। কাব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আল্লাহ যখন তার তাওবা কবূল করেন তখন, তিনি (কৃতজ্ঞতার) সাজদায় লুটিয়ে পড়েন।
হাদিস 1394 — Sunan Ibn Majah 5:592
হাসানহাসানহাসান LighairihiIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخُزَاعِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ السُّلَمِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ بَكَّارِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ إِذَا أَتَاهُ أَمْرٌ يَسُرُّهُ أَوْ يُسَرُّ بِهِ خَرَّ سَاجِدًا شُكْرًا لِلَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى .
। আবূ বাকারহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কোন খুশির খবর আসলে তিনি মহামহিম আল্লাহ্র সমীপে কৃতজ্ঞতার সাজদায় লুটিয়ে পড়তেন।
হাদিস 1395 — Sunan Ibn Majah 5:593
হাসানহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَنَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، وَسُفْيَانُ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ الثَّقَفِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ الْوَالِبِيِّ، عَنْ أَسْمَاءَ بْنِ الْحَكَمِ الْفَزَارِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ كُنْتُ إِذَا سَمِعْتُ مِنْ، رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ حَدِيثًا يَنْفَعُنِي اللَّهُ بِمَا شَاءَ مِنْهُ وَإِذَا حَدَّثَنِي عَنْهُ غَيْرُهُ اسْتَحْلَفْتُهُ فَإِذَا حَلَفَ صَدَّقْتُهُ وَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ حَدَّثَنِي وَصَدَقَ أَبُو بَكْرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَا مِنْ رَجُلٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا فَيَتَوَضَّأُ فَيُحْسِنُ الْوُضُوءَ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ - وَقَالَ مِسْعَرٌ ثُمَّ يُصَلِّي - وَيَسْتَغْفِرُ اللَّهَ إِلاَّ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ " .
। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট হাদীস শুনতাম, তখন আল্লাহ তার দ্বারা আমার যতটুকু উপকার করতে চাইতেন করতেন। আর অন্য কেউ তাঁর থেকে আমার নিকট হাদীস বর্ননা করলে আমি তাকে শপথ করাতাম। সে শপথ করার পর আমি তাকে বিশ্বাস করতাম। আবূ বাকর (রাঃ) আমার নিকট হাদীস বর্ননা করতেন এবং তিনি সত্য বলতেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি গুনাহ করার পর উত্তমরূপে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে দু রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) পড়ে আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। মিসআর (রহঃ)-এর বর্ণনায় শুধু সালাত উল্লেখ আছে (রাকআত সংখ্যা উল্লেখ নাই)।
। আসিম ইবনু সুফ্ইয়ান আস-সাকাফী (রহ) থেকে বর্ণিত। তারা সালাসিল যুদ্ধ অভিযানে অংশগ্রহণ করতে রওয়ানা হন। এরপর তারা সীমান্ত এলাকায় সারিবদ্ধভাবে ঘোড়া বিন্যস্ত করেন। পরে তারা মুআবিয়াহ (রাঃ) এর নিকট ফিরে আসেন। তখন তার নিকট উপস্থিত ছিলেন আবূ আইউব ও উকবাহ ইবনু আমির (রাঃ)। আসিম (রহঃ) বলেন, হে আবূ আইউব! এ বছরের যুদ্ধাভিযানে আমরা অংশগ্রহণ করতে পারিনি। আমরা অবহিত হয়েছি যে, যে ব্যক্তি চারটি মসজিদে সালাত (নামায/নামাজ) পড়বে, তার গুনাহ মাফ করা হবে। আবূ আইউব (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি চারটি মসজিদে সালাত (নামায/নামাজ) পড়বে, তার গুনাহ মাফ করা হবে। আবূ আইউব (রাঃ) বলেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! আমি তোমাকে এর চেয়েও সহজ পথ বলে দিচ্ছি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তি যথাবিধি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে যথাবিধি সালাত পড়লে, তার পূর্বেকার গুনাহ ক্ষমা করা হয়। হে উক্বা! হাদীসটি কি এরূপ? তিনি বলেন, হ্যাঁ।
। উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ তুমি কি মনে করো, কারো বাড়ির আঙ্গিনায় যদি প্রবহমান নদী থাকে, আর সে তাতে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে, তবে তার শরীরে কি কোন ময়লা থাকে? তিনি বলেন, কিছুই থাকে না। তিনি বলেনঃ পানি যেভাবে ময়লা দূর করে দেয়, তদ্রূপ সালাত (নামায/নামাজ)ও গুনাহ দূর করে দেয়।
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি এক নারীর সাথে অপকর্ম করে, তবে যেনা নয়। আমি জানি না, আসলে কী ঘটেছিল। সম্ভবত যিনা ব্যতীত অন্য কিছু। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে ব্যাপারটি তাঁর কাছে বর্ণনা করে। তখন মহান আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) সালাত (নামায/নামাজ) কায়িম করো দিনের দু প্রান্তভাগে ও রাতের প্রথমাংশে, সৎকর্ম অবশ্যই অসৎ কর্ম মিটিয়ে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহণ করে এতো তাদের জন্য উপদেশ (সূরাহ হূদঃ ১১৪)। সেই ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহ্র রাসূল! এ আয়াত কি আমার জন্যই? তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি এর উপর আমল করবে (তার জন্যও)।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ আমার উম্মাতের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত (নামায/নামাজ) ফরয করেছিলেন। আমি তা নিয়ে ফেরার পথে মূসা (আলাইহিস সালাম) এর নিকট আসলাম। তখন মূসা (আলাইহিস সালাম) বলেনঃ আপনার প্রভু আপনার উম্মাতের জন্য কী ফরয করেছেন? আমি বললামঃ তিনি আমার উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। তিনি বলেনঃ আপনি আপনার প্রভুর নিকট ফিরে যান। কেননা আপনার উম্মাত তা পড়তে সক্ষম হবে না। অতএব আমি আমার প্রভুর নিকট ফিরে গেলে তিনি তার অর্ধেক কমিয়ে দেন। অতঃপর আমি মূসা (আলাইহিস সালাম) এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে তা অবহিত করলাম। তিনি বলেনঃ আপনি আপনার প্রভুর নিকট ফিরে গেলাম। তিনি বলেনঃ তা পাঁচ ওয়াক্ত, পঞ্চাশের সমান। আর আমার কথা কখনো পরিবর্তন হয় না। তারপর আমি মূসা (আলাইহিস সালাম) এর নিকট ফিরে আসলে তিনি আবার বলেনঃ আপনি আপনার প্রভুর নিকট ফিরে যান। আমি বললাম, আমি আমার প্রভুর নিকট পুনরায় ফিরে যেতে লজ্জাবোধ করছি।
হাদিস 1400 — Sunan Ibn Majah 5:598
সহিহসহিহ Lighairihiসহিহ Lighairihiসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُصْمٍ أَبِي عُلْوَانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أُمِرَ نَبِيُّكُمْ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِخَمْسِينَ صَلاَةً فَنَازَلَ رَبَّكُمْ أَنْ يَجْعَلَهَا خَمْسَ صَلَوَاتٍ .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাতের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এরপর তোমাদের রব তা পাঁচ ওয়াক্তে পরিণত করেন।
। উবাদাহ ইবনুুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত (নামায/নামাজ) ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি সালাতের কোন হক নষ্ট না করে তা যথাযথভাবে আদায় করবে, নিশ্চয় আল্লাহ্র নিকট কিয়ামতের দিন তার জন্য এই প্রতিশ্রুতি আছে যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর যে ব্যক্তি সালাতের হক নষ্ট করবে এবং যথাযথভাবে সালাত পড়বে না, তার জন্য আল্লাহ্র কাছে কোন অঙ্গীকার নেই। তিনি ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিবেন, অন্যথায় মাফ করবেন।
হাদিস 1402 — Sunan Ibn Majah 5:600
