حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ الْوَلِيدِ الْمَدِينِيُّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ صَلَّى بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ عِشْرِينَ رَكْعَةً بَنَى اللَّهُ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ " .
। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মাগরিব ও এশার মধ্যবর্তী সময়ে বিশ রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) পড়ে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন।
। আবূ হুরাইরাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি মাগরিবের সালাতের পর ছয় রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) পড়লো এবং এ সালাতের মাঝখানে কোন অশিষ্ট কথা বলেনি, তাকে বারো বছরের ইবাদাতের সওয়াব দেয়া হয়।
। আসেম ইবনু আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইরাকের একটি প্রতিনিধি দল উমার (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাতের জন্য রওয়ানা হলেন। তারা তার নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাদের বলেন, তোমরা কারা? তারা বললো, ইরাকীদের পক্ষ থেকে। তিনি বলেন, তোমরা অনুমতি নিয়ে এসেছো কি? তারা বললো, হ্যাঁ। রাবী বলেন, তারা তাকে কোন ব্যক্তি তার ঘরে (নফল) সালাত (নামায/নামাজ) পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। উমার (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ কোন ব্যক্তির ঘরে সালাত পড়া হলো নূর (আলো)। অতএব তোমরা তোমাদের ঘরকে আলোকিত করো। ১/১৩৭৫ (১) মুহাম্মাদ ইবনু আবূল হুসায়ন, আবদুল্লাহ ইবনু জাফার, উবাঈদুল্লাহ ইবনু আমর, যায়দ ইবনু আবূ উনাইসাহ, আবূ ইসহাক, আসিম ইবনু আমর, উমায়র মাওলা উমার ইবনুল খাত্তাব, উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 1376 — Sunan Ibn Majah 5:574
সহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِذَا قَضَى أَحَدُكُمْ صَلاَتَهُ فَلْيَجْعَلْ لِبَيْتِهِ مِنْهَا نَصِيبًا فَإِنَّ اللَّهَ جَاعِلٌ فِي بَيْتِهِ مِنْ صَلاَتِهِ خَيْرًا " .
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ সালাত (নামায/নামাজ) পড়লে তার কিছু অংশ সে যেন তার ঘরে পড়ে। কারণ তার সালাতের উসীলায় আল্লাহ তার ঘরে প্রাচুর্য দান করেন।
হাদিস 1377 — Sunan Ibn Majah 5:575
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَخْزَمَ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ تَتَّخِذُوا بُيُوتَكُمْ قُبُورًا " .
। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের ঘরগুলো কবরে পরিণত করো না (ঘরেও কিছু সুন্নাত বা নফল সালাত (নামায/নামাজ) পড়ো)।
। আবদুল্লাহ ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, কোনটি উত্তম- আমার ঘরের সালাত (নামায/নামাজ) অথবা মসজিদের সালাত? তিনি বলেনঃ তুমি কি আমার ঘর দেখো না, তা মসজিদের কত নিকটে? তা সত্ত্বেও আমার মসজিদে সালাত পড়া অপেক্ষা আমার ঘরে সালাত পড়া আমার নিকট অধিক প্রিয়। কিন্তু ফরয সালাত হলে (তা মসজিদে পড়বে)।
। আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) এর আমলে বহু লোকের উপস্থিতিতে আমি চাশতের সালাত (সালাতুদ দুহা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। কিন্তু মাইমূনা (রাঃ) ব্যতীত আর কেউ বলতে পারেননি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছেন কি না। তিনি আমাকে অবহিত করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সালাত আট রাকআত পড়েছেন।
হাদিস 1380 — Sunan Ibn Majah 5:578
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَنَسٍ، عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ " مَنْ صَلَّى الضُّحَى ثِنْتَىْ عَشْرَةَ رَكْعَةً بَنَى اللَّهُ لَهُ قَصْرًا مِنْ ذَهَبٍ فِي الْجَنَّةِ " .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি বার রাকআত চাশতের সালাত (নামায/নামাজ) পড়লো, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি স্বর্ণের ইমারত নির্মাণ করেন।
হাদিস 1381 — Sunan Ibn Majah 5:579
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ الرِّشْكِ، عَنْ مُعَاذَةَ الْعَدَوِيَّةِ، قَالَتْ سَأَلْتُ عَائِشَةَ أَكَانَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يُصَلِّي الضُّحَى قَالَتْ نَعَمْ أَرْبَعًا وَيَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ .
। মুআযা আল-আদাবিয়্যা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি চাশতের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতো? তিনি বলেন, হ্যাঁ, চার রাকআত, আবার আল্লাহ্র মর্জি হলে তার বেশিও পড়তেন।
হাদিস 1382 — Sunan Ibn Majah 5:580
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ النَّهَّاسِ بْنِ قَهْمٍ، عَنْ شَدَّادٍ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ حَافَظَ عَلَى شُفْعَةِ الضُّحَى غُفِرَتْ لَهُ ذُنُوبُهُ وَإِنْ كَانَتْ مِثْلَ زَبَدِ الْبَحْرِ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি চাশতের দু রাকআত সালাতের হেফাজত করলো, তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হলো, তা সমুদ্রের ফেনারাশির ন্যায় অধিক হলেও।