حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ بَدْرٍ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ لِلْحُبْلَى الَّتِي تَخَافُ عَلَى نَفْسِهَا أَنْ تُفْطِرَ وَلِلْمُرْضِعِ الَّتِي تَخَافُ عَلَى وَلَدِهَا .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে গর্ভবতী নারী নিজ জীবনের ক্ষতির আশঙ্কা করে এবং যে স্তন্যদায়িনী মা তার সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা করে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে রোযা না রাখার অনুমতি দিয়েছেন।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার উপর রমযান মাসের রোযার কাযা থাকলে আমি শাবান মাস না আসা পর্যন্ত তা রাখতাম না।
হাদিস 1670 — Sunan Ibn Majah 7:33
হাসান
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ عُبَيْدَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كُنَّا نَحِيضُ عِنْدَ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَيَأْمُرُنَا بِقَضَاءِ الصَّوْمِ .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় আমরা ঋতুবতী হতাম। তিনি আমাদের (ছুটে যাওয়া) রোযার কাযা করার নির্দেশ দিতেন।
হাদিস 1671 — Sunan Ibn Majah 7:34
সহিহদাঈফসহিহসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: أَتَى النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ رَجُلٌ فَقَالَ هَلَكْتُ . قَالَ: " وَمَا أَهْلَكَكَ؟ " . قَالَ: وَقَعْتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي رَمَضَانَ . فَقَالَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " أَعْتِقْ رَقَبَةً " . قَالَ: لاَ أَجِدُهَا . قَالَ: " صُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ " . قَالَ: لاَ أُطِيقُ . قَالَ: " أَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا " . قَالَ: لاَ أَجِدُ . قَالَ: " اجْلِسْ " . فَجَلَسَ فَبَيْنَمَا هُوَ كَذَلِكَ إِذْ أُتِيَ بِمِكْتَلٍ يُدْعَى الْعَرَقَ فَقَالَ: " اذْهَبْ فَتَصَدَّقْ بِهِ " قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا بَيْنَ لاَبَتَيْهَا أَهْلُ بَيْتٍ أَحْوَجُ إِلَيْهِ مِنَّا . قَالَ: " فَانْطَلِقْ فَأَطْعِمْهُ عِيَالَكَ " . حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِذَلِكَ فَقَالَ: " وَصُمْ يَوْمًا مَكَانَهُ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিান বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললো, আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। তিনি বলেনঃ কিসে তোমাকে ধ্বংস করলো। সে বললো, আমি রমযানের রোযারত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি একটি গোলাম আযাদ করো সে বললো, আমার সেই সামর্থ্য নাই। তিনি বলেনঃ তাহলে একাধারে দু’ মাস রোযা রাখো। সে বললো, আমার সেই সামর্থ্যও নাই। তিনি বলেনঃ তাহলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও। সে বললো, আমার সেই সামর্থ্যও নাই। তিনি বলেনঃ তুমি বসো। অতএব সে বসে থাকলো। ইতোমধ্যে এক ঝুড়ি খেজুর এলো। তিনি বলেনঃ যাও এটা দান করে দাও। সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন! মদিনার দু’ কংকরময় প্রান্তরের মাঝে আমাদের চেয়ে অধিক অভাবগ্রস্ত আর কেউ নেই। তিনি বলেনঃ যাও, এগুলো তোমার পরিবার-পরিজনদের খাওয়াও। ১/১৬৭১ (১)। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তার পরিবর্তে একদিন রোযা রাখো।
হাদিস 1672 — Sunan Ibn Majah 7:35
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنِ ابْنِ الْمُطَوِّسِ، عَنْ أَبِيهِ الْمُطَوِّسِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِنْ رَمَضَانَ مِنْ غَيْرِ رُخْصَةٍ لَمْ يُجْزِهِ صِيَامُ الدَّهْرِ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বিনা ওজরে রমযান মাসের একদিন রোযা ভাঙ্গে সে সারা জীবন রোযা রাখলেও তার ক্ষতিপূরণ হবে না।
হাদিস 1673 — Sunan Ibn Majah 7:36
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ خِلاَسٍ، وَمُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ أَكَلَ نَاسِيًا وَهُوَ صَائِمٌ فَلْيُتِمَّ صَوْمَهُ فَإِنَّمَا أَطْعَمَهُ اللَّهُ وَسَقَاهُ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন রোযাদার ভুলক্রমে আহার করলে সে যেন তার রোযা পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহ্ তাকে পানাহার করিয়েছেন।
হাদিস 1674 — Sunan Ibn Majah 7:37
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، قَالَتْ: أَفْطَرْنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي يَوْمِ غَيْمٍ ثُمَّ طَلَعَتِ الشَّمْسُ . قُلْتُ لِهِشَامٍ: أُمِرُوا بِالْقَضَاءِ؟ قَالَ: لاَ بُدَّ مِنْ ذَلِكَ .
। আসমা বিনত আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সময় মেঘাচ্ছন্ন দিনে ইফতার করলাম, তারপর সূর্য প্রকাশ পেলো। অধস্তন রাবী বলেন, আমি হিশাম (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তাদেরকে কাযা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল কি? তিনি বলেন, অবশ্যই।
। ফাদালা ইবনু উবাইদ আল-আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন রোযারত অবস্থায় তাদের নিকট বেরিয়ে আসেন। তিনি পানির পাত্র চেয়ে নিয়ে পানি পান করেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল আপনি তো এই দিন (নফল)রোযা রেখেছিলেন। তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, তবে আমি বমি করেছি।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যার মুখ ভরে বমি হয় তাকে রোযা কাযা করতে হবে না। যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বমি করে তাকে রোযার কাযা করতে হবে।
হাদিস 1677 — Sunan Ibn Majah 7:40
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْمَاعِيلَ الْمُؤَدِّبُ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مِنْ خَيْرِ خِصَالِ الصَّائِمِ السِّوَاكُ " .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রোযাদারের উত্তম গুণাবলির একটি হলো দাঁতন করা।