজদা করেন, তখন তোমরাও সিজদা করো। তিনি বসা অবস্থায় সালাত পড়লে তোমরাও সকলে বসা অবস্থায় সালাত পড়ো।
হাদিস 847 — Sunan Ibn Majah 5:45
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي غَلاَّبٍ، عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيِّ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِذَا قَرَأَ الإِمَامُ فَأَنْصِتُوا فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ فَلْيَكُنْ أَوَّلَ ذِكْرِ أَحَدِكُمُ التَّشَهُّدُ " .
। আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ইমামের কিরাআাত পাঠের সময় তোমরা নীরব থাকবে। তিনি তাশাহ্হুদ পাঠের জন্য বসলে তোমাদের যে কোন মুসল্লীর প্রথম যিকির যেন হয় তাশাহ্হুদ।
হাদিস 848 — Sunan Ibn Majah 5:46
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ أُكَيْمَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ صَلَّى النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِأَصْحَابِهِ صَلاَةً نَظُنُّ أَنَّهَا الصُّبْحُ فَقَالَ " هَلْ قَرَأَ مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ " . قَالَ رَجُلٌ أَنَا . قَالَ " إِنِّي أَقُولُ مَا لِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের নিয়ে সালাত পড়লেন, আমাদের মতে তা ছিল ফজরের সালাত। সালাত শেষে তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ কি কিরাআত পড়েছে? এক ব্যাক্তি বললো, আমি পড়েছি। তিনি বলেনঃ তাই তো (মনে মনে) বলছিলাম আমার কুরআন পাঠে বিঘ্ন ঘটছে কেন
হাদিস 849 — Sunan Ibn Majah 5:47
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا جَمِيلُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ أُكَيْمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَذَكَرَ نَحْوَهُ وَزَادَ فِيهِ قَالَ فَسَكَتُوا بَعْدُ فِيمَا جَهَرَ فِيهِ الإِمَامُ .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে সালাত পড়লেন উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এই বর্ণনায় আরো আছেঃ যে সালাতে ইমাম সশব্দে কিরাআত পড়েন, তখন থেকে সেই সালাতে তারা কিরাআত পাঠ ত্যাগ করেন।
হাদিস 850 — Sunan Ibn Majah 5:48
হাসানহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ كَانَ لَهُ إِمَامٌ فَإِنَّ قِرَاءَةَ الإِمَامِ لَهُ قِرَاءَةٌ " .
। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাদের ইমাম আছে ইমামের কিরাআতই তার কিরাআত।
হাদিস 851 — Sunan Ibn Majah 5:49
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِذَا أَمَّنَ الْقَارِئُ فَأَمِّنُوا فَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ تُؤَمِّنُ فَمَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন কুরআন পাঠকারী (ইমাম) আমীন বলেন, তখন তোমরাও আমীন বলো। কেননা ফেরেশতাগণও তখন আমীন বলেন অতএব যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে হয় তার পুর্ববর্তী গুনাহ মাফ করা হয়।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন কুরান পাঠকারী (ইমাম) আমীন বলে, তখন তোমরাও আমীন বলো। যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে হয়, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হয়।