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ الْمِصْرِيُّ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَمِرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ بَيْنَمَا نَحْنُ جُلُوسٌ فِي الْمَسْجِدِ دَخَلَ رَجُلٌ عَلَى رَحْلٍ فَأَنَاخَهُ فِي الْمَسْجِدِ ثُمَّ عَقَلَهُ ثُمَّ قَالَ لَهُمْ أَيُّكُمْ مُحَمَّدٌ وَرَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مُتَّكِئٌ بَيْنَ ظَهْرَانَيْهِمْ . قَالَ فَقَالُوا هَذَا الرَّجُلُ الأَبْيَضُ الْمُتَّكِئُ . فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ يَا ابْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ . فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " قَدْ أَجَبْتُكَ " . فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ يَا مُحَمَّدُ إِنِّي سَائِلُكَ وَمُشَدِّدٌ عَلَيْكَ فِي الْمَسْأَلَةِ فَلاَ تَجِدَنَّ عَلَىَّ فِي نَفْسِكَ . فَقَالَ " سَلْ مَا بَدَا لَكَ " . قَالَ لَهُ الرَّجُلُ نَشَدْتُكَ بِرَبِّكَ وَرَبِّ مَنْ قَبْلَكَ آللَّهُ أَرْسَلَكَ إِلَى النَّاسِ كُلِّهِمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اللَّهُمَّ نَعَمْ " . قَالَ فَأَنْشُدُكَ بِاللَّهِ آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تُصَلِّيَ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اللَّهُمَّ نَعَمْ " . قَالَ فَأَنْشُدُكَ بِاللَّهِ آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَصُومَ هَذَا الشَّهْرَ مِنَ السَّنَةِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اللَّهُمَّ نَعَمْ " . قَالَ فَأَنْشُدُكَ بِاللَّهِ آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَأْخُذَ هَذِهِ الصَّدَقَةَ مِنْ أَغْنِيَائِنَا فَتَقْسِمَهَا عَلَى فُقَرَائِنَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " اللَّهُمَّ نَعَمْ " . فَقَالَ الرَّجُلُ آمَنْتُ بِمَا جِئْتَ بِهِ وَأَنَا رَسُولُ مَنْ وَرَائِي مِنْ قَوْمِي . وَأَنَا ضِمَامُ بْنُ ثَعْلَبَةَ أَخُو بَنِي سَعْدِ بْنِ بَكْرٍ .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, একদা আমরা মসজিদে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি উটের পিঠে আরোহিত অবস্থায় এসে তার উটটিকে মসজিদের নিকট বসিয়ে সেটিকে বাঁধলো, অতঃপর জিজ্ঞেস করলো, তোমাদের মধ্যে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সামনেই হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। রাবী বলেন, তারা বললেন, হেলান দিয়ে বসা এই সুন্দর ব্যক্তি। লোকটি তাঁকে বললো, হে আবদুল মুত্তালিবের বংশধর! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ আমি তোমার ডাকে সাড়া দিয়েছি। লোকটি তাঁকে বলবো, হে মুহাম্মাদ! আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবো এবং আমার প্রশ্নগুলো আপনার জন্য হবে কঠোর। এতে আপনি কিছু মনে করবেন না। তিনি বলেনঃ তোমার ইচ্ছামত প্রশ্ন করো। লোকটি তাঁকে বললো, আমি আপনাকে আপনার প্রভুর এবং আপনার পূর্ববর্তীদের প্রভুর শপথ দিচ্ছি, আল্লাহ কি আপনাকে সমগ্র বিশ্ববাসীর নিকট প্রেরণ করেছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইয়া আল্লাহ্! হ্যাঁ। সে বললো, আমি আপনাকে আল্লাহ্র নামে শপথ করে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে দিন-রাত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত (নামায/নামাজ) পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইয়া আল্লাহ্! হ্যাঁ। সে বললো, আমি আপনাকে আল্লাহ্র নামে শপথ করে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে বছরের এই মাসে সওম রাখার নির্দেশ দিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইয়া আল্লাহ্! হ্যাঁ। সে বললো, আমি আপনাকে আল্লাহ্র নামে শপথ করে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে আমাদের ধনাঢ্যদের নিকট থেকে যাকাত আদায় করে তা আমাদের গরীবদের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইয়া আল্লাহ্! হ্যাঁ। লোকটি বললো, আপনি যা নিয়ে এসেছেন আমি তার উপর ঈমান আনলাম। আর আমার সম্প্রদায়ের যেসব লোক আমার পেছনে রয়েছে, আমি তাদের প্রতিনিধি এবং আমি হলাম সা’দ ইবনু বাকর গোত্রের সদস্য দিমাম ইবনু সালাবা।